জাতিসংঘের সঙ্গে পরামর্শ সভা
স্ট্রিম প্রতিবেদক

এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার দাবিতে জাতিসংঘের সঙ্গে পরামর্শ সভা করেছে বাংলাদেশ। বৈঠকে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এই সময় বাড়ানোর আবেদন জানান।
গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতিসংঘের ‘এনহ্যান্সড মনিটরিং মেকানিজম’-এর (ইএমএম) আওতায় ইউএন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএন-সিডিপি) সঙ্গে বাংলাদেশের এই ভার্চুয়াল পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা ২০২৬ সাল থেকে পিছিয়ে ২০২৯ সাল করার আবেদন জানায়।
সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
সভা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের চাপের মুখে অতিরিক্ত সময় ছাড়া টেকসই উত্তরণ সম্ভব নয়।
ড. তিতুমীর বলেন, এলডিসি উত্তরণ কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং গভীর অর্থনৈতিক রূপান্তর, যার জন্য নীতি সংস্কার ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘এই আবেদন কোনো দুর্বলতার প্রতিফলন নয়; বরং দায়িত্বশীল পরিকল্পনার অংশ। আমরা চাই উত্তরণ যেন স্থায়ী ও ঝুঁকিমুক্ত হয়।’
সভা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘প্রস্তুতিহীন উত্তরণ ঘটলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোসহ বড় ধরনের বাণিজ্যিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’
বিজিএমইএ পরিচালক ফয়সাল সামাদ পর্যাপ্ত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) না থাকাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া চামড়া, পাদুকা ও ওষুধ শিল্পের প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে আরও সময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান।
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ বা ব্যবসার সহজীকরণ এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ছাড়া উত্তরণ টেকসই হবে না।
সভায় সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং বেসরকারি বিনিয়োগে কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলোও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার দাবিতে জাতিসংঘের সঙ্গে পরামর্শ সভা করেছে বাংলাদেশ। বৈঠকে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এই সময় বাড়ানোর আবেদন জানান।
গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতিসংঘের ‘এনহ্যান্সড মনিটরিং মেকানিজম’-এর (ইএমএম) আওতায় ইউএন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএন-সিডিপি) সঙ্গে বাংলাদেশের এই ভার্চুয়াল পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা ২০২৬ সাল থেকে পিছিয়ে ২০২৯ সাল করার আবেদন জানায়।
সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
সভা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের চাপের মুখে অতিরিক্ত সময় ছাড়া টেকসই উত্তরণ সম্ভব নয়।
ড. তিতুমীর বলেন, এলডিসি উত্তরণ কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং গভীর অর্থনৈতিক রূপান্তর, যার জন্য নীতি সংস্কার ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘এই আবেদন কোনো দুর্বলতার প্রতিফলন নয়; বরং দায়িত্বশীল পরিকল্পনার অংশ। আমরা চাই উত্তরণ যেন স্থায়ী ও ঝুঁকিমুক্ত হয়।’
সভা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘প্রস্তুতিহীন উত্তরণ ঘটলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোসহ বড় ধরনের বাণিজ্যিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’
বিজিএমইএ পরিচালক ফয়সাল সামাদ পর্যাপ্ত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) না থাকাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া চামড়া, পাদুকা ও ওষুধ শিল্পের প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে আরও সময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান।
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ বা ব্যবসার সহজীকরণ এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ছাড়া উত্তরণ টেকসই হবে না।
সভায় সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং বেসরকারি বিনিয়োগে কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলোও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।
.png)

কর ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে পরোক্ষ করের বোঝা কমিয়ে প্রত্যক্ষ করের পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীতে সিপিডির ‘জাতীয় বাজেটে কর ন্যায্যতা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা দেশের কর ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
২ দিন আগে
দেশীয় রপ্তানি শিল্পকে সহায়তায় আমদানিকৃত কাঁচামালে বন্ড বা শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় সরকার। তবে এই সুবিধার অপব্যবহার রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিলেও মাঠপর্যায়ে বড় অঙ্কের আমদানির প্রাপ্যতা অনুমোদনের চিত্র দেখা গেছে।
২ দিন আগে
বিগত সরকারের প্রায় ১ হাজার ৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় আর্থিক দায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সেমিনারে এই কথা বলেন তিনি।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা কার্যকরে দ্রুত অগ্রগতির আহ্বান জানিয়েছে বিটিএমএ।
৩ দিন আগে