স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাপা প্লাজার ওপর দিয়ে সূর্য তখন নেমে যাচ্ছে পশ্চিমে। ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের এ পাশটায় মানুষের কোলাহল কম। তবু কিছু মানুষ জটলা বেঁধে লিফট বেয়ে রাপা প্লাজার পাঁচ তলায় উঠছেন।
একটি জটলার সঙ্গী হয়ে উঠে পড়লাম পাঁচতলার বাহারি আহারে। টানা ফ্লোরের এক পাশে চোখে পড়ল হরেক রকমের বইয়ের পশরা সাজানো। পেছনে বড় করে লেখা—‘বর্ষাকালীন বইমেলা’।
কিছু ছেলেমেয়ে ভিড় করে বই দেখছে। হাতে নিয়ে পাতা উল্টিয়ে পড়ার চেষ্টা করছে। এসেছেন বড়রাও।
হাতির ঝিলের মহানগর প্রজেক্ট আবাসিক এলাকা থেকে এসেছেন রিক্তা রিচি ও জাকারিয়া দম্পতি। সঙ্গে রয়েছে তাঁদের ছোট্ট মেয়ে কিংবদন্তি।
রিক্তা বলেন, ব্যস্ততার কারণে সব সময় বইয়ের দোকানে গিয়ে বই কেনার সময় হয় না। শহরের বিভিন্ন জায়গায় এরকম বইমেলা হলে ভালো হয়। পছন্দের বই সহজে কেনা যায়।
মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, একটু আড্ডা হলো, ঘোরাঘুরি হলো, সঙ্গে কিছু বই কেনা হলো। ব্যাপারটা মন্দ না। এরকম বইমেলা নিয়মিতই হওয়া উচিত।
একই সময়ে মেলায় উপস্থিত হন শিশুসাহিত্যিক রবিউল কমল। তিনি বলেন, পাঠককে বইমুখী করতে হলে এমন মেলা নিয়মিত আয়োজন করতে হবে।

এ ব্যাপারে কথা হয় মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘গ্রন্থিক’ ও বইবিষয়ক পত্রিকা ‘এবং বই’-এর সম্পাদকের সঙ্গে। গ্রন্থিকের স্বত্বাধিকারী রাজ্জাক রুবেল বলেন, আমরা প্রতিবছর এই মেলার আয়োজন করতে চাই।
এবং বইয়ের সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশেই এমন বইমেলার আয়োজন করা উচিত। এ জন্য দরকার স্পন্সর।
আয়োজকেরা জানান, আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে দুই দিনব্যাপী এই বর্ষাকালীন বইমেলা শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লেখক অধ্যাপক বদরুল আলম খান, কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীর, লেখক অনুবাদক জাভেদ হুসেন, পরিবেশকর্মী ইবনুল সাঈদ রানা, মননরেখা সম্পাদক মিজানুর রহমান নাসিম, লেখক সাংবাদিক মু আ লতিফ, কথাসাহিত্যিক পলাশ মজুমদার, উন্নয়নকর্মী সেকান্দর আলী সুমন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম খান।
আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন বইমেলা। মেলায় রয়েছে প্রায় ১৫টি প্রকাশনীর বই। এ ছাড়াও রয়েছে শিশু কিশোর উপযোগী অরিজিনাল বিদেশি বই।

রাপা প্লাজার ওপর দিয়ে সূর্য তখন নেমে যাচ্ছে পশ্চিমে। ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের এ পাশটায় মানুষের কোলাহল কম। তবু কিছু মানুষ জটলা বেঁধে লিফট বেয়ে রাপা প্লাজার পাঁচ তলায় উঠছেন।
একটি জটলার সঙ্গী হয়ে উঠে পড়লাম পাঁচতলার বাহারি আহারে। টানা ফ্লোরের এক পাশে চোখে পড়ল হরেক রকমের বইয়ের পশরা সাজানো। পেছনে বড় করে লেখা—‘বর্ষাকালীন বইমেলা’।
কিছু ছেলেমেয়ে ভিড় করে বই দেখছে। হাতে নিয়ে পাতা উল্টিয়ে পড়ার চেষ্টা করছে। এসেছেন বড়রাও।
হাতির ঝিলের মহানগর প্রজেক্ট আবাসিক এলাকা থেকে এসেছেন রিক্তা রিচি ও জাকারিয়া দম্পতি। সঙ্গে রয়েছে তাঁদের ছোট্ট মেয়ে কিংবদন্তি।
রিক্তা বলেন, ব্যস্ততার কারণে সব সময় বইয়ের দোকানে গিয়ে বই কেনার সময় হয় না। শহরের বিভিন্ন জায়গায় এরকম বইমেলা হলে ভালো হয়। পছন্দের বই সহজে কেনা যায়।
মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, একটু আড্ডা হলো, ঘোরাঘুরি হলো, সঙ্গে কিছু বই কেনা হলো। ব্যাপারটা মন্দ না। এরকম বইমেলা নিয়মিতই হওয়া উচিত।
একই সময়ে মেলায় উপস্থিত হন শিশুসাহিত্যিক রবিউল কমল। তিনি বলেন, পাঠককে বইমুখী করতে হলে এমন মেলা নিয়মিত আয়োজন করতে হবে।

