স্ট্রিম ডেস্ক

বিড়ালদের স্বভাব বেশ রহস্যময়। এদের ঘিরে সমাজে নানা গল্প প্রচলিত আছে। এমনকি অনেকে মনে করেন বিড়ালের অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে। যেমন একটি প্রচলিত ধারণা হলো, এক বিড়াল নাকি অন্য বিড়ালের মৃত্যু হওয়ার আগেই তা টের পেয়ে যায়। যদিও এই ধারণার কোনো সরাসরি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
‘ক্যাটস্টার’ ওয়েবসাইটে পশুচিকিৎসক কুয়েলা পেরেভাস বিড়ালদের আচরণের কিছু পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে ধারণা দিয়েছেন যে, সঙ্গী বিড়ালের মৃত্যুতে অন্য বিড়ালটি শোকগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তিনি জানিয়েছেন, সঙ্গী বিড়ালের মৃত্যুর আগে সুস্থ বিড়ালটির আচরণে কিছু লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় তারা সাধারণত অনেক বেশি সতর্ক থাকে, অস্থিরতায় ভোগে অথবা অসুস্থ বিড়ালটির পাশ থেকে একেবারেই সরে না যাওয়ার প্রবণতা দেখায়।
যেসব বিড়ালের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক থাকে, তারা সবসময় একে অপরের কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে। দলের কোনো একটি বিড়াল অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য বিড়ালগুলো তার চারপাশে জড়ো হয়। এর মাধ্যমে তারা মূলত অসুস্থ সঙ্গীর প্রতি সহানুভূতি ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেই ধারণা করা হয়।
তবে বিড়াল মালিকদের সঙ্গে কুয়েলা পেরেভাস কথা বলে জেনেছেন, সঙ্গী বিড়াল অসুস্থ হলে বা মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসছে—এমন মুহূর্তে সুস্থ বিড়াল বিভিন্ন ধরনের আচরণ করতে পারে। যেমন, সঙ্গী বিড়ালটি বেশি অসুস্থ বুঝতে পারলে সুস্থ বিড়াল হুট করে অনেক বেশি ডাকাডাকি শুরু করতে পারে। এই অতিরিক্ত ডাকাবাকির মাধ্যমে তারা মূলত বোঝাতে চায় যে, অন্য বিড়ালটির দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার।
এ ছাড়া সঙ্গী বিড়ালের মৃত্যুর পর সুস্থ এবং জীবিত বিড়ালের মধ্যে স্পষ্ট শোকের লক্ষণও দেখা দিতে পারে। শোকের এই লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে খাবারের প্রতি অরুচি, অতিরিক্ত ডাকাডাকি করা অথবা হারিয়ে যাওয়া সঙ্গীকে সারা বাড়ি খুঁজে বেড়ানো।
মানুষের আচার-আচরণ, আবেগ কিংবা শোকের বহিঃপ্রকাশ যেমন ব্যক্তিভেদে আলাদা হয়, বিড়ালেরও ঠিক তাই। বিড়াল মালিকেরা তাদের পোষ্যদের আচরণের যেসব পরিবর্তনের কথা জানান, সেগুলো মূলত ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এগুলোকে সরাসরি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা কঠিন, কারণ বিড়ালের আচরণের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে এবং একেকজনের কাছে তার ব্যাখ্যাও একেক রকম।
এক বিড়াল সঙ্গীর অসুস্থতায় যে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, অন্য বিড়াল তা নাও দেখাতে পারে। এই ব্যক্তিগত ভিন্নতার কারণে তাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়। এ ছাড়া বিড়াল মানুষের মতো ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না, তাই কোনো আচরণের পেছনের আসল উদ্দেশ্য বোঝা খুব সহজ নয়। সঙ্গী অসুস্থ হওয়ার কারণে তাদের আচরণে পরিবর্তন আসলেও, সেটাকে নিশ্চিতভাবে ‘মৃত্যুর সংকেত’ হিসেবে ধরে নেওয়াটা বিতর্কিত।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিড়াল আসলেই মৃত্যু টের পায় কিনা, তা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা অসম্ভব। এ ছাড়া প্রাণী আচরণের ওপর করা যেকোনো গবেষণা সব প্রাণীর ওপর একইভাবে প্রয়োগ করাটাও যুক্তিসঙ্গত নয়। যে বাড়িতে অনেকগুলো বিড়াল একসঙ্গে থাকে, সেখানকার বিড়ালের আচরণ আর একা থাকা বিড়ালের আচরণ কখনোই একরকম হয় না। তাই বিড়ালের আচরণ নিয়ে কোনো ঢালাও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিড়ালরা অত্যন্ত জটিল পরিবেশে বসবাস করে। প্রতিটি বাড়ির পরিবেশ আলাদা, তাই বাড়ির নিয়মের পরিবর্তন, নতুন কোনো পোষ্য আসা কিংবা পরিবেশগত মানসিক চাপ, এসব কিছুই বিড়ালের আচরণ বদলে দিতে পারে। এই কারণগুলো থেকে অন্য বিড়ালের মৃত্যুর অনুভূতি বা শোকের প্রভাবকে আলাদা করে বোঝা খুবই কঠিন।

বিড়ালদের স্বভাব বেশ রহস্যময়। এদের ঘিরে সমাজে নানা গল্প প্রচলিত আছে। এমনকি অনেকে মনে করেন বিড়ালের অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে। যেমন একটি প্রচলিত ধারণা হলো, এক বিড়াল নাকি অন্য বিড়ালের মৃত্যু হওয়ার আগেই তা টের পেয়ে যায়। যদিও এই ধারণার কোনো সরাসরি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
‘ক্যাটস্টার’ ওয়েবসাইটে পশুচিকিৎসক কুয়েলা পেরেভাস বিড়ালদের আচরণের কিছু পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে ধারণা দিয়েছেন যে, সঙ্গী বিড়ালের মৃত্যুতে অন্য বিড়ালটি শোকগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তিনি জানিয়েছেন, সঙ্গী বিড়ালের মৃত্যুর আগে সুস্থ বিড়ালটির আচরণে কিছু লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় তারা সাধারণত অনেক বেশি সতর্ক থাকে, অস্থিরতায় ভোগে অথবা অসুস্থ বিড়ালটির পাশ থেকে একেবারেই সরে না যাওয়ার প্রবণতা দেখায়।
যেসব বিড়ালের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক থাকে, তারা সবসময় একে অপরের কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে। দলের কোনো একটি বিড়াল অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য বিড়ালগুলো তার চারপাশে জড়ো হয়। এর মাধ্যমে তারা মূলত অসুস্থ সঙ্গীর প্রতি সহানুভূতি ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেই ধারণা করা হয়।
তবে বিড়াল মালিকদের সঙ্গে কুয়েলা পেরেভাস কথা বলে জেনেছেন, সঙ্গী বিড়াল অসুস্থ হলে বা মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসছে—এমন মুহূর্তে সুস্থ বিড়াল বিভিন্ন ধরনের আচরণ করতে পারে। যেমন, সঙ্গী বিড়ালটি বেশি অসুস্থ বুঝতে পারলে সুস্থ বিড়াল হুট করে অনেক বেশি ডাকাডাকি শুরু করতে পারে। এই অতিরিক্ত ডাকাবাকির মাধ্যমে তারা মূলত বোঝাতে চায় যে, অন্য বিড়ালটির দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার।
এ ছাড়া সঙ্গী বিড়ালের মৃত্যুর পর সুস্থ এবং জীবিত বিড়ালের মধ্যে স্পষ্ট শোকের লক্ষণও দেখা দিতে পারে। শোকের এই লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে খাবারের প্রতি অরুচি, অতিরিক্ত ডাকাডাকি করা অথবা হারিয়ে যাওয়া সঙ্গীকে সারা বাড়ি খুঁজে বেড়ানো।
মানুষের আচার-আচরণ, আবেগ কিংবা শোকের বহিঃপ্রকাশ যেমন ব্যক্তিভেদে আলাদা হয়, বিড়ালেরও ঠিক তাই। বিড়াল মালিকেরা তাদের পোষ্যদের আচরণের যেসব পরিবর্তনের কথা জানান, সেগুলো মূলত ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এগুলোকে সরাসরি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা কঠিন, কারণ বিড়ালের আচরণের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে এবং একেকজনের কাছে তার ব্যাখ্যাও একেক রকম।
এক বিড়াল সঙ্গীর অসুস্থতায় যে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, অন্য বিড়াল তা নাও দেখাতে পারে। এই ব্যক্তিগত ভিন্নতার কারণে তাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়। এ ছাড়া বিড়াল মানুষের মতো ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না, তাই কোনো আচরণের পেছনের আসল উদ্দেশ্য বোঝা খুব সহজ নয়। সঙ্গী অসুস্থ হওয়ার কারণে তাদের আচরণে পরিবর্তন আসলেও, সেটাকে নিশ্চিতভাবে ‘মৃত্যুর সংকেত’ হিসেবে ধরে নেওয়াটা বিতর্কিত।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিড়াল আসলেই মৃত্যু টের পায় কিনা, তা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা অসম্ভব। এ ছাড়া প্রাণী আচরণের ওপর করা যেকোনো গবেষণা সব প্রাণীর ওপর একইভাবে প্রয়োগ করাটাও যুক্তিসঙ্গত নয়। যে বাড়িতে অনেকগুলো বিড়াল একসঙ্গে থাকে, সেখানকার বিড়ালের আচরণ আর একা থাকা বিড়ালের আচরণ কখনোই একরকম হয় না। তাই বিড়ালের আচরণ নিয়ে কোনো ঢালাও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিড়ালরা অত্যন্ত জটিল পরিবেশে বসবাস করে। প্রতিটি বাড়ির পরিবেশ আলাদা, তাই বাড়ির নিয়মের পরিবর্তন, নতুন কোনো পোষ্য আসা কিংবা পরিবেশগত মানসিক চাপ, এসব কিছুই বিড়ালের আচরণ বদলে দিতে পারে। এই কারণগুলো থেকে অন্য বিড়ালের মৃত্যুর অনুভূতি বা শোকের প্রভাবকে আলাদা করে বোঝা খুবই কঠিন।
.png)

ইদানীং বিয়ের আয়োজন মানেই বিরাট ঝক্কি! মেহেদি উৎসব, গায়ে হলুদ, বিয়ে, বউ-ভাত, বিবাহ-উত্তর সংবর্বধনা—এ রকম নানা আয়োজন করতে হয়। আর আয়োজন মানেই হাজারো অতিথি, বিপুল খরচ। তাই অনেকেই বিয়ে করতেই ভয় পান।
৮ ঘণ্টা আগে
এমনই এক তাঁবুতে বাস করেন ৪৩ বছর বয়সী সামিহ তোতাহ। মোবাইল ফোনের ছোট স্ক্রিনে তিনি দেখছেন আগের রাতে হওয়া বিশ্বকাপের ম্যাচটি। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যখন বড় পর্দায় রিয়েল-টাইমে এই মহাযজ্ঞ উপভোগ করছেন, গাজার মানুষদের ভাগ্য তখন হাইলাইটস কিংবা ম্যাচের টুকরো ক্লিপ দেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
১০ ঘণ্টা আগে
আমাদের চারপাশে এমন অনেক দম্পতি দেখা যায়, যাদের দুজনের স্বভাব সম্পূর্ণ বিপরীত। দেখা যায়, হয়তো ছুটির দিনে স্বামী পাড়ার মোড়ে বন্ধুদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। কিংবা অচেনা কোনো মানুষের সঙ্গেও আড্ডা জমিয়েছেন। অন্যদিকে, স্ত্রী হয়তো খুব শান্ত ও চুপচাপ। বাইরে পরিচিত কাউকে দেখলেও তিনি এড়িয়ে চলেন বা ভিড়
১ দিন আগে
বিশ্বজুড়ে মাদক ব্যবসা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি শত শত বিলিয়ন ডলারের একটি অবৈধ অর্থনীতি। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোকেন, হেরোইন, মেথামফেটামিন ও অন্যান্য মাদকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠিত অপরাধ, দুর্নীতি, অস্ত্র পাচার এবং সহিংসতার অন্যতম প্রধান উৎস।
১ দিন আগে