নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ‘সোনার বাংলা সার্কাস’। এটি একটি ডাবল অ্যালবাম। ‘মহাশ্মশান’ নামের এই কনসেপ্টচ্যুয়াল অ্যালবামে গান আছে ১৭টি।
স্ট্রিম ডেস্ক

নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ‘সোনার বাংলা সার্কাস’। এটি একটি ডাবল অ্যালবাম। ‘মহাশ্মশান’ নামের এই কনসেপ্টচ্যুয়াল অ্যালবামে গান আছে ১৭টি। প্রথম সিডি মহাশ্মশান ১-এ থাকছে নয়টি গান, দ্বিতীয় সিডি মহাশ্মশান ২-তে থাকছে ৮টি গান।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে স্পটিফাইতে গানগুলো শোনা গেলেও ব্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৮টায় ইউটিউব চ্যানেলে অফিশিয়ালি অ্যালবামটি প্রকাশিত হবে। রাত থেকেই শোনা যাবে সকল আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে।

সোনার বাংলা সার্কসের নতুন এই কনসেপ্টচ্যুয়াল অ্যালবামের গল্প নিয়ে ব্যান্ডের ভোকালিস্ট ও লিরিসিস্ট প্রবর রিপন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ‘প্রথম অ্যালবামে আমাদের ক্যারেক্টারটা মারা গিয়েছিল এপিটাফ গানের ভেতর দিয়ে। মহাশ্মশান হলো তার পুনরুত্থান। এবার আমাদের ক্যারেকটারের নাম দ্রোহ। এই অ্যালবামেও সে মারা যায়, কিন্তু আবার সে আবার হয়তো আবার পুনর্জন্ম নেবে এরপরের অ্যালবামে। দ্রোহ এবার বিদ্রোহ ঘোষণা করে মানুষের বিরুদ্ধে। তো মানুষের প্রতি এই প্রতিশোধেরই গল্প এটা। পুরো গল্পটা বুঝতে হলে ১ ঘণ্টা ৫২ মিনিটের অ্যালবামটি একটানা শুনতে হবে।’
সোনার বাংলা সার্কাসের যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে। এরপর প্রথম অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’প্রকাশিত হয় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। ‘এপিটাফ’, ‘অন্ধ দেয়াল’, ‘মৃত্যু উৎপাদন কারখানা’র মতো গানে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে ব্যান্ডটি।

ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশে ২০০-এর বেশি কনসার্টে পারফর্ম করেছে ব্যান্ডটি। এর পাশাপাশি ঢাকায় চারবারসহ ৭ বিভাগীয় শহরে নিজেদের আয়োজনে ‘হায়েনা এক্সপ্রেস এক্সপেরিয়েন্স’সলো কনসার্ট নিয়ে হাজির হয়েছিল ব্যান্ডটি।
ব্যান্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, দুই মাস পর ‘মহাশ্মশান’ অ্যালবামের সলো কনসার্ট মহাশ্মশান যাত্রা শুরু হবে। অ্যালবামের সব গান সেখানেই প্রথম পারফর্ম করবে ব্যান্ডটি।

নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ‘সোনার বাংলা সার্কাস’। এটি একটি ডাবল অ্যালবাম। ‘মহাশ্মশান’ নামের এই কনসেপ্টচ্যুয়াল অ্যালবামে গান আছে ১৭টি। প্রথম সিডি মহাশ্মশান ১-এ থাকছে নয়টি গান, দ্বিতীয় সিডি মহাশ্মশান ২-তে থাকছে ৮টি গান।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে স্পটিফাইতে গানগুলো শোনা গেলেও ব্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৮টায় ইউটিউব চ্যানেলে অফিশিয়ালি অ্যালবামটি প্রকাশিত হবে। রাত থেকেই শোনা যাবে সকল আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে।

সোনার বাংলা সার্কসের নতুন এই কনসেপ্টচ্যুয়াল অ্যালবামের গল্প নিয়ে ব্যান্ডের ভোকালিস্ট ও লিরিসিস্ট প্রবর রিপন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ‘প্রথম অ্যালবামে আমাদের ক্যারেক্টারটা মারা গিয়েছিল এপিটাফ গানের ভেতর দিয়ে। মহাশ্মশান হলো তার পুনরুত্থান। এবার আমাদের ক্যারেকটারের নাম দ্রোহ। এই অ্যালবামেও সে মারা যায়, কিন্তু আবার সে আবার হয়তো আবার পুনর্জন্ম নেবে এরপরের অ্যালবামে। দ্রোহ এবার বিদ্রোহ ঘোষণা করে মানুষের বিরুদ্ধে। তো মানুষের প্রতি এই প্রতিশোধেরই গল্প এটা। পুরো গল্পটা বুঝতে হলে ১ ঘণ্টা ৫২ মিনিটের অ্যালবামটি একটানা শুনতে হবে।’
সোনার বাংলা সার্কাসের যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে। এরপর প্রথম অ্যালবাম ‘হায়েনা এক্সপ্রেস’প্রকাশিত হয় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। ‘এপিটাফ’, ‘অন্ধ দেয়াল’, ‘মৃত্যু উৎপাদন কারখানা’র মতো গানে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে ব্যান্ডটি।

ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশে ২০০-এর বেশি কনসার্টে পারফর্ম করেছে ব্যান্ডটি। এর পাশাপাশি ঢাকায় চারবারসহ ৭ বিভাগীয় শহরে নিজেদের আয়োজনে ‘হায়েনা এক্সপ্রেস এক্সপেরিয়েন্স’সলো কনসার্ট নিয়ে হাজির হয়েছিল ব্যান্ডটি।
ব্যান্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, দুই মাস পর ‘মহাশ্মশান’ অ্যালবামের সলো কনসার্ট মহাশ্মশান যাত্রা শুরু হবে। অ্যালবামের সব গান সেখানেই প্রথম পারফর্ম করবে ব্যান্ডটি।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৬ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৯ ঘণ্টা আগে