leadT1ad

বিএনপি প্রার্থীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদের রিট

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

ঢাকা-১১ আসনে এমএ কাইয়ুম ধানের শীষ এবং শাপলা কলি নিয়ে লড়ছেন নাহিদ ইসলাম। স্ট্রিম গ্রাফিক

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং নির্বাচনী হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২ জানুয়ারি) ওই আসনের অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, ১১ দলীয় জোটের শরিক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এ রিট দায়ের করেন। রিটে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

রিটকারী পক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকারকারী ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য।

তিনি দাবি করেন, বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতুর নাগরিক। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার ভানুয়াতুর পাসপোর্টের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। অথচ তিনি নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় দাবি করেছিলেন প্রদত্ত সব তথ্য সঠিক ও সত্য। বাস্তবে তিনি এই দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি গোপন করেছেন, যা গুরুতর আইনলঙ্ঘন ও জালিয়াতির শামিল।

ইসিতে আপিল না করে হাইকোর্টে কেন

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল না করে সরাসরি হাইকোর্টে রিট দায়েরের আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, নির্বাচন কমিশনে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই তথ্যটি আমাদের জানা ছিল না। পরবর্তী সময়ে এটি ডিসক্লোজ (প্রকাশ) হয়। যেহেতু আপিল করার সময় পার হয়ে গেছে, তাই আমরা সংবিধান অনুযায়ী হাইকোর্টের রিট এখতিয়ারে এসেছি।

রিটে এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়ার পাশাপাশি রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে। রিটকারী পক্ষের আরেক আইনজীবী হলেন অ্যাডভোকেট আলী আজগর শরীফী। চলতি সপ্তাহেই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এর আগে যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম এবং ড. এম এ কাইয়ুম উভয়ের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছিলেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত