তৌহিদুল ইসলাম
সম্প্রতি একজন বোরকা পরা নারীকে নির্যাতন করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কিছু ভিডিওর ক্যাপশন ও থাম্ব টাইটেলে দাবি করা হয়, এটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় অফিসে নারী নির্যাতনের ঘটনা। স্ট্রিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি এনসিপি কার্যালয়ের নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত জুন মাসের ২৩ তারিখে দক্ষিণ বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকায় ঘটা একটি ঘটনার।
ভিডিওটিতে ভুক্তভোগী নারীর নাম মাহমুদা সুলতানা রিমি। গত ২৫ জুন রিমি তাঁর ফেসবুক আইডিতে ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা করে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য নড়াইলের শাহীন সাজ্জাদ পলাশ নামের এক পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে তাঁরা সেদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিয়ে দক্ষিণ বাড্ডার গুদারহাটে অবস্থিত ওই বাড়িটিতে গিয়েছিলেন। মাহমুদা সুলতানা রিমির ফেসবুক পোস্ট অনুযায়ী, একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চলে গেলে অভিযুক্ত পলাশের ছোট ভাই শিমুলসহ ছয়জন রিমির ওপর হামলা করেন।

রিমি তাঁর ফেসবুক পোস্টে ঘটনা বর্ণনার পাশাপাশি তিনটি ক্লোজ সার্কিট টিভি ক্যামেরা ফুটেজও প্রকাশ করেন। যার মধ্যে একটি ফুটেজ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। মূলত রিভার্স ইমেজ সার্চ ও কী ওয়ার্ড সার্চের মাধ্যমে রিমির পোস্টকৃত ভিডিওগুলোর সন্ধান পায় স্ট্রিম।
আরও গভীর অনুসন্ধানের স্বার্থে, ভিডিওগুলোর কী ফ্রেম যাচাই করা হয়। ইনভিড নামের একটি ভিডিও যাচাইকারি টুলের মাধ্যমে ফ্রেমগুলোতে উল্লেখিত তারিখ, সময়, উপস্থিত ব্যক্তিদের চেহারা পরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা যায়, ভিডিওগুলো ক্লোজ সার্কিট টিভি ক্যামেরায় ধারণ করা। সেগুলোতে দৃশ্যমান তারিখ অনুযায়ী, এটি গত জুন মাসের ২৩ তারিখ রাত ৮টা চার মিনিটের ঘটনা।

এছাড়াও আরেকটি ভিডিওতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ করা যায়। যা রিমির ফেসবুক পোস্টে দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ ছাড়াও পরিপূর্ণ নিশ্চয়তার জন্য বাড্ডা থানার এস আই আব্দুল আলিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার স্থান ও সময়ের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
সকল তথ্য ও ছড়িয়ে পড়া ভিডিও যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, ঘটনাটি প্রকৃতপক্ষে পুরোনো, যা এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঘটেনি।
সম্প্রতি একজন বোরকা পরা নারীকে নির্যাতন করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কিছু ভিডিওর ক্যাপশন ও থাম্ব টাইটেলে দাবি করা হয়, এটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় অফিসে নারী নির্যাতনের ঘটনা। স্ট্রিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি এনসিপি কার্যালয়ের নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত জুন মাসের ২৩ তারিখে দক্ষিণ বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকায় ঘটা একটি ঘটনার।
ভিডিওটিতে ভুক্তভোগী নারীর নাম মাহমুদা সুলতানা রিমি। গত ২৫ জুন রিমি তাঁর ফেসবুক আইডিতে ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা করে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য নড়াইলের শাহীন সাজ্জাদ পলাশ নামের এক পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে তাঁরা সেদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিয়ে দক্ষিণ বাড্ডার গুদারহাটে অবস্থিত ওই বাড়িটিতে গিয়েছিলেন। মাহমুদা সুলতানা রিমির ফেসবুক পোস্ট অনুযায়ী, একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চলে গেলে অভিযুক্ত পলাশের ছোট ভাই শিমুলসহ ছয়জন রিমির ওপর হামলা করেন।

রিমি তাঁর ফেসবুক পোস্টে ঘটনা বর্ণনার পাশাপাশি তিনটি ক্লোজ সার্কিট টিভি ক্যামেরা ফুটেজও প্রকাশ করেন। যার মধ্যে একটি ফুটেজ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। মূলত রিভার্স ইমেজ সার্চ ও কী ওয়ার্ড সার্চের মাধ্যমে রিমির পোস্টকৃত ভিডিওগুলোর সন্ধান পায় স্ট্রিম।
আরও গভীর অনুসন্ধানের স্বার্থে, ভিডিওগুলোর কী ফ্রেম যাচাই করা হয়। ইনভিড নামের একটি ভিডিও যাচাইকারি টুলের মাধ্যমে ফ্রেমগুলোতে উল্লেখিত তারিখ, সময়, উপস্থিত ব্যক্তিদের চেহারা পরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা যায়, ভিডিওগুলো ক্লোজ সার্কিট টিভি ক্যামেরায় ধারণ করা। সেগুলোতে দৃশ্যমান তারিখ অনুযায়ী, এটি গত জুন মাসের ২৩ তারিখ রাত ৮টা চার মিনিটের ঘটনা।

এছাড়াও আরেকটি ভিডিওতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ করা যায়। যা রিমির ফেসবুক পোস্টে দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ ছাড়াও পরিপূর্ণ নিশ্চয়তার জন্য বাড্ডা থানার এস আই আব্দুল আলিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার স্থান ও সময়ের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
সকল তথ্য ও ছড়িয়ে পড়া ভিডিও যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, ঘটনাটি প্রকৃতপক্ষে পুরোনো, যা এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঘটেনি।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে নতুন করে মৃত্যু বা আহত হওয়ার জল্পনার কথা সামনে এনেছে।
২ দিন আগে
ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি, ভিডিও ও ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আকাশে পাল্টাপাল্টি হামলার শিরোনামের আড়ালে অনলাইনে ঘুরছে নেতাদের মৃত্যু, বেঁচে থাকা, টার্গেট ধ্বংস, বিমানবন্দরে হামলা, এমনকি শেষকৃত্যের মতো দৃশ্যের দাবিও।
৯ দিন আগেতবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এবং জামায়াত আমিরের ফাইজার সঙ্গে দেখা করার দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
১৪ দিন আগে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় ট্রাকচালককে বিএনপির একজন নেতা প্রকাশ্যে মারধর করেছেন (১,২)। কোথাও কোথাও তাকে শ্রমিক দলের নেতা বলেও উল্লেখ করা হয়।
১৬ দিন আগে