স্ট্রিম ডেস্ক

খোলা বাজারে বিক্রি চালের ন্যূনতম মূল্য (রিজার্ভ মূল্য) বাড়িয়েছে ভারত। এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্য পণ্যটির দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। রপ্তানিকারকরাও দাম বাড়িয়েছেন। ফলে ভারতীয় চাল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ। এতে পেঁয়াজ-আলুর পর চাল নিয়ে বিপাকে পড়ছেন চাষিরা।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পাঁচ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চালের দাম চলতি সপ্তাহে টনপ্রতি ৮-১২ ডলার বেড়েছে। গত সপ্তাহের ৩৪০ ডলারের চাল চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৩৫২ ডলারে। পাঁচ শতাংশ ভাঙা সাদা চালের দামও টনপ্রতি সাত ডলার বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫৭ ডলারে।
বাংলাদেশের সরকারি গুদামে রেকর্ড পরিমাণ ধান-চাল মজুত রয়েছে। দীর্ঘদিন ভারত থেকে চাল আমদানি কার্যত বন্ধ রেখেছে ঢাকা। এতে ভারতীয় চাল রপ্তানিকারকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে উঠছে।
ভারতের ছত্তিশগড়ের রায়পুর এলাকার চাল রপ্তানিকারক মুকেশ জৈন বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, খোলাবাজারে বিক্রয় কর্মসূচির (ওএমএসএস) আওতায় চালের রিজার্ভ মূল্য বাড়িয়েছে সরকার। এতে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে রপ্তানিতেও। রপ্তানিকারকেরা রপ্তানি মূল্য বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে বাড়তি দাম দিতে ক্রেতারা আগ্রহী নন। তাই রপ্তানি চাহিদা খুব কমে গেছে।
ভারত সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৫ জুলাই পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে প্রায় ৬০ লাখ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। গত মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় এটি প্রায় ১০ লাখ হেক্টর কম। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এবার ধান রোপণ কমের কারণে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় কৃষকেরা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারি গুদামে ১৮ লাখ টনের বেশি চালের মজুত থাকায় তুলনামূলক স্বস্তিতে রয়েছে দেশটি। যদিও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় বাজারে চালের দাম কমেনি। চলতি বছর প্রাক-বর্ষার বন্যায় দুই লাখ টনের বেশি চাল নষ্ট হওয়ায়, বাংলাদেশেও চালের সরবরাহ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে থাইল্যান্ডের পাঁচ শতাংশ ভাঙা চালের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় টনপ্রতি ১৫ ডলার কমে মিলছে ৪৫০ ডলারে। ব্যাংককের এক ব্যবসায়ী রয়টার্সকে বলেছেন, বর্তমানে চালের চাহিদা মূলত নিয়মিত ক্রেতাদের মধ্যেই সীমিত। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে চালের সরবরাহ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এতে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি কৃষকেরা ধান চাষের আওতা কমিয়ে দিতে পারেন বলে মনে করছেন তিনি।
ভিয়েতনামের পাঁচ শতাংশ ভাঙা চালের দাম চলতি সপ্তাহে অপরিবর্তিত ছিল। হো চি মিন সিটিভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানান, দেশটির সবচেয়ে বড় ক্রেতা ফিলিপাইনের চাহিদা আগের মতোই রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত বছর হুট করেই ভারত সরকার পেঁয়াজ ও আলু রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এতে বাংলাদেশের মতো ভারতীয় কৃষিপণ্যের ওপর অন্যতম নির্ভরশীল দেশগুলো তাৎক্ষণিক সরবরাহ সংকটে বিকল্প বাজার কিংবা অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় কৃষি পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে আস্থা সংকট তৈরি হয়েছে।
চালের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে রপ্তানিকারকদের কিছু বাড়তি আয় এনে দিতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে ক্রেতারা বিকল্প বাজারে ঝুঁকে পড়লে, চাপ পড়বে রপ্তানি খাতে। পেঁয়াজ ও আলুচাষির মতো চাল নিয়ে কৃষকেরা বিপাকে পড়বেন বলে মনে করছেন তাঁরা।

