স্ট্রিম সংবাদদাতা

শীতের রুক্ষ দিনগুলো শেষ। প্রকৃতি এখন নতুন প্রাণের স্পন্দনে জেগে উঠছে। আর এই ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে মৌলভীবাজারের পথে-প্রান্তরে ফুটেছে চিরচেনা ‘ভাঁটফুল’। গ্রামীণ মেঠোপথ, সড়কের ধার কিংবা নদী-খালের পাড়—যেদিকেই তাকানো যায়, সাদা আর হালকা বেগুনি রঙের থোকা থোকা ভাঁটফুলে যেন প্রকৃতি সেজেছে।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে ও গ্রামীণ প্রকৃতিতে অনাদর ও অবহেলায় বেড়ে ওঠা চিরচেনা গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ ভাঁটফুল তার অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়েছে। এ ফুলের সৌন্দর্যে যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। মন কেড়ে নেওয়ার মতো সুন্দর হওয়ায় এ ফুল শোভা পাচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণ-তরুণীদের হাতে। ছোট ছোট শিশুরাও খেলছে দৃষ্টিনন্দন এ ভাঁটফুল দিয়ে।
ভাঁট বা বনজুঁই একটি শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্লেরোডেনড্রাম ভিসকোসাম। ইংরেজিতে একে বলা হয় 'হিল গেন্টারি বোয়ার ফ্লাওয়ার'। ভাঁটফুল সাদার মধ্যে হালকা বেগুনি মিশ্রিত স্নিগ্ধ সুন্দর।
এ ফুল পাঁচটি পাপড়ি নিয়ে ফুটে থোকায় থোকায়। ফুলের গন্ধ রাতে তীব্র হয়ে ওঠে। এর আদি নিবাস ভারতীয় উপমহাদেশে। আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে একে বনজুঁই, ঘেটু ফুল, ভাইটা ফুল বা ঘণ্টাকর্ণ নামেও ডাকা হয়। তবে ভাঁটফুল নামেই এ ফুলের পরিচিতি বেশি। সাধারণত বসন্তের শুরুতেই এই ফুল ফুটতে শুরু করে।

ভাঁটফুল শুধু চোখের আরামই দেয় না, এর রয়েছে কিছু ঔষধি গুণ। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, ভাঁট গাছের পাতায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার থাকে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুণ কাজ করে।
এ ছাড়া এর পাতায় অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ও অ্যান্টি-ইনফ্লোমেটরি উপাদান থাকায় এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিরাময়েও বেশ সহায়ক। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও হজমশক্তি বৃদ্ধিতে আদিকাল থেকেই এই গাছের পাতা, বীজ ও ফুলের ব্যবহার হয়ে আসছে।
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী লতিফা আক্তার মিতুল বলেন, ‘ভাঁট ফুটলেই নিশ্চিত হওয়া যায় প্রকৃতিতে বসন্ত এসেছে। শীত শেষে ভাঁটফুল ফুটলে প্রকৃতির চেহারায় সতেজতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে ভাঁটফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। গ্রামীণ পরিবেশে এ ফুলের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।’
কমলগঞ্জ উপজেলার ইউনানি চিকিৎসক রহিমা আক্তার ডলি বলেন, ‘ভাঁট প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের নানা রোগে ভেষজ ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রকৃতিতে ফাল্গুন মাস এলেই এই গাছে ফুল ফোটে। এতে প্রকৃতিতে সৌন্দর্যের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়। এ ফুলের সৌন্দর্য মানুষকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দিন দিন গ্রামীণ প্রকৃতি থেকে ভাঁট গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভাঁটসহ বিলুপ্তির হুমকিতে থাকা ঔষধি গাছ রক্ষায় আমাদের সবারই এগিয়ে আসা উচিত।’
কমলগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফারুক আহমদ বলেন, ‘যেকোনো ফুলই সৌন্দর্যের উৎস। সব রকম ফুলই মানুষকে আকৃষ্ট করে। বসন্তের শুরুতে ফোটা ভাঁটফুল গ্রামবাংলার চিরচেনা ফুল। এ সময়টায় ভাঁটফুল প্রকৃতিতে রাজত্ব করছে। আমাদের পরিবেশের বিভিন্ন জায়গায় ফোটা এ ফুলের সৌন্দর্যে প্রকৃতি অলংকৃত হয়ে আছে।’

