স্ট্রিম ফ্যাক্টচেক
স্টিভ সালগ্রা রেমা

সামাজিক মাধ্যমে ঘুরছে একটি ছবি। এতে ডাইনিং টেবিলে বসে তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম।
অনেকেই ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার দিয়ে লিখছেন, তারেক রহমান কি মহান মানুষ দেখছেন। তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে ফাতেমাকে নিয়ে খাবার খাচ্ছেন। বোনের স্বীকৃতি দিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা।
ছড়িয়ে পড়া ছবির (১,২,৩,৪) সত্যতা যাচাইয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে উৎস পেয়েছে স্ট্রিম। ‘12মায়া বিনোদন’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত ২ জানুয়ারি ছবিটি প্রথম পোস্ট করা হয়। ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘তারেক রহমান কি মহান মানুষ ভাই দেখছেন– তিনি তাঁর পরিবারের সাথে ফাতেমাকে নিয়ে খাবার খাচ্ছে, সুবহানাল্লাহ।’
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ৭টা পর্যন্ত পোস্টটিতে রিঅ্যাকশন ছিল প্রায় ৮৫ হাজার এবং ৯ হাজার ২০০-এর বেশি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এটি শেয়ার করা হয়েছে। এরপর কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেল (১,২) একই ধরনের দাবিতে ভিডিও বানিয়ে পোস্ট দিয়েছে।
পর্যবেক্ষণে ছবিটিতে কয়েকটি অসঙ্গতি স্পষ্ট। প্রথমত, ছবিতে দেখা যাচ্ছে খাবার পরিবেশন করা হয়েছে স্টিলের থালায় ‘ইন্ডিয়ান থালি/বোল’ স্টাইলে, যা সাধারণত ভারতীয় ডাইনিং সেটআপের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
দ্বিতীয়ত, উপস্থিত ব্যক্তিদের পোশাক একেকজনের একেক ধরনের উপলক্ষ বা সেটিংয়ের (অফিস আইডিসহ কোট, আনুষ্ঠানিক ওড়না, ফরমাল ব্লেজার)। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রতিবেদনে তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানের ছবির পোশাকের সঙ্গে খাবার টেবিলের প্রচারিত ছবির মিল পাওয়া যায়।
এই খবর ইঙ্গিত করে ছবিটি সম্ভবত একই ঘটনার পুরোনো/সংবাদে ব্যবহৃত ভিজ্যুয়াল এবং সেটিকে পরে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তৃতীয়ত, ‘ফাতেমা রহমান’ হিসেবে প্রচারিত ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন বাস্তবে পরিচিত ছবির সঙ্গে মিলছে না। এখানে তাঁকে রোগা ও ভিন্ন মুখাবয়বে দেখা যাচ্ছে।
এআই কনটেন্ট শনাক্তকরণ টুলের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিতে এআই দিয়ে তৈরি বা ডিপফেক কনটেন্ট থাকার সম্ভাবনা বেশি। ফলাফল অনুযায়ী, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা ৭২ দশমিক ২ শতাংশ। এ থেকে স্পষ্ট, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বা ম্যানিপুলেটেড হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