খোলা বাজারে বিক্রি চালের ন্যূনতম মূল্য (রিজার্ভ মূল্য) বাড়িয়েছে ভারত। এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্য পণ্যটির দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। রপ্তানিকারকরাও দাম বাড়িয়েছেন। ফলে ভারতীয় চাল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ। এতে পেঁয়াজ-আলুর পর চাল নিয়ে বিপাকে পড়ছেন চাষিরা।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের পাঁচ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চালের দাম চলতি সপ্তাহে টনপ্রতি ৮-১২ ডলার বেড়েছে। গত সপ্তাহের ৩৪০ ডলারের চাল চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৩৫২ ডলারে। পাঁচ শতাংশ ভাঙা সাদা চালের দামও টনপ্রতি সাত ডলার বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫৭ ডলারে।
বাংলাদেশের সরকারি গুদামে রেকর্ড পরিমাণ ধান-চাল মজুত রয়েছে। দীর্ঘদিন ভারত থেকে চাল আমদানি কার্যত বন্ধ রেখেছে ঢাকা। এতে ভারতীয় চাল রপ্তানিকারকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে উঠছে।
ভারতের ছত্তিশগড়ের রায়পুর এলাকার চাল রপ্তানিকারক মুকেশ জৈন বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, খোলাবাজারে বিক্রয় কর্মসূচির (ওএমএসএস) আওতায় চালের রিজার্ভ মূল্য বাড়িয়েছে সরকার। এতে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে রপ্তানিতেও। রপ্তানিকারকেরা রপ্তানি মূল্য বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে বাড়তি দাম দিতে ক্রেতারা আগ্রহী নন। তাই রপ্তানি চাহিদা খুব কমে গেছে।
ভারত সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৫ জুলাই পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে প্রায় ৬০ লাখ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। গত মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় এটি প্রায় ১০ লাখ হেক্টর কম। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এবার ধান রোপণ কমের কারণে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় কৃষকেরা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারি গুদামে ১৮ লাখ টনের বেশি চালের মজুত থাকায় তুলনামূলক স্বস্তিতে রয়েছে দেশটি। যদিও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় বাজারে চালের দাম কমেনি। চলতি বছর প্রাক-বর্ষার বন্যায় দুই লাখ টনের বেশি চাল নষ্ট হওয়ায়, বাংলাদেশেও চালের সরবরাহ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে থাইল্যান্ডের পাঁচ শতাংশ ভাঙা চালের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় টনপ্রতি ১৫ ডলার কমে মিলছে ৪৫০ ডলারে। ব্যাংককের এক ব্যবসায়ী রয়টার্সকে বলেছেন, বর্তমানে চালের চাহিদা মূলত নিয়মিত ক্রেতাদের মধ্যেই সীমিত। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে চালের সরবরাহ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এতে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি কৃষকেরা ধান চাষের আওতা কমিয়ে দিতে পারেন বলে মনে করছেন তিনি।
ভিয়েতনামের পাঁচ শতাংশ ভাঙা চালের দাম চলতি সপ্তাহে অপরিবর্তিত ছিল। হো চি মিন সিটিভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানান, দেশটির সবচেয়ে বড় ক্রেতা ফিলিপাইনের চাহিদা আগের মতোই রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত বছর হুট করেই ভারত সরকার পেঁয়াজ ও আলু রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এতে বাংলাদেশের মতো ভারতীয় কৃষিপণ্যের ওপর অন্যতম নির্ভরশীল দেশগুলো তাৎক্ষণিক সরবরাহ সংকটে বিকল্প বাজার কিংবা অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় কৃষি পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে আস্থা সংকট তৈরি হয়েছে।
চালের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে রপ্তানিকারকদের কিছু বাড়তি আয় এনে দিতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে ক্রেতারা বিকল্প বাজারে ঝুঁকে পড়লে, চাপ পড়বে রপ্তানি খাতে। পেঁয়াজ ও আলুচাষির মতো চাল নিয়ে কৃষকেরা বিপাকে পড়বেন বলে মনে করছেন তাঁরা।
.png)

তিন দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। ভালোমানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতে বসানো ‘হেয়ারকাট’ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি আমানতকারীরা প্রয়োজনে তাঁর জমানো মূল অর্থ তুলতে পারবেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি খাত আগে থেকেই কিছুটা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যেই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহ সংকট তীব্র হয়েছে। এতে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে পোশাক খাত। এখন পর্যন্ত বৈদেশিক ক্রয়াদেশে এর নেতিবাচক প্রভাব প্রকট না হলেও সংকট বেশিদিন চললে অদূর ভবিষ্যতে বড়সড় ধাক্কা আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার যৌথ সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, গত দেড় বছরে কিছু প্রতিবন্ধকতা দুই দেশের প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে কিছুটা ধীরগতি এসেছে। সমস্যা চিহ্নিত করে এই বাণিজ্য আরও সহজ ও কা
২৪ আগস্ট ২০২৬