১২ দিনের মাথায় ‘কার্যত যুদ্ধবিরতি’ শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্যের দুই শত্রুভাবাপন্ন দেশ ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, ১২ দিনের এই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কি ট্রাম্পের ন্যারেটিভই জয়ী হলো?

১২ দিনের মাথায় ‘যুদ্ধবিরতিতে সম্মত’ হলো ইসরায়েল ও ইরান। তার আগে অবশ্য হরমুজ প্রণালিতে অনেক পানি গড়িয়েছে। সে আলোচনায় প্রবেশের আগে জানা দরকার, কীভাবে শুরু হয়েছিল যুদ্ধটা।
গত ১৩ জুন ভোরবেলা বিনা উসকানিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে হঠাৎ করেই হামলা করে বসে ইসরায়েল। তাদের দাবি, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে এবং অদূর ভবিষ্যতে ইসরায়েলের বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্রসহ ড্রোন হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তারা ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা চালিয়েছে।
তবে ইরান বারবার বলে আসছে, তারা কোনো পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে না এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও (আইএইএ) বলেছে, ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। তারপরও ইসরায়েলের এই অতর্কিত হামলায় ইরান স্বাভাবিকভাবেই খুব ক্ষুব্ধ হয় এবং পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে শুরু করে ইসরায়েলে।
ইরান বনাম ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়।
পাল্টাপাল্টি হামলার এক পর্যায়ে এই যুদ্ধে সরাসরি নাক গলায় যুক্তরাষ্ট্র। গত রোববার (২২ জুন) গভীর রাতে ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় বাংকার বাস্টার বোমা ফেলে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের এই কাণ্ডে ইরান আরও ক্ষুব্ধ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে গতকাল সোমবার (২৩ জুন) কাতার, ইরাক ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কাতারের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠান ইরান ও ইসরায়েলের কাছে। এক পর্যায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বলা হয়, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তারা সম্মত।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আঘারচিও যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত দেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে লেখেন, ইসরায়েল যদি আর হামলা না করে, তাহলে ইরানেরও আর হামলা করার আগ্রহ নেই।
এর ফাঁকে ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ইরান ও ইসরায়েলকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট দেন। তিনি লেখেন, ‘যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।’
এভাবেই ১২ দিনের মাথায় ‘কার্যত যুদ্ধবিরতি’ শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্যের দুই শত্রুভাবাপন্ন দেশ ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, ১২ দিনের এই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কি ট্রাম্পের ন্যারেটিভই জয়ী হলো?
কী সেই ন্যারেটিভ? চলুন দেখা যাক।
গত রোববার ট্রাম্প যখন ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করেন, তার আগে ইরানকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের দাঙ্গাবাজ’ বলে অভিহিত করে এক নতুন ন্যারেটিভের সূচনা করেন তিনি।
এরপর হামলা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।’ যদিও মার্কিনি কর্মকর্তারা বলেন, ‘প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি, তবে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
তাহলে ট্রাম্প কেন দাবি করলেন, ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে?
তিনি এই কারণে দাবিটি করছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এখন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া সম্ভব নয়। ভূরাজনৈতিক বিবেচনা বাদ দিলেও ট্রাম্পের পক্ষে এখন যেকোনো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়ানো বিপজ্জনক। কারণ এর আগে তিনি তাঁর সব পূর্বসূরি প্রেসিডেন্টদের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়ানোর জন্য তিরষ্কার করেছেন। সেই তিনিই যদি এখন বড় ধরনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে জড়িয়ে ফেলেন, তবে জনসমর্থন হারানো অবশ্যম্ভাবী। পাশাপাশি নিজ দেশে কড়া সমালোচনার মধ্যে পড়বেন।
এসব কারণে যুদ্ধের পথ এড়িয়ে ইরান ও ইসরায়েলের মাঝখান থেকে সরে আসার পথ খুঁজছিলেন ট্রাম্প। সেই পথ খোঁজার ব্যাপারে ইরান মূলত ট্রাম্পকে সাহায্য করে কাতারে মার্কিনঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে।
এ হামলার পরপরই ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমরা আর হামলা চালাব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের কোনো ক্ষতি হয়নি (ইরানের হামলায়)। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, তারা (ইরান) তাদের পরমাণু স্থাপনা থেকে সবকিছু বের করে এনেছে। ফলে আশা করা যায়, আর কোনো ঘৃণা থাকবে না।’
ট্রাম্প আরও লেখেন, হামলার আগেই ‘নোটিশ’ দেওয়ার জন্য ইরানকে ধন্যবাদ। এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো কর্মী হারায়নি। আমরা আমাদের শক্তি দেখিয়েছি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পুরো কৃতিত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। অর্থাৎ কাতারে হামলার আগেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দিয়েছিল যে তারা হামলা করতে যাচ্ছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
আর এভাবেই হয়তোবা জিতে যায় ট্রাম্পের ন্যারেটিভ!
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স, নিউইয়র্ক টাইমস ও এনডিটিভি

