leadT1ad

চার ভ্যাট কমিশনারেটে রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ২২: ৫০
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। স্ট্রিম গ্রাফিক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চারটি ভ্যাট কমিশনারেট ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় ধরনের ঘাটতির মুখে পড়েছে। গত এপ্রিল পর্যন্ত অর্জিত রাজস্বের চিত্র পর্যালোচনা করে পিছিয়ে থাকার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কমিশনারেটগুলোকে চিঠি দিয়েছে এনবিআর।

চলতি অর্থবছরে এনবিআরের মূসক বা ভ্যাট অনুবিভাগের জন্য মোট ২ লাখ ৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

গত ১৪ জুন এনবিআরের ‘মূসক বাস্তবায়ন ও আইটি’ অনুবিভাগ থেকে পাঠানো চিঠিগুলোতে ঘাটতি কাটিয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে তা জানাতে বলা হয়েছে।

চার কমিশনারেটে বড় ব্যবধান

প্রথম কমিশনারেট অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত ১৩ হাজার ৩০৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এপ্রিল পর্যন্ত আদায় হয়েছে ৪ হাজার ৯৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এখানে সয়াবিন তেল, সিমেন্ট শিট, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, টিস্যু পেপার, ইলেকট্রিক ফ্যান, প্লাস্টিক ব্যাগের মতো পণ্য খাতে বড় পতন হয়েছে। বিশেষ করে প্লাস্টিক ব্যাগে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৭০ শতাংশ, সিমেন্ট শিটে ৫৬ শতাংশ ও স্যানিটারি ন্যাপকিনে ৩২ শতাংশ। সেবা খাতে কনস্ট্রাকশন ফার্ম এবং অডিট ও অ্যাকাউন্টিং ফার্মের রাজস্ব আদায়ও ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

দ্বিতীয় কমিশনারেটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ৮৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩ হাজার ৩৮০ কোটি ৬ লাখ টাকা। এই অঞ্চলে পিসি পোল ও প্লাস্টিক ব্যাগের মতো পণ্যের রাজস্ব প্রবৃদ্ধি কমেছে যথাক্রমে ৭৯ ও ৭৮ শতাংশ। এ ছাড়া লেড অক্সাইডে ৬৫ শতাংশ, সিরামিক ব্রিকসে ৩৬ শতাংশ ও ক্যাপিটাল মেশিনারি রেন্টাল সেবায় প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩৬ শতাংশ।

বৃহৎ লক্ষ্যমাত্রার অঞ্চলেও ঘাটতি

২২ হাজার ৭৯৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করা তৃতীয় কমিশনারেটের এপ্রিল পর্যন্ত সংগ্রহ করতে পেরেছে ১৫ হাজার ১৩২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এই কমিশনারেটের অধীনে ফ্রেইট ফরোয়ার্ডারদের সেবা থেকে রাজস্ব আয় কমেছে ৬৪ শতাংশ এবং কাঠজাত পণ্যে পতন হয়েছে ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া গ্লাস ও গ্লাসওয়্যার এবং জ্বালানি তেল বা পিওএল পণ্যখাতে যথাক্রমে ৫৬ ও ৪০ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

ক্ষুদ্র অঞ্চল হলেও চতুর্থ কমিশনারেট ১ হাজার ৯০০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সংগ্রহ করেছে ১ হাজার ২০০ কোটি ২০ লাখ টাকা। এই অঞ্চলে কনসাল্টিং ও সুপারভাইজারি ফার্ম থেকে রাজস্ব আদায় ৭২ শতাংশ, সিরামিক টাইলস থেকে ৬৮ শতাংশ এবং অকশন এজেন্সি থেকে ৪২ শতাংশ কমেছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত