ফ্যাক্টচেক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করে একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘আপনি তেল চাচ্ছেন, টিকা চাচ্ছেন, এট দ্যা সেইম টাইম আপনি বিদ্যুৎ চাচ্ছেন। এটা কোনো গভমেন্টের পক্ষেই দেওয়া সম্ভব না।’ তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, এই দাবি সঠিক নয় এবং ফটোকার্ডটি ভুয়া।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
এই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে অনেককে মন্তব্য করতে দেখা যায়। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘সিনেমা দেখছেন কী দিয়ে, সোলার দিয়ে? সিনেমা হলে বিদ্যুৎ থাকলে মানুষের ঘরে কেন থাকবে না।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘তাহলে শেখ হাসিনা কীভাবে কোভিড-১৯ এ তেল, বিদ্যুৎ ও করোনার টিকাদান দিছিলো।’
আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে প্রথমেই চোখে পড়ে, এতে বক্তব্যের কোনো উৎস উল্লেখ নেই। নেই বক্তব্যটি কোথায়, কবে বা কোন অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়েছিল, সে সম্পর্কিত কোনো তথ্যও। সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মন্তব্য সংবাদ প্রতিবেদন, ভিডিও ক্লিপ, সংবাদ সম্মেলন, সাক্ষাৎকার বা দলীয় প্রচারমাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায়।
একাধিক গণমাধ্যমে অনুসন্ধান করেও এই কথার সমর্থনে কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বিএনপি বা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মেও এমন বক্তব্যের প্রমাণ মেলেনি।
তবে কীওয়ার্ড ধরে অনুসন্ধান করলে তারেক রহমানের একটি পুরোনো বক্তব্যের ভিডিও পাওয়া যায়, যার সঙ্গে ভাইরাল দাবিটির আংশিক মিল রয়েছে। সাক্ষাৎকারটির ১৮ মিনিট থেকে তার বক্তব্যের সঙ্গে প্রচারিত ফটোকার্ডের দাবিকৃত বক্তব্যের আংশিক মিল পাওয়া যায়।
দীর্ঘ ওই সাক্ষাৎকারটিতে তিনি মূলত দেশের বিদ্যুৎ সংকট, জ্বালানি ব্যয়, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা নিয়ে কথা বলেন। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন, সন্ধ্যার পর একই সময়ে বাসাবাড়ি ও শপিংমলে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। দিনে যেখানে কম গ্রাহকের কারণে দোকানে একটি এসি চলে বা অর্ধেক বাতি জ্বলে, সন্ধ্যার পর গ্রাহক বাড়লে একসঙ্গে দুই বা তিনটি এসি চালানো হয়, সব আলো জ্বালানো হয়। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, একই সময়ে ‘কোনো গভমেন্টের পক্ষেই সম্ভব না’।
অর্থাৎ, তার বক্তব্য ছিল বিদ্যুতের ব্যবহার প্যাটার্ন, লোড ম্যানেজমেন্ট এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা নিয়ে। সেখানে ‘তেল’ ও ‘টিকা’ চাওয়ার প্রসঙ্গ ছিল না। ফলে আলোচিত ফটোকার্ডে তার পুরোনো বক্তব্যকে ভিন্ন অর্থে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সুতরাং ‘আপনি তেল চাচ্ছেন, টিকা চাচ্ছেন, এট দ্যা সেইম টাইম আপনি বিদ্যুৎ চাচ্ছেন। এটা কোনো গভমেন্টের পক্ষেই দেওয়া সম্ভব না’ শীর্ষক তারেক রহমানের নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং এ বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেননি।

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করে একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘আপনি তেল চাচ্ছেন, টিকা চাচ্ছেন, এট দ্যা সেইম টাইম আপনি বিদ্যুৎ চাচ্ছেন। এটা কোনো গভমেন্টের পক্ষেই দেওয়া সম্ভব না।’ তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, এই দাবি সঠিক নয় এবং ফটোকার্ডটি ভুয়া।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
এই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে অনেককে মন্তব্য করতে দেখা যায়। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘সিনেমা দেখছেন কী দিয়ে, সোলার দিয়ে? সিনেমা হলে বিদ্যুৎ থাকলে মানুষের ঘরে কেন থাকবে না।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘তাহলে শেখ হাসিনা কীভাবে কোভিড-১৯ এ তেল, বিদ্যুৎ ও করোনার টিকাদান দিছিলো।’
আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে প্রথমেই চোখে পড়ে, এতে বক্তব্যের কোনো উৎস উল্লেখ নেই। নেই বক্তব্যটি কোথায়, কবে বা কোন অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়েছিল, সে সম্পর্কিত কোনো তথ্যও। সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মন্তব্য সংবাদ প্রতিবেদন, ভিডিও ক্লিপ, সংবাদ সম্মেলন, সাক্ষাৎকার বা দলীয় প্রচারমাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায়।
একাধিক গণমাধ্যমে অনুসন্ধান করেও এই কথার সমর্থনে কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বিএনপি বা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মেও এমন বক্তব্যের প্রমাণ মেলেনি।
তবে কীওয়ার্ড ধরে অনুসন্ধান করলে তারেক রহমানের একটি পুরোনো বক্তব্যের ভিডিও পাওয়া যায়, যার সঙ্গে ভাইরাল দাবিটির আংশিক মিল রয়েছে। সাক্ষাৎকারটির ১৮ মিনিট থেকে তার বক্তব্যের সঙ্গে প্রচারিত ফটোকার্ডের দাবিকৃত বক্তব্যের আংশিক মিল পাওয়া যায়।
দীর্ঘ ওই সাক্ষাৎকারটিতে তিনি মূলত দেশের বিদ্যুৎ সংকট, জ্বালানি ব্যয়, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা নিয়ে কথা বলেন। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন, সন্ধ্যার পর একই সময়ে বাসাবাড়ি ও শপিংমলে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। দিনে যেখানে কম গ্রাহকের কারণে দোকানে একটি এসি চলে বা অর্ধেক বাতি জ্বলে, সন্ধ্যার পর গ্রাহক বাড়লে একসঙ্গে দুই বা তিনটি এসি চালানো হয়, সব আলো জ্বালানো হয়। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, একই সময়ে ‘কোনো গভমেন্টের পক্ষেই সম্ভব না’।
অর্থাৎ, তার বক্তব্য ছিল বিদ্যুতের ব্যবহার প্যাটার্ন, লোড ম্যানেজমেন্ট এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা নিয়ে। সেখানে ‘তেল’ ও ‘টিকা’ চাওয়ার প্রসঙ্গ ছিল না। ফলে আলোচিত ফটোকার্ডে তার পুরোনো বক্তব্যকে ভিন্ন অর্থে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সুতরাং ‘আপনি তেল চাচ্ছেন, টিকা চাচ্ছেন, এট দ্যা সেইম টাইম আপনি বিদ্যুৎ চাচ্ছেন। এটা কোনো গভমেন্টের পক্ষেই দেওয়া সম্ভব না’ শীর্ষক তারেক রহমানের নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং এ বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেননি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ডা. জুবাইদা রহমান ও মেলানিয়া ট্রাম্প হোয়াইট হাউদের মতো দেখতে একটি কক্ষে দাঁড়িয়ে করমর্দন করছেন। স্ট্রিমের যাচাই করে দেখেছে, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে বানানো।
৭ দিন আগে
নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় তেল না পাওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে এক পেট্রোল পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় নিহত হন নাহিদ সরদার, আহত হন জিহাদ মোল্যা। স্ট্রিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিং স্টেশনে ডিজেল নিতে এসে ট্রাকচালকের সঙ্গে ম্যানেজার নাহিদের বাগবিতণ্ডা হয়।
৯ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অপতথ্যের ছড়াছড়ি। ছাত্র সংসদ, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরেও সমানে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য কিংবা বিকৃত তথ্য। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা হচ্ছে, যা ফ্যাক্টচেক রিপোর্টেও স্পষ্ট।
১০ দিন আগে
জিক মাধ্যমে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গভীর রাতে তেল আসার সংবাদে শত শত মোটরসাইকেল একটি ফিলিং স্টেশনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে এবং অনেক চালক স্টেশন চত্বরে ঘুমিয়ে পড়েছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ব্যবহৃত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
১১ দিন আগে