leadT1ad

জেফরি এপস্টেইনকে পাঠানো হয়েছিল পবিত্র কাবার গিলাফ

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৫৯
যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে উপহার হিসেবে পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের (কিসওয়া) তিনটি অংশ পাঠানো হয়েছিল।

মিডিল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন মতে, মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের কিছু ইমেইল থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। নথিতে দেখা যায়, সংযুক্ত আমিরাতের নারী ব্যবসায়ী আজিজা আল-আহমাদী ও আবদুল্লাহ আল-মাআরি নামের এক ব্যক্তি এই শিপমেন্ট (চালান) পাঠানোর সমন্বয় করেছিলেন।

নথি অনুসারে, জেফরি এপস্টেইনকে মক্কার পবিত্র কাবার গিলাফের তিনটি পৃথক অংশ পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ছিল কাবার ভেতরের অংশের কাপড়, ব্যবহৃত বাইরের আবরণ এবং একই উপাদানে তৈরি কিন্তু অব্যবহৃত একটি অংশ। কাস্টমস জটিলতা এড়াতে এই মূল্যবান ধর্মীয় নিদর্শনগুলোকে ‘সৌদি আরবের শিল্পকর্ম’ হিসেবে লেবেল করা হয়েছিল। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে ফ্লোরিডা হয়ে এই চালান এপস্টাইনের ভার্জিন আইল্যান্ডের বাড়িতে পৌঁছায়।

আজিজা আল-আহমাদী ইমেইলে এপস্টেইনকে কাপড়টির ধর্মীয় গুরুত্ব বুঝিয়ে লিখেছিলেন, ‘এই কালো কাপড় সুন্নি ও শিয়া মিলিয়ে অন্তত এক কোটি মুসলিম স্পর্শ করেছেন। বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ কাবার চারপাশে সাতবার ঘুরে এই কাপড় স্পর্শ করার চেষ্টা করেন এবং সেখানে তাঁদের প্রার্থনা, অশ্রু ও আশা সঁপে দেন। এই কাপড়ের আধ্যাত্মিক মূল্য অপরিসীম।’ তবে এই আমিরাতি নারী কেন এপস্টেইনকে এত মূল্যবান ধর্মীয় নিদর্শন পাঠালেন বা তাদের পরিচয়ের সূত্র কী ছিল, তা নথিতে স্পষ্ট করা হয়নি।

উল্লেখ্য, এই কিসওয়া যখন এপস্টেইনের বাড়িতে পৌঁছায়, তখন তিনি একজন যৌন অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন। ধর্মীয় পরম পবিত্রতার প্রতীক এই গিলাফ কেন এবং কীভাবে একজন বিতর্কিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছাল, তা নিয়ে বর্তমানে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত