স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছে। গেল মাসে তা ছিল এক হাজার ৩৪১ টাকা।
আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীতে বিইআরসি কার্যালয়ে এ নতুন দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
তিনি জানান, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে এ দর ঠিক করা হয়েছে। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে, ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।
বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। বিইআরসি জানিয়েছে, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা। এ হিসাবে ৫.৫ কেজির সিলিন্ডার ৭৯২ টাকা, ১২.৫ কেজি ১ হাজার ৮০১ টাকা, ১৫ কেজি ২ হাজার ১৬১ টাকা, ১৬ কেজি ২ হাজার ৩০৫ টাকা, ১৮ কেজি ২ হাজার ৫৯৩ টাকা এবং ২০ কেজি ২ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ২২ কেজি সিলিন্ডার ৩ হাজার ১৬৯ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৬০১ টাকা, ৩০ কেজি ৪ হাজার ৩২১ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৭৫৩ টাকা, ৩৫ কেজি ৫ হাজার ৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪২৮ টাকা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।
এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করা হয়।
তবে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করলেও বাংলাদেশের ভোক্তা পর্যায়ে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। অভিযোগ আছে, প্রতি সিলিন্ডারে কয়েকশত টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছে। গেল মাসে তা ছিল এক হাজার ৩৪১ টাকা।
আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীতে বিইআরসি কার্যালয়ে এ নতুন দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
তিনি জানান, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে এ দর ঠিক করা হয়েছে। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে, ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।
বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। বিইআরসি জানিয়েছে, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা। এ হিসাবে ৫.৫ কেজির সিলিন্ডার ৭৯২ টাকা, ১২.৫ কেজি ১ হাজার ৮০১ টাকা, ১৫ কেজি ২ হাজার ১৬১ টাকা, ১৬ কেজি ২ হাজার ৩০৫ টাকা, ১৮ কেজি ২ হাজার ৫৯৩ টাকা এবং ২০ কেজি ২ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ২২ কেজি সিলিন্ডার ৩ হাজার ১৬৯ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৬০১ টাকা, ৩০ কেজি ৪ হাজার ৩২১ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৭৫৩ টাকা, ৩৫ কেজি ৫ হাজার ৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪২৮ টাকা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।
এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করা হয়।
তবে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করলেও বাংলাদেশের ভোক্তা পর্যায়ে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। অভিযোগ আছে, প্রতি সিলিন্ডারে কয়েকশত টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে দাবি করেছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
৪ ঘণ্টা আগে
ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ই-ভ্যাট সিস্টেমে নতুনভাবে সংযোজিত ‘অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল’ ব্যবহারের মাধ্যমে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়
৬ ঘণ্টা আগে
সদ্য বিদায়ী মার্চে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) নতুন রেকর্ড হয়েছে। এই মাসে দেশে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ হাজার ১১৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা) প্রবাসী আয় এসেছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যাওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা টাকা ছাপাতে চাই না। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে, দেশি ও বিদেশি এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।’
১ দিন আগে