স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি শিশুকে ঘিরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছেন। একজন ব্যক্তি শিশুটির সঙ্গে কথা বলছেন এবং তার সামনে মাইক্রোফোন ধরছেন। শিশুটিকে অসহায় অবস্থায় দেখানো হয়েছে।
‘Search of Mystery’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টটিতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ হাজার ৯০০ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মন্তব্য পড়েছে ৩০৭টি। আর ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে ৬৩৬ বার।
একই ধরনের দাবিতে ‘নয়াবাংলা’ নামের আরেকটি ফেসবুক পেজ থেকেও ভিডিওটি প্রচার করা হয়েছে। ওই পোস্টে ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া, ৭ হাজার ৬০০ মন্তব্য ও ১৩ হাজার শেয়ার দেখা গেছে।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি বাস্তব ঘটনার ভিডিও নয়। ভিডিওটি স্ক্রিপ্টেড বা অভিনীত কনটেন্ট।
অনুসন্ধানে প্রবাসী মেয়ে রুনা নামের ফেসবুক পেজে ৩১ মে প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। ওই পোস্টে ভিডিওটির সঙ্গে লেখা হয়, ‘বাবা মায়ের ডিভোর্সের কারণে ফুটফুটে মেয়েকে অনাথ আশ্রমে ফেলে চলে গেছে বাবা মা।’ ওই পেজে একই শিশুকে নিয়ে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিটি ভিডিওতে শিশুটিকে ঘিরে আলাদা আলাদা গল্প বলা হয়েছে।
১৫ এপ্রিল প্রকাশিত একটি ভিডিওতে মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে না পারা এবং অভাবের কারণে বাবার আত্মহত্যার চেষ্টার গল্প দেখানো হয়। ২০ এপ্রিল প্রকাশিত আরেক ভিডিওতে বলা হয়, অভাবের কারণে মায়ের কোল থেকে শিশুটিকে কেড়ে নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে চাওয়ার ঘটনা। ২৫ এপ্রিল প্রকাশিত ভিডিওতে আবার বারবার কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের আরেকটি গল্প দেখানো হয়।
অর্থাৎ, একই শিশু ও একই ধরনের চরিত্রকে ব্যবহার করে পেজটিতে ভিন্ন ভিন্ন গল্পে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। পেজটির বিভিন্ন ভিডিওতে একই শিশু ও একই ব্যক্তিদের ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। কখনো ডিভোর্স, কখনো চিকিৎসার খরচ, আবার কখনো শিশুকে বিক্রির চেষ্টার গল্পে একই শিশুকে দেখানো হয়েছে।
পেজটি ঘুরে দেখা যায়, ভিডিওগুলো বাস্তব ঘটনার সংবাদ নয়; বরং স্ক্রিপ্টেড কনটেন্ট। অর্থাৎ, ডিভোর্সের পর সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে যাওয়ার দাবিটি সঠিক নয়।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ‘প্রবাসী মেয়ে রুনা’ পেজে দেওয়া ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করলেও কেউ কল রিসিভ করেননি।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি শিশুকে ঘিরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে আছেন। একজন ব্যক্তি শিশুটির সঙ্গে কথা বলছেন এবং তার সামনে মাইক্রোফোন ধরছেন। শিশুটিকে অসহায় অবস্থায় দেখানো হয়েছে।
‘Search of Mystery’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টটিতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ হাজার ৯০০ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মন্তব্য পড়েছে ৩০৭টি। আর ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে ৬৩৬ বার।
একই ধরনের দাবিতে ‘নয়াবাংলা’ নামের আরেকটি ফেসবুক পেজ থেকেও ভিডিওটি প্রচার করা হয়েছে। ওই পোস্টে ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া, ৭ হাজার ৬০০ মন্তব্য ও ১৩ হাজার শেয়ার দেখা গেছে।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি বাস্তব ঘটনার ভিডিও নয়। ভিডিওটি স্ক্রিপ্টেড বা অভিনীত কনটেন্ট।
অনুসন্ধানে প্রবাসী মেয়ে রুনা নামের ফেসবুক পেজে ৩১ মে প্রকাশিত একই ভিডিও পাওয়া যায়। ওই পোস্টে ভিডিওটির সঙ্গে লেখা হয়, ‘বাবা মায়ের ডিভোর্সের কারণে ফুটফুটে মেয়েকে অনাথ আশ্রমে ফেলে চলে গেছে বাবা মা।’ ওই পেজে একই শিশুকে নিয়ে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিটি ভিডিওতে শিশুটিকে ঘিরে আলাদা আলাদা গল্প বলা হয়েছে।
১৫ এপ্রিল প্রকাশিত একটি ভিডিওতে মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে না পারা এবং অভাবের কারণে বাবার আত্মহত্যার চেষ্টার গল্প দেখানো হয়। ২০ এপ্রিল প্রকাশিত আরেক ভিডিওতে বলা হয়, অভাবের কারণে মায়ের কোল থেকে শিশুটিকে কেড়ে নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে চাওয়ার ঘটনা। ২৫ এপ্রিল প্রকাশিত ভিডিওতে আবার বারবার কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের আরেকটি গল্প দেখানো হয়।
অর্থাৎ, একই শিশু ও একই ধরনের চরিত্রকে ব্যবহার করে পেজটিতে ভিন্ন ভিন্ন গল্পে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। পেজটির বিভিন্ন ভিডিওতে একই শিশু ও একই ব্যক্তিদের ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। কখনো ডিভোর্স, কখনো চিকিৎসার খরচ, আবার কখনো শিশুকে বিক্রির চেষ্টার গল্পে একই শিশুকে দেখানো হয়েছে।
পেজটি ঘুরে দেখা যায়, ভিডিওগুলো বাস্তব ঘটনার সংবাদ নয়; বরং স্ক্রিপ্টেড কনটেন্ট। অর্থাৎ, ডিভোর্সের পর সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে যাওয়ার দাবিটি সঠিক নয়।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ‘প্রবাসী মেয়ে রুনা’ পেজে দেওয়া ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করলেও কেউ কল রিসিভ করেননি।
.png)

ফেসবুকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, মারধরের শিকার ওই ব্যক্তি মতিঝিল থানা বিএনপির সভাপতি শিবলুর রহমান শিবু। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ২৩ জুলাই পুরানা পল্টনে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে আটক কেরামত আলীকে মারধরের ঘটনার।
২৬ জুলাই ২০২৬
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে সংসদ অভিমুখী পদযাত্রায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬
ফেসবুক পেজ ‘Global Times Live’ সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘নিজেদের গরু মহিষ নিয়ে দিল্লির পথে কৃষকরা।’ ভিডিওতে সড়কজুড়ে বিপুলসংখ্যক গরু এবং কিছু মানুষকে হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটির ৬ সেকেন্ডে বাঁ পাশে ‘সোর্স–Kunal (এক্স)’ লেখা দেখা যায়।
২২ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে।ভিডিওগুলোর বিভিন্ন অংশ সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি ঘিরে ব্যাখ্যাও কয়েক দফায় বদলেছে।
২১ জুলাই ২০২৬