উপায় জানা থাকলে যেকোনো জায়গা থেকেই এই আঠা তোলা সম্ভব। চলুন জেনে নিই বিভিন্ন জিনিস থেকে সুপার গ্লু তোলার কিছু কৌশল।
স্ট্রিম ডেস্ক

ভাঙা মগ থেকে শুরু করে জুতার তলা—এমন অনেককিছু জোড়া লাগাতে আমরা সুপার গ্লু ব্যবহার করি। কিন্তু এই আঠা ভুল করে হাত, কাপড় বা আসবাবপত্রে লেগে গেলে রীতিমতো ঝামেলায় পড়তে হয়।
সুপার গ্লু বাতাসের আর্দ্রতা শুষে নিয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই জমাট বেঁধে যায়। ফলে কোনো স্থানে সুপার গ্লু লেগে গেলে তা তোলা একটু কঠিন। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। উপায় জানা থাকলে যেকোনো জায়গা থেকেই এই আঠা তোলা সম্ভব। চলুন জেনে নিই বিভিন্ন জিনিস থেকে সুপার গ্লু তোলার কিছু কৌশল।
হাতে সুপার গ্লু আটকে গেলে আতঙ্কে জোরে জোরে আঙুল টানবেন না। এতে চামড়া ছিঁড়ে যেতে পারে। হালকা গরম সাবান-পানিতে হাত ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে ঘষুন।

এ ছাড়া লবণের সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘষতে পারেন। এই মিশ্রণ স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে হাতের আঠা তুলে ফেলে। নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করলেও আঠা নরম হয়ে উঠে আসে।
কাঠের টেবিল-চেয়ারে সুপার গ্লু পড়লে দেখতে ভালো লাগে না। কাঠে যদি রং বা বার্নিশ করা না থাকে, তবে সেখানে এসিটোন বা নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করুন। কিন্তু বার্নিশ করা থাকলে এসিটোন কাঠের ফিনিশিং নষ্ট করে দেবে।
এক্ষেত্রে কটনবাডে সামান্য তেল নিয়ে সাবধানে শুধু আঠার ওপর লাগান। আঠা নরম হলে পুরোনো ব্যাংক কার্ড বা ভোঁতা ছুরি দিয়ে আলতো করে চেঁছে তুলে ফেলুন। এতে করে সুপার গ্লু উঠে আসবে।
কাপড়ে আঠা লাগলে অনেকেই তা ফেলে দেন। তবে একটু বুদ্ধি খাটালে কাপড় থেকে আঠা তোলা সম্ভব। সুতি বা পলিয়েস্টার কাপড়ে রাবিং অ্যালকোহল ব্যবহার করলে আঠা উঠে যায়।

চামড়ার ব্যাগ বা জুতায় আঠা লাগলে ভিনেগার ব্যবহার করুন। ‘WD-40’ স্প্রে ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাবেন।
প্লাস্টিক থেকে সুপার গ্লু তোলা তুলনামূলক কঠিন। কারণ সুপার গ্লু ওঠাতে প্লাস্টিকে এসিটোন ব্যবহার করলে এটা নিজেই গলে যেতে পারে। প্লাস্টিকের জিনিসটি ছোট হলে তা পলিথিনে মুড়িয়ে কয়েক ঘণ্টা ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডায় সুপার গ্লু জমে ভঙ্গুর হয়ে যায়। এরপর বের করে সহজেই আঠা চেঁছে তোলা যায়।
এ ছাড়া বড় জিনিসের ক্ষেত্রে ‘নাইট্রোমিথেন’ নামের তরল ব্যবহার করতে পারেন। তবে উপাদানটি তেমন সহজলভ্য নয়।
কাচ ও ধাতু বেশ শক্ত উপাদান। তাই এগুলোতে সুপার গ্লু লাগলে তোলা তুলনামূলক সহজ। এখানে এসিটোন বা নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন। সুতির কাপড়ে এসিটোন নিয়ে আঠার ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখুন। এরপর বৃত্তাকারে একটু ঘষলেই আঠা উঠে আসবে।
আঠা তোলার সময় কখনোই তাড়াহুড়ো করবেন না। যেকোনো রাসায়নিক বা তরল ব্যবহারের আগে জিনিসের এমন অংশে লাগিয়ে পরীক্ষা করুন, যা বাইরে থেকে সহজে চোখে পড়ে না। আঠা তোলার জন্য কটনবাড ব্যবহার করতে পারেন। এতে তরলটি নির্দিষ্ট জায়গায় লাগানো সহজ হয় এবং আশপাশের জায়গার ক্ষতি হয় না।
তথ্যসূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

ভাঙা মগ থেকে শুরু করে জুতার তলা—এমন অনেককিছু জোড়া লাগাতে আমরা সুপার গ্লু ব্যবহার করি। কিন্তু এই আঠা ভুল করে হাত, কাপড় বা আসবাবপত্রে লেগে গেলে রীতিমতো ঝামেলায় পড়তে হয়।
সুপার গ্লু বাতাসের আর্দ্রতা শুষে নিয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই জমাট বেঁধে যায়। ফলে কোনো স্থানে সুপার গ্লু লেগে গেলে তা তোলা একটু কঠিন। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। উপায় জানা থাকলে যেকোনো জায়গা থেকেই এই আঠা তোলা সম্ভব। চলুন জেনে নিই বিভিন্ন জিনিস থেকে সুপার গ্লু তোলার কিছু কৌশল।
হাতে সুপার গ্লু আটকে গেলে আতঙ্কে জোরে জোরে আঙুল টানবেন না। এতে চামড়া ছিঁড়ে যেতে পারে। হালকা গরম সাবান-পানিতে হাত ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে ঘষুন।