শীতের রুক্ষ দিনগুলো শেষ। প্রকৃতি এখন নতুন প্রাণের স্পন্দনে জেগে উঠছে। আর এই ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে মৌলভীবাজারের পথে-প্রান্তরে ফুটেছে চিরচেনা ‘ভাঁটফুল’। গ্রামীণ মেঠোপথ, সড়কের ধার কিংবা নদী-খালের পাড়—যেদিকেই তাকানো যায়, সাদা আর হালকা বেগুনি রঙের থোকা থোকা ভাঁটফুলে যেন প্রকৃতি সেজেছে।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে ও গ্রামীণ প্রকৃতিতে অনাদর ও অবহেলায় বেড়ে ওঠা চিরচেনা গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ ভাঁটফুল তার অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়েছে। এ ফুলের সৌন্দর্যে যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। মন কেড়ে নেওয়ার মতো সুন্দর হওয়ায় এ ফুল শোভা পাচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণ-তরুণীদের হাতে। ছোট ছোট শিশুরাও খেলছে দৃষ্টিনন্দন এ ভাঁটফুল দিয়ে।
ভাঁট বা বনজুঁই একটি শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্লেরোডেনড্রাম ভিসকোসাম। ইংরেজিতে একে বলা হয় 'হিল গেন্টারি বোয়ার ফ্লাওয়ার'। ভাঁটফুল সাদার মধ্যে হালকা বেগুনি মিশ্রিত স্নিগ্ধ সুন্দর।
এ ফুল পাঁচটি পাপড়ি নিয়ে ফুটে থোকায় থোকায়। ফুলের গন্ধ রাতে তীব্র হয়ে ওঠে। এর আদি নিবাস ভারতীয় উপমহাদেশে। আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে একে বনজুঁই, ঘেটু ফুল, ভাইটা ফুল বা ঘণ্টাকর্ণ নামেও ডাকা হয়। তবে ভাঁটফুল নামেই এ ফুলের পরিচিতি বেশি। সাধারণত বসন্তের শুরুতেই এই ফুল ফুটতে শুরু করে।

ভাঁটফুল শুধু চোখের আরামই দেয় না, এর রয়েছে কিছু ঔষধি গুণ। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, ভাঁট গাছের পাতায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার থাকে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুণ কাজ করে।
এ ছাড়া এর পাতায় অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ও অ্যান্টি-ইনফ্লোমেটরি উপাদান থাকায় এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিরাময়েও বেশ সহায়ক। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও হজমশক্তি বৃদ্ধিতে আদিকাল থেকেই এই গাছের পাতা, বীজ ও ফুলের ব্যবহার হয়ে আসছে।
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী লতিফা আক্তার মিতুল বলেন, ‘ভাঁট ফুটলেই নিশ্চিত হওয়া যায় প্রকৃতিতে বসন্ত এসেছে। শীত শেষে ভাঁটফুল ফুটলে প্রকৃতির চেহারায় সতেজতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে ভাঁটফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। গ্রামীণ পরিবেশে এ ফুলের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।’
কমলগঞ্জ উপজেলার ইউনানি চিকিৎসক রহিমা আক্তার ডলি বলেন, ‘ভাঁট প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের নানা রোগে ভেষজ ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রকৃতিতে ফাল্গুন মাস এলেই এই গাছে ফুল ফোটে। এতে প্রকৃতিতে সৌন্দর্যের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়। এ ফুলের সৌন্দর্য মানুষকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দিন দিন গ্রামীণ প্রকৃতি থেকে ভাঁট গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভাঁটসহ বিলুপ্তির হুমকিতে থাকা ঔষধি গাছ রক্ষায় আমাদের সবারই এগিয়ে আসা উচিত।’
কমলগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফারুক আহমদ বলেন, ‘যেকোনো ফুলই সৌন্দর্যের উৎস। সব রকম ফুলই মানুষকে আকৃষ্ট করে। বসন্তের শুরুতে ফোটা ভাঁটফুল গ্রামবাংলার চিরচেনা ফুল। এ সময়টায় ভাঁটফুল প্রকৃতিতে রাজত্ব করছে। আমাদের পরিবেশের বিভিন্ন জায়গায় ফোটা এ ফুলের সৌন্দর্যে প্রকৃতি অলংকৃত হয়ে আছে।’

অগ্নিঝরা মার্চ চলছে। এই মাস যেমন বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জনের স্মারক, তেমনি তা পাকিস্তানি হানাদারদের চরম পৈশাচিকতারও সাক্ষী। ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানি বাহিনী মেতে উঠেছিল এক সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের সেই বর্বরোচিত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু কেবল সম্মুখ সমরের যোদ্ধা বা রাজনৈতিক কর্মীরাই ছিল এমন নয়। বহু মান
১ ঘণ্টা আগে
অগ্নিঝরা মার্চের শুরু। এই মাস আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের সূচনালগ্ন। আবার সেই সাথে শোক ও দহনের স্মৃতিবাহক। ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলার মানুষ যখন স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এক পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের এই পাশবিকতার সবচেয়ে করুণ আখ্যানটি সম্ভবত হলো
১ ঘণ্টা আগে
আজ মার্চের প্রথম দিন। বসন্তের দখিনা হাওয়ার সঙ্গে আজ মিশে আছে এক বিশেষ গর্ব আর বিষাদমাখা ইতিহাস। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে এই মার্চ মাসেই বাঙালির হাজার বছরের পরাধীনতার শিকল ভাঙার চূড়ান্ত সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। আজ সেই ‘অগ্নিঝরা মার্চের’ প্রথম দিন।
৩ ঘণ্টা আগে
১৯৫২ এর ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে শুরু হওয়া, চব্বিশের বর্ষা বিপ্লবের হাত ধরে সফলভাবে এগিয়ে গিয়ে ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারিতে পৌঁছে যাওয়া, চুয়াত্তর বছরের বাংলা ভাষার এই অভিযাত্রা এবং প্রেক্ষাপট অনেকটাই ভিন্ন।
১৮ ঘণ্টা আগে