১২ দিনের মাথায় ‘যুদ্ধবিরতিতে সম্মত’ হলো ইসরায়েল ও ইরান। তার আগে অবশ্য হরমুজ প্রণালিতে অনেক পানি গড়িয়েছে। সে আলোচনায় প্রবেশের আগে জানা দরকার, কীভাবে শুরু হয়েছিল যুদ্ধটা।
গত ১৩ জুন ভোরবেলা বিনা উসকানিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে হঠাৎ করেই হামলা করে বসে ইসরায়েল। তাদের দাবি, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে এবং অদূর ভবিষ্যতে ইসরায়েলের বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্রসহ ড্রোন হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তারা ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা চালিয়েছে।
তবে ইরান বারবার বলে আসছে, তারা কোনো পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে না এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও (আইএইএ) বলেছে, ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। তারপরও ইসরায়েলের এই অতর্কিত হামলায় ইরান স্বাভাবিকভাবেই খুব ক্ষুব্ধ হয় এবং পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে শুরু করে ইসরায়েলে।
ইরান বনাম ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়।
পাল্টাপাল্টি হামলার এক পর্যায়ে এই যুদ্ধে সরাসরি নাক গলায় যুক্তরাষ্ট্র। গত রোববার (২২ জুন) গভীর রাতে ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় বাংকার বাস্টার বোমা ফেলে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের এই কাণ্ডে ইরান আরও ক্ষুব্ধ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে গতকাল সোমবার (২৩ জুন) কাতার, ইরাক ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কাতারের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠান ইরান ও ইসরায়েলের কাছে। এক পর্যায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বলা হয়, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তারা সম্মত।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আঘারচিও যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত দেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে লেখেন, ইসরায়েল যদি আর হামলা না করে, তাহলে ইরানেরও আর হামলা করার আগ্রহ নেই।
এর ফাঁকে ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ইরান ও ইসরায়েলকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট দেন। তিনি লেখেন, ‘যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।’
এভাবেই ১২ দিনের মাথায় ‘কার্যত যুদ্ধবিরতি’ শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্যের দুই শত্রুভাবাপন্ন দেশ ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, ১২ দিনের এই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কি ট্রাম্পের ন্যারেটিভই জয়ী হলো?
কী সেই ন্যারেটিভ? চলুন দেখা যাক।
গত রোববার ট্রাম্প যখন ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করেন, তার আগে ইরানকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের দাঙ্গাবাজ’ বলে অভিহিত করে এক নতুন ন্যারেটিভের সূচনা করেন তিনি।
এরপর হামলা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।’ যদিও মার্কিনি কর্মকর্তারা বলেন, ‘প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি, তবে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
তাহলে ট্রাম্প কেন দাবি করলেন, ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে?
তিনি এই কারণে দাবিটি করছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এখন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া সম্ভব নয়। ভূরাজনৈতিক বিবেচনা বাদ দিলেও ট্রাম্পের পক্ষে এখন যেকোনো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়ানো বিপজ্জনক। কারণ এর আগে তিনি তাঁর সব পূর্বসূরি প্রেসিডেন্টদের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়ানোর জন্য তিরষ্কার করেছেন। সেই তিনিই যদি এখন বড় ধরনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে জড়িয়ে ফেলেন, তবে জনসমর্থন হারানো অবশ্যম্ভাবী। পাশাপাশি নিজ দেশে কড়া সমালোচনার মধ্যে পড়বেন।
এসব কারণে যুদ্ধের পথ এড়িয়ে ইরান ও ইসরায়েলের মাঝখান থেকে সরে আসার পথ খুঁজছিলেন ট্রাম্প। সেই পথ খোঁজার ব্যাপারে ইরান মূলত ট্রাম্পকে সাহায্য করে কাতারে মার্কিনঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে।
এ হামলার পরপরই ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমরা আর হামলা চালাব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের কোনো ক্ষতি হয়নি (ইরানের হামলায়)। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, তারা (ইরান) তাদের পরমাণু স্থাপনা থেকে সবকিছু বের করে এনেছে। ফলে আশা করা যায়, আর কোনো ঘৃণা থাকবে না।’
ট্রাম্প আরও লেখেন, হামলার আগেই ‘নোটিশ’ দেওয়ার জন্য ইরানকে ধন্যবাদ। এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো কর্মী হারায়নি। আমরা আমাদের শক্তি দেখিয়েছি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পুরো কৃতিত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। অর্থাৎ কাতারে হামলার আগেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দিয়েছিল যে তারা হামলা করতে যাচ্ছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
আর এভাবেই হয়তোবা জিতে যায় ট্রাম্পের ন্যারেটিভ!
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স, নিউইয়র্ক টাইমস ও এনডিটিভি

ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন ব্যাপক ত্যাগ ও আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত স্তিমিত হয়ে এসেছে। নেতৃত্বের অভাব, নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়ন এবং শাসনব্যবস্থার সুরক্ষিত কাঠামোর কারণে ইরানের সরকার আবারও টিকে গেল। প্রশ্ন উঠছে, কেন বারবার ব্যর্থ হচ্ছে ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলন?
৬ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের কারাফটকে মর্মান্তিক এক ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সবাইকে। প্রশ্ন উঠছে, কেন প্যারোল নিয়ে এতো জটিলতা? প্যারোল আসলে কী? অধিকার নাকি প্রিভিলেজ? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চলুন জেনে নিই প্যারোলের আদ্যোপান্ত।
১ দিন আগে
তিন মোড়লের যুগ শেষ, বিশ্ব ক্রিকেট এখন চলছে ভারতের একক কর্তৃত্বে। বিসিসিআই কেবল বোর্ড নয়, পরিণত হয়েছে বৈশ্বিক ক্রীড়া রাজনীতির শক্তিকেন্দ্রে। আইপিএল ও করপোরেট শক্তির দাপটে অন্য দেশগুলো এখন বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহসও হারিয়ে ফেলেছে।
১ দিন আগে
আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এই পরিকল্পনা যুদ্ধবিধ্বস্ত জনপদের ভাগ্য ফেরানোর জন্য। কিন্তু সমস্যা হলো যাদের জন্য এই উন্নয়ন, তারা এই পরিকল্পনার বিন্দুবিসর্গও জানে না। গাজার মানুষের সঙ্গে এই তথাকথিত মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কোনো পরামর্শই করা হয়নি।
২ দিন আগে