স্ট্রিম ডেস্ক

আজ ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। এ দিন জনসংখ্যা নিয়ে নানা আলোচনা হয়। চলুন, একটি সহজ প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি।
বিশ্বের জনসংখ্যা এখন—
ক) কমছে
খ) বাড়ছে, তবে আর ১০ বছরের মধ্যেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে
গ) বাড়ছে, এবং ২০৮০-এর দশকে গিয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে
উত্তর নিয়ে যদি আপনার একটু দ্বিধা থাকে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে জাতিসংঘের সর্বশেষ জনসংখ্যা পূর্বাভাস বলছে, সঠিক উত্তর হলো ‘গ’। অর্থাৎ বিশ্বের জনসংখ্যা এখনো বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৮০-এর দশকে গিয়ে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
তবে শুধু পৃথিবীতে কত মানুষ আছে, সেটি জানলেই হয় না। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে হলে জানতে হবে মানুষ কোথায় বাড়ছে, কোথায় কমছে এবং এই পরিবর্তনের প্রভাব কী হতে পারে। কারণ সব দেশে জনসংখ্যার চিত্র এক নয়। কোথাও জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, কোথাও ধীরে বাড়ছে, আবার কোথাও কমতেও শুরু করেছে।
মানুষের সংখ্যা কীভাবে বদলেছে, তার ইতিহাসও বেশ চমকপ্রদ। খ্রিষ্টের সময় থেকে ১৭শ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্বের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হতে প্রায় ১,৭০০ বছর লেগেছিল। কিন্তু এরপর জনসংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। ১৯৬০-এর দশকে এই দ্রুত বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে ওঠে। তবে এই বৃদ্ধি সব অঞ্চলে সমান ছিল না। ইউরোপসহ অনেক শিল্পোন্নত দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম, অন্যদিকে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অনেক দেশে দীর্ঘ সময় ধরে জনসংখ্যা দ্রুত বেড়েছে।
জনসংখ্যার এই পরিবর্তনের ওপর একটি দেশের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করে। কতটি স্কুল, হাসপাতাল, সড়ক বা আবাসন লাগবে, কত কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে কিংবা কোথায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে—এসব সিদ্ধান্তের জন্য নির্ভরযোগ্য জনসংখ্যার তথ্য অপরিহার্য।
জনসংখ্যার পরিবর্তন শুধু অর্থনীতি বা উন্নয়ন নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। কারণ জলবায়ুজনিত দুর্যোগের প্রভাব শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনেই এসে পড়ে। কোথাও যদি জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ে, তাহলে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা বা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যাও বেড়ে যায়।
পপুলেশন ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ৮০টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, এসব দেশের গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অর্থাৎ যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে, সেখানেই মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
এর প্রভাব পড়বে কৃষিতেও। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলাচ্ছে, তাপমাত্রা বাড়ছে এবং অনেক এলাকায় চাষাবাদ কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বাড়তে থাকলে খাদ্যের চাহিদাও বাড়বে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর গড়ে ১৭ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যে খাদ্যসংকটে রয়েছে। ভবিষ্যতে এই চাপ আরও বাড়তে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লিঙ্গ বৈষম্য। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দেশে নারীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা ও কর্মসংস্থানে পিছিয়ে, সেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও তুলনামূলক বেশি অনুভব করে। কারণ নারীর ক্ষমতায়ন শুধু একটি সামাজিক অধিকার নয়; এটি একটি সমাজের অভিযোজন সক্ষমতাও বাড়ায়।
প্রতিবেদনটিতে ব্যবহৃত জেন্ডার ইনইকুয়ালিটি ইনডেক্স দেখায়, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর বেশির ভাগেই লিঙ্গ বৈষম্যের মাত্রা বেশি। পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজননস্বাস্থ্যসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকার, অল্প বয়সে বিয়ে এবং নারীর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ কম থাকায় এসব দেশের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। অথচ স্বেচ্ছায় পরিবার পরিকল্পনা এবং প্রজননস্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নিশ্চিত হলে নারীরা নিজের জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা পান, স্বাস্থ্য ভালো থাকে, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে অংশ নিতে পারেন এবং সামগ্রিকভাবে সমাজও আরও সহনশীল হয়ে ওঠে।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস তাই শুধু মানুষ গণনার দিন নয়। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়, জনসংখ্যার প্রশ্নটি জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর অধিকার এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভবিষ্যতের পৃথিবীকে আরও নিরাপদ করতে হলে শুধু জনসংখ্যা কত বাড়ছে বা কমছে, সেটি জানলেই হবে না। জানতে হবে মানুষ কোথায় বাস করছে, কী ধরনের জীবনযাপন করছে এবং পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য তাদের কী ধরনের সুযোগ ও সহায়তা প্রয়োজন। কারণ জনসংখ্যার সঠিক তথ্য শুধু পরিসংখ্যান নয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি।

