স্ট্রিম ডেস্ক

ঢাকা, ৭ মে: দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। আজ ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা জারি করা হয়।
নতুন ঘোষিত অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ি উপজেলার বিলভালা মৌজার ১৫.০৮ একর জলাভূমি। এসব জলাভূমি বরাবরই স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল ছিল, বিশেষ করে দেশি ও পরিযায়ী পাখিদের জন্য।
বিলজোয়ানা ও বিলভালার জলাভূমিগুলোতে শীতকালে নানা প্রজাতির দেশি ও বিদেশি পাখির মেলা বসে। নিয়মিত দেখা যায় কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূর প্রজাতির দেশি জলচর পাখি। এর পাশাপাশি, বালি হাঁস, পাতি সরালি, বড় সরালি, পিয়াং হাঁস, খুন্তে হাঁস, ভূতিহাঁসসহ নানা ধরনের পরিযায়ী হাঁসও প্রতিবার শীতের অতিথি হয়ে আসে। শুধু পাখিই নয়, এই জলাভূমিগুলো উভচর, সরীসৃপ ও ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও ব্যাঙ, কচ্ছপ, সরীসৃপ এবং ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসতি রয়েছে এখানে, যা বাংলাদেশের জলাভূমিভিত্তিক বাস্তুসংস্থানের এক অনন্য উদাহরণ।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি সম্প্রসারণ, নগরায়ন, অবাধ মাছ শিকার এবং জলাভূমি ভরাটের কারণে এই জীববৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়ে। অনেক জলচর পাখির সংখ্যা কমে যেতে শুরু করে এবং কিছু প্রজাতির টিকে থাকা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জলাভূমি সংরক্ষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বিলজোয়ানা ও বিলভালাকে অভয়ারণ্য ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই ঘোষণা কার্যকর হবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী। এই আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী সরকার কোনো এলাকা বা জলাভূমিকে ‘অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারে, যেখানে বন্যপ্রাণী হত্যা, শিকার, নিধন, ধরাধরি এবং বসতি সম্প্রসারণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। একই আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী, অভয়ারণ্য এলাকায় জীববৈচিত্র্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়, যাতে প্রাণী ও তাদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ফলে বিলজোয়ানা ও বিলভালা এখন থেকে আইনি সুরক্ষার ছায়ায় আসবে, যেখানে প্রাণী সংরক্ষণ ও তাদের প্রকৃতিক আবাস রক্ষা করা হবে।
স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে যদি অভয়ারণ্যগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়, তাহলে এটি শুধু পরিবেশ রক্ষা করবে না, বরং স্থানীয় মানুষের জন্য পরিবেশবান্ধব জীবিকা বিকাশেও ভূমিকা রাখবে। কারণ, সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইকো-ট্যুরিজম এবং গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

ঢাকা, ৭ মে: দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। আজ ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা জারি করা হয়।
নতুন ঘোষিত অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ি উপজেলার বিলভালা মৌজার ১৫.০৮ একর জলাভূমি। এসব জলাভূমি বরাবরই স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল ছিল, বিশেষ করে দেশি ও পরিযায়ী পাখিদের জন্য।
বিলজোয়ানা ও বিলভালার জলাভূমিগুলোতে শীতকালে নানা প্রজাতির দেশি ও বিদেশি পাখির মেলা বসে। নিয়মিত দেখা যায় কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূর প্রজাতির দেশি জলচর পাখি। এর পাশাপাশি, বালি হাঁস, পাতি সরালি, বড় সরালি, পিয়াং হাঁস, খুন্তে হাঁস, ভূতিহাঁসসহ নানা ধরনের পরিযায়ী হাঁসও প্রতিবার শীতের অতিথি হয়ে আসে। শুধু পাখিই নয়, এই জলাভূমিগুলো উভচর, সরীসৃপ ও ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও ব্যাঙ, কচ্ছপ, সরীসৃপ এবং ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসতি রয়েছে এখানে, যা বাংলাদেশের জলাভূমিভিত্তিক বাস্তুসংস্থানের এক অনন্য উদাহরণ।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি সম্প্রসারণ, নগরায়ন, অবাধ মাছ শিকার এবং জলাভূমি ভরাটের কারণে এই জীববৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়ে। অনেক জলচর পাখির সংখ্যা কমে যেতে শুরু করে এবং কিছু প্রজাতির টিকে থাকা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জলাভূমি সংরক্ষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বিলজোয়ানা ও বিলভালাকে অভয়ারণ্য ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই ঘোষণা কার্যকর হবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী। এই আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী সরকার কোনো এলাকা বা জলাভূমিকে ‘অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারে, যেখানে বন্যপ্রাণী হত্যা, শিকার, নিধন, ধরাধরি এবং বসতি সম্প্রসারণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। একই আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী, অভয়ারণ্য এলাকায় জীববৈচিত্র্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়, যাতে প্রাণী ও তাদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ফলে বিলজোয়ানা ও বিলভালা এখন থেকে আইনি সুরক্ষার ছায়ায় আসবে, যেখানে প্রাণী সংরক্ষণ ও তাদের প্রকৃতিক আবাস রক্ষা করা হবে।
স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে যদি অভয়ারণ্যগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়, তাহলে এটি শুধু পরিবেশ রক্ষা করবে না, বরং স্থানীয় মানুষের জন্য পরিবেশবান্ধব জীবিকা বিকাশেও ভূমিকা রাখবে। কারণ, সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইকো-ট্যুরিজম এবং গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

দেশে এ বছর কিছুটা দেরিতে ঢুকেছে মৌসুমী বায়ু। এতে বৃষ্টি ঝরলেও স্বস্তি মেলেনি। বরং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সারাদেশেই ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি রয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও এখনও কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ।
২ দিন আগে
বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প কারখানাকে এখন বিশ্ব সাপ্লাই চেইনে ‘সবুজ কারখানা বিপ্লবের’ উদাহরণ হিসেবে হাজির করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ‘পরিবেশবান্ধব’ লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভাইরনমেন্টাল ডিজাইন (লিড) সার্টিফায়েড কারখানা এখন বাংলাদেশে।
৬ দিন আগে
গত নয় বছরে অন্তত ১৪০টি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে কুয়াকাটা সৈকতে। শুধু চলতি বছরেই এসেছে চারটি ডলফিন। কিন্তু এখন পর্যন্ত একটিরও পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক ময়নাতদন্ত হয়নি।
৬ দিন আগে
দেশে গত এক বছরে সরকারি প্রকল্প ও দখলের জন্য কাটা পড়েছে ৫২ হাজার ৩৭৫টি গাছ। সংখ্যাটি বেশ বড় মনে হলেও, এটি আগের বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ২ শতাংশ কম। মূলত দেশে বড় বড় নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্প আপাতত বন্ধ অথবা ধীরগতিতে চলায় গাছ কাটার হার কমেছে।
৭ দিন আগে