এ ছাড়া লবণের সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘষতে পারেন। এই মিশ্রণ স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে হাতের আঠা তুলে ফেলে। নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করলেও আঠা নরম হয়ে উঠে আসে।
কাঠের টেবিল-চেয়ারে সুপার গ্লু পড়লে দেখতে ভালো লাগে না। কাঠে যদি রং বা বার্নিশ করা না থাকে, তবে সেখানে এসিটোন বা নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করুন। কিন্তু বার্নিশ করা থাকলে এসিটোন কাঠের ফিনিশিং নষ্ট করে দেবে।
এক্ষেত্রে কটনবাডে সামান্য তেল নিয়ে সাবধানে শুধু আঠার ওপর লাগান। আঠা নরম হলে পুরোনো ব্যাংক কার্ড বা ভোঁতা ছুরি দিয়ে আলতো করে চেঁছে তুলে ফেলুন। এতে করে সুপার গ্লু উঠে আসবে।
কাপড়ে আঠা লাগলে অনেকেই তা ফেলে দেন। তবে একটু বুদ্ধি খাটালে কাপড় থেকে আঠা তোলা সম্ভব। সুতি বা পলিয়েস্টার কাপড়ে রাবিং অ্যালকোহল ব্যবহার করলে আঠা উঠে যায়।

চামড়ার ব্যাগ বা জুতায় আঠা লাগলে ভিনেগার ব্যবহার করুন। ‘WD-40’ স্প্রে ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাবেন।
প্লাস্টিক থেকে সুপার গ্লু তোলা তুলনামূলক কঠিন। কারণ সুপার গ্লু ওঠাতে প্লাস্টিকে এসিটোন ব্যবহার করলে এটা নিজেই গলে যেতে পারে। প্লাস্টিকের জিনিসটি ছোট হলে তা পলিথিনে মুড়িয়ে কয়েক ঘণ্টা ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডায় সুপার গ্লু জমে ভঙ্গুর হয়ে যায়। এরপর বের করে সহজেই আঠা চেঁছে তোলা যায়।
এ ছাড়া বড় জিনিসের ক্ষেত্রে ‘নাইট্রোমিথেন’ নামের তরল ব্যবহার করতে পারেন। তবে উপাদানটি তেমন সহজলভ্য নয়।
কাচ ও ধাতু বেশ শক্ত উপাদান। তাই এগুলোতে সুপার গ্লু লাগলে তোলা তুলনামূলক সহজ। এখানে এসিটোন বা নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন। সুতির কাপড়ে এসিটোন নিয়ে আঠার ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখুন। এরপর বৃত্তাকারে একটু ঘষলেই আঠা উঠে আসবে।
আঠা তোলার সময় কখনোই তাড়াহুড়ো করবেন না। যেকোনো রাসায়নিক বা তরল ব্যবহারের আগে জিনিসের এমন অংশে লাগিয়ে পরীক্ষা করুন, যা বাইরে থেকে সহজে চোখে পড়ে না। আঠা তোলার জন্য কটনবাড ব্যবহার করতে পারেন। এতে তরলটি নির্দিষ্ট জায়গায় লাগানো সহজ হয় এবং আশপাশের জায়গার ক্ষতি হয় না।
তথ্যসূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

মায়ের মৃত্যুর সময় জানকী দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বাবার বাড়িতে জন্ম হলেও মায়ের মৃত্যুর পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বসে দুই মাহারি। বাবা ছিলেন চাম্বুগং মাহারির, আর জানকী মায়ের দিক থেকে চিসিম মাহারির কন্যা। তাই প্রশ্ন ওঠে, চিসিম মাহারির এই মেয়ের দায়িত্ব নেবে কে?
২ ঘণ্টা আগে
আজ মা দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি একটি বিশেষ তারিখ মাত্র। কিন্তু বাংলা গানের ভুবনে ‘মা’ শব্দটি নিয়ে যখনই কোনো হাহাকার বা আবেগের বিস্ফোরণ ঘটে, তখনই একটি গানের সুর অজান্তেই কানে বেজে ওঠে। গিটারের সেই চিরচেনা আর্তনাদ আর জেমসের ভরাট কণ্ঠের গান—‘মা’।
৩ ঘণ্টা আগে
মায়ের হাতের রান্নার গোপন রহস্যটা আসলে কী? মা দিবসের এই মুহূর্তে পৃথিবীর সকল মমতাময়ী মায়ের প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে আজকের এই লেখা।
২১ ঘণ্টা আগে
ছোটবেলায় দাদীর মুখে শুনতাম, রাতের বেলা যদি চোখের সামনে দিয়ে কোনো কালো বিড়াল চলে যায়, তবে সেখানেই থেমে যেতে হবে। নিয়ম ছিল, অন্য কেউ ওই পথ দিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
১ দিন আগে