জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

সুন্দরবনের মানুষের ঐতিহ্য নিয়ে ‘সুন্দরবনস অ্যাক্রোস বর্ডারস’

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৪৯
উৎসবে নাটক পরিবেশন করছেন নাট্যসংস্থার শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত

সুন্দরবনের সীমান্ত ছাপিয়ে দুই বাংলার মানুষের জীবন, লড়াই ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলে শুরু হয়েছে বিশেষ প্রদর্শনী। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রিটিশ কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে ইউনিক ক্লাস্টার বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

‘সুন্দরবনস অ্যাক্রোস বর্ডারস’ শীর্ষক এই আয়োজনে বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্দরবন সংলগ্ন প্রান্তিক মানুষের প্রথাগত জীবনযাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে তাঁদের টিকে থাকার লড়াইকে শৈল্পিক মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রদর্শনীতে ঐতিহ্যবাহী গাজীর পট, মৌয়ালদের মধু সংগ্রহের চক্র এবং বনবিবির মিথ বা লোককাহিনিভিত্তিক পটচিত্র স্থান পেয়েছে। এর পাশাপাশি বুয়েট ও রিভারাইন পিপলের পরিচালিত বিশেষ গবেষণা প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে সাতক্ষীরার সাগরনদী নাট্যসংস্থার শিল্পীরা ‘দুঃখের বনবাস’ শীর্ষক ৮০ মিনিটের একটি নাটক পরিবেশন করেন।

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, ‘সাংস্কৃতিক অংশীদারত্ব কীভাবে আঞ্চলিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে পারে এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কণ্ঠকে সামনে আনতে পারে, এই প্রকল্প তারই এক বাস্তব উদাহরণ।’

ইউনিক ক্লাস্টার বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্ক ভের্নার জানান, প্রথমবারের মতো সুন্দরবনের জীবনকে একটি পূর্ণাঙ্গ বই আকারে এবং স্থানীয়দের নিজস্ব শিল্পভাষায় নাগরিক সমাজের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

আয়োজনের অংশ হিসেবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘দ্য স্যালাইন কোয়েস্ট ফর হানি’ বইয়ের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হবে। বইটিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর অঞ্চলের মৌয়াল ও বননির্ভর সম্প্রদায়ের জীবন সংগ্রাম ও প্রথাগত জ্ঞান নথিভুক্ত করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের গবেষণা, প্রামাণ্যচিত্র এবং যৌথ শিল্পকর্মের মাধ্যমে সুন্দরবনের সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই এই চার দিনব্যাপী উৎসবের মূল লক্ষ্য।

Ad 300x250

সম্পর্কিত