স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গাইবান্ধায় রামমূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ার পর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হিন্দুদের বিক্ষোভ। ভিডিওর ওপরে লেখা, ‘রাম মূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ায় গাইবান্ধায় বিক্ষোভ করেছে হিন্দুরা।’
পোস্টের ক্যাপশনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিল করায় সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে এবং এখানে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি গাইবান্ধার নয়। এর সঙ্গে রামমন্দির বিতর্ক বা হিন্দুদের শোডাউনের দাবির সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, ওই ভিডিও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই গ্রামের সংঘর্ষের।
ভিডিও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, একটি জায়গায় কয়েকজন মানুষ দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে জড়ো হয়েছেন। তবে ভিডিওতে গাইবান্ধা, রামমন্দির বা ধর্মীয় স্থাপনার দাবির পক্ষে দৃশ্যমান তথ্য নেই।
অনুসন্ধানে গত ১৫ জুন বদরগঞ্জ সার্ভিসিং সেন্টার নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভিডিও পাওয়া যায়। ওই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গ্রুপ সংঘ হাতে অস্ত্র খোলা মাঠে মারামারি।’
প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড সার্চে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ১৩ জুন প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কদমতলী এলাকার। এক হজযাত্রীর লাগেজ হারানোকে কেন্দ্র করে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
ঢাকা পোস্ট ও এখন টিভির প্রতিবেদনেও ঘটনাটিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গাইবান্ধায় রামমূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ার পর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হিন্দুদের বিক্ষোভ। ভিডিওর ওপরে লেখা, ‘রাম মূর্তি স্থাপনে বাধা দেওয়ায় গাইবান্ধায় বিক্ষোভ করেছে হিন্দুরা।’
পোস্টের ক্যাপশনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিল করায় সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে এবং এখানে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি গাইবান্ধার নয়। এর সঙ্গে রামমন্দির বিতর্ক বা হিন্দুদের শোডাউনের দাবির সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, ওই ভিডিও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই গ্রামের সংঘর্ষের।
ভিডিও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, একটি জায়গায় কয়েকজন মানুষ দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে জড়ো হয়েছেন। তবে ভিডিওতে গাইবান্ধা, রামমন্দির বা ধর্মীয় স্থাপনার দাবির পক্ষে দৃশ্যমান তথ্য নেই।
অনুসন্ধানে গত ১৫ জুন বদরগঞ্জ সার্ভিসিং সেন্টার নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভিডিও পাওয়া যায়। ওই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গ্রুপ সংঘ হাতে অস্ত্র খোলা মাঠে মারামারি।’
প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড সার্চে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ১৩ জুন প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কদমতলী এলাকার। এক হজযাত্রীর লাগেজ হারানোকে কেন্দ্র করে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
ঢাকা পোস্ট ও এখন টিভির প্রতিবেদনেও ঘটনাটিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