এ ব্যাপারে কথা হয় মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘গ্রন্থিক’ ও বইবিষয়ক পত্রিকা ‘এবং বই’-এর সম্পাদকের সঙ্গে। গ্রন্থিকের স্বত্বাধিকারী রাজ্জাক রুবেল বলেন, আমরা প্রতিবছর এই মেলার আয়োজন করতে চাই।
এবং বইয়ের সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বলেন, শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশেই এমন বইমেলার আয়োজন করা উচিত। এ জন্য দরকার স্পন্সর।
আয়োজকেরা জানান, আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে দুই দিনব্যাপী এই বর্ষাকালীন বইমেলা শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লেখক অধ্যাপক বদরুল আলম খান, কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীর, লেখক অনুবাদক জাভেদ হুসেন, পরিবেশকর্মী ইবনুল সাঈদ রানা, মননরেখা সম্পাদক মিজানুর রহমান নাসিম, লেখক সাংবাদিক মু আ লতিফ, কথাসাহিত্যিক পলাশ মজুমদার, উন্নয়নকর্মী সেকান্দর আলী সুমন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম খান।
আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন বইমেলা। মেলায় রয়েছে প্রায় ১৫টি প্রকাশনীর বই। এ ছাড়াও রয়েছে শিশু কিশোর উপযোগী অরিজিনাল বিদেশি বই।
.png)

আমরা অনেকেই কাবাব খেতে খুব পছন্দ করি। এই খাবারের নাম শুনলেই সাধারণত মাথায় আসে মধ্যপ্রাচ্য বা তুরস্কের কথা। একে ভারতীয় খাবার বলে মনে হয় না। আসলে কাবাবের উৎপত্তি এবং ভারতীয় উপমহাদেশে এর বিস্তার নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে নানা মত রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
হাজার হাজার মানুষ স্টেডিয়ামের বাইরে দাঁড়িয়ে। কারও গায়ে ব্রাজিলের হলুদ জার্সি। কারও কাঁধে আর্জেন্টিনার পতাকা। কেউ বা মুখ রাঙিয়েছেন মেক্সিকোর সবুজ-সাদা-লালে। ভেতরে বিশ্বকাপের ম্যাচ। বাইরে উল্লাস- উত্তেজনা। কিন্তু এই উৎসবের আরেকটি দৃশ্য সাধারণ দর্শকের চোখে পড়ে না। সেটি হলো কোটি কোটি ডলারের হিসাব।
০৯ জুলাই ২০২৬
রহিম খানকে দুদিন ক্ষেতে না দেখে গ্রামবাসীরা চিন্তায় পড়ল। কালু জোলা আর কয়েকজন কৃষক সন্ধ্যায় তার ঝুপড়িতে দেখতে এল। উঁকি দিয়ে দেখল, সে বিছানায় পড়ে আপনমনে বকছে—‘আরে বিন্দু! আরে নূরু! কোথায় মরলি? আজ তোদের খাবার কে দেবে?’ চড়ুইগুলো ঘরের ভেতর ডানা ঝাপটাচ্ছিল।
০৯ জুলাই ২০২৬
উপমহাদেশে মাংস কেনার সংস্কৃতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একটি বিশ্বাস জড়িয়ে আছে। চোখের সামনে পশু জবাই হবে, কাটা হবে, এরপর তা ঘরে নেওয়া হবে। অনেকের কাছে এটিই ছিল ‘ফ্রেশ’ বা ‘টাটকা’ মাংসের সংজ্ঞা।
০৯ জুলাই ২০২৬