
দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় নতুন করে দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমে হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের জরুরি সভায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে এ দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমে হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমে হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমে হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, মূলত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমার প্রভাবেই দেশের বাজারে দাম কমানো হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই গ্রাহকের কাছ থেকে নতুন করে কোনো ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গয়নার নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী কারিগরি মজুরি নেওয়া যাবে।
এর আগে টানা কয়েক দফা দাম বাড়ানোর পর গত শনিবার এক ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমানো হয়। এরপর সোমবার ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমানো হয়। পরদিন মঙ্গলবারও একই পরিমাণ দাম কমে। বুধবার কমানো হয় আরও ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। তবে বৃহস্পতিবার আবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়ানো হয়। এর এক দিন পরই আবার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত এলো।
দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি। ওই দিন ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১১৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫৫ দফা কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
সোনার দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
.png)