আজ ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। এ দিন জনসংখ্যা নিয়ে নানা আলোচনা হয়। চলুন, একটি সহজ প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি।
বিশ্বের জনসংখ্যা এখন—
ক) কমছে
খ) বাড়ছে, তবে আর ১০ বছরের মধ্যেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে
গ) বাড়ছে, এবং ২০৮০-এর দশকে গিয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে
উত্তর নিয়ে যদি আপনার একটু দ্বিধা থাকে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে জাতিসংঘের সর্বশেষ জনসংখ্যা পূর্বাভাস বলছে, সঠিক উত্তর হলো ‘গ’। অর্থাৎ বিশ্বের জনসংখ্যা এখনো বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৮০-এর দশকে গিয়ে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
তবে শুধু পৃথিবীতে কত মানুষ আছে, সেটি জানলেই হয় না। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে হলে জানতে হবে মানুষ কোথায় বাড়ছে, কোথায় কমছে এবং এই পরিবর্তনের প্রভাব কী হতে পারে। কারণ সব দেশে জনসংখ্যার চিত্র এক নয়। কোথাও জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, কোথাও ধীরে বাড়ছে, আবার কোথাও কমতেও শুরু করেছে।
মানুষের সংখ্যা কীভাবে বদলেছে, তার ইতিহাসও বেশ চমকপ্রদ। খ্রিষ্টের সময় থেকে ১৭শ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিশ্বের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হতে প্রায় ১,৭০০ বছর লেগেছিল। কিন্তু এরপর জনসংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। ১৯৬০-এর দশকে এই দ্রুত বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে ওঠে। তবে এই বৃদ্ধি সব অঞ্চলে সমান ছিল না। ইউরোপসহ অনেক শিল্পোন্নত দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম, অন্যদিকে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অনেক দেশে দীর্ঘ সময় ধরে জনসংখ্যা দ্রুত বেড়েছে।
জনসংখ্যার এই পরিবর্তনের ওপর একটি দেশের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করে। কতটি স্কুল, হাসপাতাল, সড়ক বা আবাসন লাগবে, কত কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে কিংবা কোথায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে—এসব সিদ্ধান্তের জন্য নির্ভরযোগ্য জনসংখ্যার তথ্য অপরিহার্য।
জনসংখ্যার পরিবর্তন শুধু অর্থনীতি বা উন্নয়ন নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। কারণ জলবায়ুজনিত দুর্যোগের প্রভাব শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনেই এসে পড়ে। কোথাও যদি জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ে, তাহলে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা বা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যাও বেড়ে যায়।
পপুলেশন ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ৮০টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, এসব দেশের গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অর্থাৎ যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে, সেখানেই মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
এর প্রভাব পড়বে কৃষিতেও। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলাচ্ছে, তাপমাত্রা বাড়ছে এবং অনেক এলাকায় চাষাবাদ কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বাড়তে থাকলে খাদ্যের চাহিদাও বাড়বে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর গড়ে ১৭ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যে খাদ্যসংকটে রয়েছে। ভবিষ্যতে এই চাপ আরও বাড়তে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লিঙ্গ বৈষম্য। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দেশে নারীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা ও কর্মসংস্থানে পিছিয়ে, সেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও তুলনামূলক বেশি অনুভব করে। কারণ নারীর ক্ষমতায়ন শুধু একটি সামাজিক অধিকার নয়; এটি একটি সমাজের অভিযোজন সক্ষমতাও বাড়ায়।
প্রতিবেদনটিতে ব্যবহৃত জেন্ডার ইনইকুয়ালিটি ইনডেক্স দেখায়, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর বেশির ভাগেই লিঙ্গ বৈষম্যের মাত্রা বেশি। পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজননস্বাস্থ্যসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকার, অল্প বয়সে বিয়ে এবং নারীর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ কম থাকায় এসব দেশের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। অথচ স্বেচ্ছায় পরিবার পরিকল্পনা এবং প্রজননস্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নিশ্চিত হলে নারীরা নিজের জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা পান, স্বাস্থ্য ভালো থাকে, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে অংশ নিতে পারেন এবং সামগ্রিকভাবে সমাজও আরও সহনশীল হয়ে ওঠে।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস তাই শুধু মানুষ গণনার দিন নয়। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়, জনসংখ্যার প্রশ্নটি জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর অধিকার এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভবিষ্যতের পৃথিবীকে আরও নিরাপদ করতে হলে শুধু জনসংখ্যা কত বাড়ছে বা কমছে, সেটি জানলেই হবে না। জানতে হবে মানুষ কোথায় বাস করছে, কী ধরনের জীবনযাপন করছে এবং পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য তাদের কী ধরনের সুযোগ ও সহায়তা প্রয়োজন। কারণ জনসংখ্যার সঠিক তথ্য শুধু পরিসংখ্যান নয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি।
.png)

ফুটবল বিশ্বকাপকে বলা হয়, ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। চার বছর ধরে এর জন্য সারা পৃথিবী যেন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে যায় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, ভবিষ্যদ্বাণী আর তর্কাতর্কিতে। অথচ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায় না। তবুও কেন এ খেলাকে ঘিরে এত আবেগ?
২ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা
৬ ঘণ্টা আগে
আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, কার কবিতায় বাংলাদেশের প্রাণের স্পন্দন আর মর্মের সুর শুনতে পাওয়া যায়? সমস্ত কুণ্ঠা আর দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে দিয়ে আমি আল মাহমুদের নাম নেব। এই কবিই আমাকে চমকে দিয়ে গিয়েছিলেন স্বপ্নের ভেতর, ‘নারকোলের ওই লম্বা মাথায় হঠাৎ দেখি কাল/ ডাবের মতো চাঁদ উঠেছে ঠাণ্ডা গোলগাল।’
৬ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন বইমেলা। মেলায় রয়েছে প্রায় ১৫টি প্রকাশনীর বই। এ ছাড়াও রয়েছে শিশু কিশোর উপযোগী অরিজিনাল বিদেশি বই।
১০ জুলাই ২০২৬