এদিকে, ‘12মায়া বিনোদন’ অ্যাকাউন্ট যিনি চালান, তিনি নিজেই এক ভিডিওতে স্বীকার করেছেন, পোস্ট করা ছবি ও ভিডিওগুলো তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করেন। এগুলো বাস্তব নয়।
আবার ফাতেমা বেগমকে নিয়ে একটি দাবি ফেসবুকে প্রচার করা হচ্ছে। দাবিটি হলো— ফাতেমা বেগম এখন তারেক রহমানের বোন। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো বিশ্বস্ত সংবাদ প্রতিবেদন, পারিবারিক ঘোষণা কিংবা নির্ভরযোগ্য নথি পাওয়া যায়নি। বরং মূলধারার সংবাদমাধ্যমে বারবার যে পরিচয়টি উঠে এসেছে, তা হলো– ফাতেমা বেগম দীর্ঘদিন খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ও ছায়াসঙ্গী ছিলেন।
সুতরাং আলোচিত ছবিটি বাস্তব নয়– এটি এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হওয়ার শক্ত ইঙ্গিত মিলেছে। একই সঙ্গে ছবিকে কেন্দ্র করে ছড়ানো ‘ফাতেমা বেগম তারেক রহমানের বোন’ দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সামাজিক মাধ্যমে ঘুরছে একটি ছবি। এতে ডাইনিং টেবিলে বসে তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম।
অনেকেই ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার দিয়ে লিখছেন, তারেক রহমান কি মহান মানুষ দেখছেন। তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে ফাতেমাকে নিয়ে খাবার খাচ্ছেন। বোনের স্বীকৃতি দিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা।
ছড়িয়ে পড়া ছবির (১,২,৩,৪) সত্যতা যাচাইয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ করে উৎস পেয়েছে স্ট্রিম। ‘12মায়া বিনোদন’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত ২ জানুয়ারি ছবিটি প্রথম পোস্ট করা হয়। ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘তারেক রহমান কি মহান মানুষ ভাই দেখছেন– তিনি তাঁর পরিবারের সাথে ফাতেমাকে নিয়ে খাবার খাচ্ছে, সুবহানাল্লাহ।’
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ৭টা পর্যন্ত পোস্টটিতে রিঅ্যাকশন ছিল প্রায় ৮৫ হাজার এবং ৯ হাজার ২০০-এর বেশি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এটি শেয়ার করা হয়েছে। এরপর কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেল (১,২) একই ধরনের দাবিতে ভিডিও বানিয়ে পোস্ট দিয়েছে।
পর্যবেক্ষণে ছবিটিতে কয়েকটি অসঙ্গতি স্পষ্ট। প্রথমত, ছবিতে দেখা যাচ্ছে খাবার পরিবেশন করা হয়েছে স্টিলের থালায় ‘ইন্ডিয়ান থালি/বোল’ স্টাইলে, যা সাধারণত ভারতীয় ডাইনিং সেটআপের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
দ্বিতীয়ত, উপস্থিত ব্যক্তিদের পোশাক একেকজনের একেক ধরনের উপলক্ষ বা সেটিংয়ের (অফিস আইডিসহ কোট, আনুষ্ঠানিক ওড়না, ফরমাল ব্লেজার)। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রতিবেদনে তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানের ছবির পোশাকের সঙ্গে খাবার টেবিলের প্রচারিত ছবির মিল পাওয়া যায়।
এই খবর ইঙ্গিত করে ছবিটি সম্ভবত একই ঘটনার পুরোনো/সংবাদে ব্যবহৃত ভিজ্যুয়াল এবং সেটিকে পরে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তৃতীয়ত, ‘ফাতেমা রহমান’ হিসেবে প্রচারিত ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন বাস্তবে পরিচিত ছবির সঙ্গে মিলছে না। এখানে তাঁকে রোগা ও ভিন্ন মুখাবয়বে দেখা যাচ্ছে।
এআই কনটেন্ট শনাক্তকরণ টুলের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিতে এআই দিয়ে তৈরি বা ডিপফেক কনটেন্ট থাকার সম্ভাবনা বেশি। ফলাফল অনুযায়ী, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা ৭২ দশমিক ২ শতাংশ। এ থেকে স্পষ্ট, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বা ম্যানিপুলেটেড হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

এদিকে, ‘12মায়া বিনোদন’ অ্যাকাউন্ট যিনি চালান, তিনি নিজেই এক ভিডিওতে স্বীকার করেছেন, পোস্ট করা ছবি ও ভিডিওগুলো তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করেন। এগুলো বাস্তব নয়।
আবার ফাতেমা বেগমকে নিয়ে একটি দাবি ফেসবুকে প্রচার করা হচ্ছে। দাবিটি হলো— ফাতেমা বেগম এখন তারেক রহমানের বোন। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো বিশ্বস্ত সংবাদ প্রতিবেদন, পারিবারিক ঘোষণা কিংবা নির্ভরযোগ্য নথি পাওয়া যায়নি। বরং মূলধারার সংবাদমাধ্যমে বারবার যে পরিচয়টি উঠে এসেছে, তা হলো– ফাতেমা বেগম দীর্ঘদিন খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী ও ছায়াসঙ্গী ছিলেন।
সুতরাং আলোচিত ছবিটি বাস্তব নয়– এটি এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হওয়ার শক্ত ইঙ্গিত মিলেছে। একই সঙ্গে ছবিকে কেন্দ্র করে ছড়ানো ‘ফাতেমা বেগম তারেক রহমানের বোন’ দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। ফটোকার্ডে আরও বলা হয়েছে, পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে এআই, সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
৩ দিন আগে
ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আইভী।
৪ দিন আগে