স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে ইয়ামাহার একটি শোরুমে ঢুকে ডাকাত এক ব্যক্তিকে মারধর করেছে। পরে শোরুমের সব কিছু হাতিয়ে নিয়েছে।
একটি পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘দেশে যখন সন্ত্রাসী ও জঙ্গিরা সবাই জেল থেকে বাহিরে থাকে, তখন এমন হবেই.... হঠাৎ ইয়ামাহা শোরুমে ঢুকে ডাকাত এলোপাতারি মেরে সব হাতিয়ে নিলো।’
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে এবং এখানে।
একই ভিডিও আরেকটি পোস্টেও বাংলাদেশের ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘২৪ এর স্বাধীন বাংলাদেশ বলে কথা!! উপভোগ করুন নিউ মগের মুল্লুক মার্কা বাংলাদেশ!! ইয়ামাহা শো-রুমে ঢুকে কীভাবে লোকটাকে মেরে ফেললো দেখুন!’
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের বিহার রাজ্যের দারভাঙ্গা জেলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানে একটি ইয়ামাহা শোরুমে ম্যানেজার ফয়েজ আহমেদের ওপর হামলা হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।
ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, একটি ইয়ামাহা শোরুমের ভেতরে একজন ব্যক্তি ডেস্কে বসে আছেন। এ সময় আরেক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে হামলা করেন। তবে ভিডিওতে বাংলাদেশ-সংক্রান্ত কোনো দৃশ্যমান তথ্য পাওয়া যায় না।
ভিডিওতে ডাকাতি, জঙ্গি বা বাংলাদেশের কোনো ইয়ামাহা শোরুমের দাবির পক্ষেও কোনো তথ্য নেই। পোস্টগুলোর ক্যাপশনেও ঘটনাস্থল, তারিখ, থানার নাম বা মামলা নম্বর দেওয়া হয়নি। কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্রও যুক্ত করা হয়নি।
অনুসন্ধানে ভিডিওটির কীফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হয়। এতে The Siasat Daily-এর X পোস্ট পাওয়া যায়। ওই পোস্টে ভিডিওটিকে ভারতের বিহারের দারভাঙ্গা জেলার ঘটনা বলা হয়েছে।
Hindustan Times-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি বিহারের দারভাঙ্গা জেলার চন্দনপট্টি চকের একটি বাইক শোরুমে ঘটে। নিহত মোহাম্মদ ফয়েজ ওই শোরুমের ম্যানেজার ছিলেন। প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে বলা হয়, হামলাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
এ ছাড়া Navbharat Times-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১২ জুনের। দারভাঙ্গার চন্দনপট্টি চকের কাছে একটি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল এজেন্সিতে এই হামলা হয়। প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে অভিযুক্ত সোনু কুমার পাসওয়ানের গ্রেপ্তারের কথাও বলা হয়।
অর্থাৎ, আলোচিত ভিডিও বাংলাদেশে ইয়ামাহা শোরুমে ডাকাতির কোনো দৃশ্য নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি ভারতের বিহারের দরভাঙ্গা জেলার একটি ইয়ামাহা শোরুমে ম্যানেজার মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদকে হত্যার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে ইয়ামাহার একটি শোরুমে ঢুকে ডাকাত এক ব্যক্তিকে মারধর করেছে। পরে শোরুমের সব কিছু হাতিয়ে নিয়েছে।
একটি পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘দেশে যখন সন্ত্রাসী ও জঙ্গিরা সবাই জেল থেকে বাহিরে থাকে, তখন এমন হবেই.... হঠাৎ ইয়ামাহা শোরুমে ঢুকে ডাকাত এলোপাতারি মেরে সব হাতিয়ে নিলো।’
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে এবং এখানে।
একই ভিডিও আরেকটি পোস্টেও বাংলাদেশের ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘২৪ এর স্বাধীন বাংলাদেশ বলে কথা!! উপভোগ করুন নিউ মগের মুল্লুক মার্কা বাংলাদেশ!! ইয়ামাহা শো-রুমে ঢুকে কীভাবে লোকটাকে মেরে ফেললো দেখুন!’
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। এটি ভারতের বিহার রাজ্যের দারভাঙ্গা জেলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানে একটি ইয়ামাহা শোরুমে ম্যানেজার ফয়েজ আহমেদের ওপর হামলা হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।
ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, একটি ইয়ামাহা শোরুমের ভেতরে একজন ব্যক্তি ডেস্কে বসে আছেন। এ সময় আরেক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে হামলা করেন। তবে ভিডিওতে বাংলাদেশ-সংক্রান্ত কোনো দৃশ্যমান তথ্য পাওয়া যায় না।
ভিডিওতে ডাকাতি, জঙ্গি বা বাংলাদেশের কোনো ইয়ামাহা শোরুমের দাবির পক্ষেও কোনো তথ্য নেই। পোস্টগুলোর ক্যাপশনেও ঘটনাস্থল, তারিখ, থানার নাম বা মামলা নম্বর দেওয়া হয়নি। কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্রও যুক্ত করা হয়নি।
অনুসন্ধানে ভিডিওটির কীফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হয়। এতে The Siasat Daily-এর X পোস্ট পাওয়া যায়। ওই পোস্টে ভিডিওটিকে ভারতের বিহারের দারভাঙ্গা জেলার ঘটনা বলা হয়েছে।
Hindustan Times-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি বিহারের দারভাঙ্গা জেলার চন্দনপট্টি চকের একটি বাইক শোরুমে ঘটে। নিহত মোহাম্মদ ফয়েজ ওই শোরুমের ম্যানেজার ছিলেন। প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে বলা হয়, হামলাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
এ ছাড়া Navbharat Times-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১২ জুনের। দারভাঙ্গার চন্দনপট্টি চকের কাছে একটি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল এজেন্সিতে এই হামলা হয়। প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে অভিযুক্ত সোনু কুমার পাসওয়ানের গ্রেপ্তারের কথাও বলা হয়।
অর্থাৎ, আলোচিত ভিডিও বাংলাদেশে ইয়ামাহা শোরুমে ডাকাতির কোনো দৃশ্য নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি ভারতের বিহারের দরভাঙ্গা জেলার একটি ইয়ামাহা শোরুমে ম্যানেজার মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদকে হত্যার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