গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল প্রাঙ্গণ শোকের কেন্দ্রে পরিণত হয়। সেদিন হাসপাতাল থেকেই খবর আসে, বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা গেছেন।
এরপর ৩১ ডিসেম্বর (বুধবার) ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সারা দেশ থেকে বিএনপি সমর্থকসহ লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হন। অন্য রাজনৈতিক দলের নেতারা, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিদেশি কূটনীতিকরাও অংশ নেন।
এর মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রভাবের গভীরতা স্পষ্ট হয়। তার প্রভাব দেশের সীমানা ছাড়িয়েও বিস্তৃত ছিল। তবে শোকের বাইরে গিয়ে বিশ্লেষকরা খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে বিএনপির জন্য সংকটময় সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মোড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই নির্বাচনের আগে বিএনপি তাদের প্রধান ঐক্যের প্রতীককে হারিয়েছে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা ও রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার মধ্যেও খালেদা জিয়া দলের ঐক্যের কেন্দ্র ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর মাধ্যমে বিএনপি পুরোপুরি খালেদা-পরবর্তী পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এতে দলের ক্ষমতা ও দায়ভার এখন কেন্দ্রীভূত হচ্ছে তাঁর ছেলে তারেক রহমানের ওপর। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর নতুন বাস্তবতায় বিএনপিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে সংগঠিত করা এবং ভোটের লড়াইয়ে টিকে থাকাই এখন তারেক রহমানের বড় পরীক্ষা।
উত্তরাধিকার ছিল ভরকেন্দ্র, অনুপস্থিতি এখন পরীক্ষা
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে খালেদা জিয়ার গুরুত্ব শুধু আনুষ্ঠানিক নেতৃত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সামনের সারির রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও তিনি দলের নৈতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রতীক। এর মাধ্যমে তিনি দলীয় বিভাজন নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তাও তিনি অনেক সময় দূর করে দিয়েছেন।
তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন আল জাজিরাকে বলেন, বাংলাদেশ একজন ‘প্রকৃত অভিভাবক’ হারিয়েছে। তাঁর ভাষায়, খালেদা জিয়া ছিলেন সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ঐক্যবদ্ধ প্রতীক।
মাহদী আমিন বলেন, বিএনপি নির্বাচিত হলে নীতি ও শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে তার উত্তরাধিকার এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনীতির মূল বৈশিষ্ট্য ছিল শক্তিশালী সংসদীয় গণতন্ত্র। এর মধ্যে ছিল আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা।
তাঁর দাবি, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে এসব প্রতিষ্ঠান ও অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপি এসব প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়েছে বলে তিনি জানান।
মাহদী আমিন আরও বলেন, ‘তারেক রহমান ইতিমধ্যে দলের ঐক্যবদ্ধ নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।’ তিনি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন সমন্বয়ে ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করা হয়।
এ ছাড়া তিনি ভোটাধিকার ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি ফিরিয়ে আনতে ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়ন করেছেন।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব দাবির পরও খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি বিএনপির জন্য বড় শূন্যতা তৈরি করেছে। তাঁর প্রতীকী কর্তৃত্ব দীর্ঘদিন দলের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছিল।
লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত ক্যারিশমা দলকে চাঙা ও ঐক্যবদ্ধ রেখেছিল। সেই ছন্দ এখন ভেঙে যাবে।
তাঁর মতে, তারেক রহমানকে এখন একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিজের নেতৃত্ব প্রমাণ করতে হবে। এ মুহূর্তে তাঁর নেতৃত্ব এখনো পরীক্ষিত নয়।
মহিউদ্দিন আহমেদ স্মরণ করিয়ে দেন, খালেদা জিয়াও শুরুতে পরীক্ষিত ছিলেন না। ১৯৮০-র দশকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসেন।
এই আন্দোলনের ফলেই সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতন ঘটে। ১৯৮১ সালে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে তাঁর স্বামী ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন।
মহিউদ্দিন আহমেদের মতে, আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচন তারেক রহমানের জন্যও একইভাবে নির্ধারক হতে পারে। নির্বাচনে সফল হলে তাঁর নেতৃত্ব বৈধতা পাবে। ব্যর্থ হলে তাঁকে ঘিরে প্রশ্ন ও সমালোচনা আরও তীব্র হবে।
কঠিন নির্বাচনী মাঠ
বিএনপির সামনে চ্যালেঞ্জ এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ বিরোধী রাজনৈতিক পরিবেশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনমূলক রাজনীতি মূলত দুটি দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ ছিল। এই দুটি দল ছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।
১৯৯০ সালে সামরিক শাসনের পতনের পর এই দ্বিদলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে ওঠে। ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের ধারাবাহিক নির্বাচনে তা আরও দৃঢ় হয়।
বর্তমানে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মাঠে অনুপস্থিত। ইউনূস প্রশাসন তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। এর ফলে দুই দলের আধিপত্য ভেঙে পড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিএনপিকে এখন প্রতিযোগিতায় নামতে হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন একটি শক্তিশালী জোটের বিরুদ্ধে।
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থী রাজনৈতিক শক্তি। এই জোটের মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)।
দলটি গঠিত হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের একটি অংশ নিয়ে। সেই আন্দোলনের ফলেই শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই পরিস্থিতি বিএনপির জন্য সহজ হবে না। তাঁর মতে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর রাজনীতির সমীকরণ বদলে গেছে। নতুন ধরনের মেরুকরণ তৈরি হচ্ছে। দুই দলের আধিপত্য আর আগের মতো নেই।
বিশ্লেষকরা আরও কয়েকটি অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করছেন। নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে কি না, সেটিও প্রশ্ন। এ ছাড়া বড় দলগুলো জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির জন্য নন, দেশের জন্যও একজন অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছিলেন।
তাঁর মতে, খালেদা জিয়ার মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি স্থিতিশীল অভিজ্ঞ নেতৃত্বের অভাব তৈরি করেছে।
খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ২০০৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে নির্বাসনে ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফেরেন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা একাধিক মামলা তখন প্রত্যাহার বা নিষ্পত্তি হয়। এই মামলাগুলো হয়েছিল ২০০৬-২০০৮ সালের সামরিক সমর্থিত সরকার এবং পরবর্তী হাসিনা সরকারের সময়ে।
দিলারা চৌধুরীর মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা বিএনপির ভেতরে বিভাজনের আশঙ্কা কমিয়েছে।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যে দলীয় সমর্থকেরা আশ্বস্ত হয়েছেন। এসব বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের কথা বলেছেন। তিনি কর্তৃত্ববাদকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
তাঁর মতে, এতে বিএনপির আদর্শিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে—এই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
দিলারা চৌধুরী বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ—উভয় দলই দীর্ঘদিন ব্যক্তি-কেন্দ্রিক রাজনীতি করেছে। খালেদা জিয়ার পর বিএনপিতে তারেক রহমানের সেই জায়গায় আসা স্বাভাবিক।
উত্তরাধিকার থেকে রায়ের দিকে
বিএনপির নেতারা স্বীকার করছেন, শুধু উত্তরাধিকার দিয়েই দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে না। দলের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এখনও সামনে আসছে।
তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, এসব অভিযোগের অনেকটাই অতিরঞ্জিত। তবে তিনি জানান, দল এ বিষয়ে কঠোর অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা নেবে।
তৃণমূল পর্যায়ে অনেক নেতাকর্মী মনে করেন, নেতৃত্ব বদলের প্রক্রিয়া সহজ হবে না। তাদের মতে, তারেক রহমানের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকবে।
কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক কামাল উদ্দিন বলেন, কোনো সমস্যা হবে না—এমন বলা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতেও খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ এবং এমনকি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কাজ করা জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে মতভেদ ছিল।
এই ধরনের মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান তা সামাল দিতে পারবেন।
কামাল উদ্দিন কক্সবাজার থেকে আরও তিনজন বিএনপি কর্মীর সঙ্গে বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় আসেন।
তবে বিএনপির শীর্ষ নেতারা তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ নাকচ করেছেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বের যোগ্যতা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত।
তিনি ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন। তিনি বলেন, তারেক রহমান দলকে কার্যকরভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন।
নির্বাচনের প্রস্তুতির সময় বিশ্লেষকদের মতে, শৃঙ্খলা বজায় রাখা বিএনপির বড় পরীক্ষা। সংস্কারের বার্তা তুলে ধরা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে ভূমিকা রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়গুলোই তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
২৯ নভেম্বর তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি তার নিয়ন্ত্রণে ছিল না।
এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা বিদেশি প্রভাবের ইঙ্গিত দেন। বিশেষ করে ভারতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
বিএনপি নেতারা এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, তারেক রহমানের দেশে ফেরা ছিল রাজনৈতিক ও আইনি বাস্তবতার ফল।
এটি কোনো বিদেশি আলোচনার ফল নয়। তারা বলেন, ক্ষমতায় এলে জাতীয় স্বার্থই দলের নীতির মূল ভিত্তি হবে।
তবে অনেক সমর্থকের কাছে রাজনীতি এখনও ব্যক্তিগত অনুভূতির বিষয়। কিশোরগঞ্জ জেলার এক বিএনপি সমর্থক দুলাল মিয়া (৫৭) স্মৃতিচারণ করেন তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরুর কথা।
তিনি ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় তারেক রহমানের সংবর্ধনা সমাবেশে অংশ নিতে এসেছিলেন। দুলাল মিয়া বলেন, ১৯৭৯ সালে তিনি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। সেই সময় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর হাতে হাত মিলিয়েছিলেন। তিনি তখন ধানক্ষেতে কাজ করছিলেন।
জিয়াউর রহমান খরার সময় সারা দেশে খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি প্রান্তিক এলাকায় খালি পায়ে হেঁটে গিয়েছেন। অনেক সময় কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেছেন।
দুলাল মিয়ার মতে, তারেক রহমানকে তার বাবা-মায়ের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করতে হবে। তা না হলে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে।
তাঁর ভাষায়, বিএনপির রাজনীতি মানুষের রাজনীতি। এই রাজনীতির সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। দীর্ঘদিন তা এগিয়ে নিয়েছেন খালেদা জিয়া।
দুলাল মিয়া বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন তারেক রহমানও সেই ধারাই বজায় রাখবেন। তা না হলে শেষ পর্যন্ত জনগণই তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে।