স্ট্রিম ডেস্ক

আমাদের প্রতিদিনকার জীবনে সোশাল মিডিয়ার ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আগে শুধু লাইক, কমেন্ট, শেয়ার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করা হলেও আজকাল রিলস, শর্টসের ভিড়ে অনেক সময় প্রয়োজনীয় আপডেটও চোখের সামনে আসে না। কোন ছবি এআই দিয়ে বানানো আর কোনটা বাস্তব, তা আলাদা করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০২৬ সালে সোশাল মিডিয়া আর কেবল সময় কাটানোর জায়গা থাকছে না। এটির ব্যবহার হবে আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজে। ২০২৬ সালে সোশাল মিডিয়াতে নতুন কী কী ট্রেন্ড আসতে যাচ্ছে, চলুন সে ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
ভিডিও যে এখন সোশাল মিডিয়ার প্রধান ভাষা, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে ২০২৬ সালে আমাদের ভিডিও দেখার ধরনে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। ইউটিউব, টিকটক বা ফেসবুক—সবখানে শর্টস বা রিলসের ছড়াছড়ি। সোশাল মিডিয়ায় ঢুকলেই আমরা এসব ছোট ছোট ভিডিওর ভেতর ডুবে যাই। কিন্তু যখন কোনো বিষয় ভালোমতো জানতে চাইছি, তখন আমরা ইউটিউবে যাচ্ছি বিস্তারিত জানতে। ইউটিউব শর্টস এখন ৩ মিনিট পর্যন্ত লম্বা হওয়ায় আমরা আরও বিস্তারিত কনটেন্ট উপভোগ করতে পারছি। আমাদের চাহিদা বুঝেই এখন প্ল্যাটফর্মগুলো ভিডিওর দৈর্ঘ্য বাড়াচ্ছে আর আমরাও সেই অনুযায়ী প্ল্যাটফর্ম বেছে নিচ্ছি। তাই ২০২৬ সালের রিলস বা শর্টস হবে একটু দীর্ঘ, যাতে মানুষ এই ভিডিওর ব্যাপারে আরও ভালো জানতে পারে।
এআই দিয়ে তৈরি ছবি আর ভিডিওতে নিউজফিড ভরে যাচ্ছে। এগুলো দেখতে চকচকে নিখুঁত হলেও দিনশেষে আমরা ভিডিওতে মানুষ দেখতে চাই। এআই-এর তৈরি নিখুঁত রোবোটিক ভিডিওর চেয়ে একজন রক্ত-মাংসের মানুষের ভুলত্রুটিপূর্ণ ভিডিও আমাদের কাছে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি এখন এতটাই উন্নত হয়েছে যে মাঝে মাঝে কোনটি এআই আর কোনটি সত্যিকারের মানুষ, তা চিহ্নিত করতে হিমশিম খেতে হয়। এ কারণে সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা চাচ্ছেন যাতে কোনো কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি হলে তা স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়। ভ্রান্তির জগতে থাকার চেয়ে স্বচ্ছতা অনেক বেশি জরুরি।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, সোশাল মিডিয়া ব্যবহারের ধরন বদলে যাচ্ছে দিন দিন। টিভি সিরিয়াল বা ওয়েব সিরিজের মতো এখন ব্যবহারকারীরা মনের অজান্তে সোশাল মিডিয়াতেও ‘পরবর্তী পর্বে কী হবে’, সেই অপেক্ষায় থাকতে শুরু করেছেন। বিক্ষিপ্ত একটা-দুটো ভিডিও দেখার চেয়ে ধারাবাহিক গল্প দেখতে বেশি পছন্দ করছেন তারা। কোনো ভ্লগারের জীবনের গল্প হোক, অফিসের ভেতরের মজার ঘটনা বা কোনো ট্রাভেল সিরিজ—যেগুলো পর্ব আকারে আসছে, সেগুলোই আমাদের আটকে রাখছে। বিচ্ছিন্ন পোস্টের চেয়ে এই ‘সিরিজ’ বা ধারাবাহিক কনটেন্টগুলোই এ বছরের জনপ্রিয় ট্রেন্ড হয়ে উঠতে পারে।
লাখ লাখ ভিউ বা ভাইরাল টপিক এখন আর মানুষকে টানছে না। সোশাল মিডিয়ার অজস্র কনটেন্টের ভেতর হারিয়ে না গিয়ে এখন ব্যবহারকারীরা এমন কোথাও যুক্ত হতে চাইছেন, যেখানে তাঁরা তাঁদের জীবনের প্রতিফলন দেখতে পাবেন বা তাঁদের আগ্রহের জায়গা নিয়ে কথা বলবেন। আমরা এখন এমন সব গ্রুপ বা পেজ খুঁজছি, যেখানে আমাদের মতো সমমনা মানুষ আছে; তা হোক মিম পেজ বা শিক্ষামূলক কোনো গ্রুপ।
ব্র্যান্ড বা কনটেন্ট ক্রিয়েটররা শুধু তাঁদের কথা বলে যাবেন আর আমরা শুনে যাব—সেই দিন আর নেই। আমরা এখন সরাসরি যোগাযোগে বিশ্বাসী। কোনো পেজে মেসেজ দিলে বা কমেন্ট করলে আমরা তাৎক্ষণিক উত্তরের আশা করি। যারা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দ্রুত দিচ্ছে এবং আমাদের মতামতের গুরুত্ব দিচ্ছে, তাদের কনটেন্ট আমরা ফলো করছি বা ওই ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে আগ্রহী হচ্ছি।
সোশাল মিডিয়া খুললেই সবাই সুখে আছে, সবাই সফল—এই মেকি জগৎ দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত। সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা এখন ‘পারফেকশন’ বা নিখুঁত জীবনের চেয়ে বাস্তব জীবনের গল্প বেশি পছন্দ করেন, যেখানে এডিট করা ছবি বা ভিডিওর চেয়ে ‘র ফুটেজ’ অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য ও আকর্ষণীয়। সাজানো-গোছানো মিথ্যে গল্পের চেয়ে একজন সাধারণ মানুষের লড়াই বা সত্যিকারের অভিজ্ঞতার গল্প আমাদের বেশি টানছে। যে কনটেন্টে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জীবনের ছায়া খুঁজে পাচ্ছেন, সেটাই তাঁরা বেশি বেশি দেখছেন।
আমাদের ধৈর্য এতই কমে গেছে যে কোনো কিছুর খোঁজ করতে এখন আমরা আর গুগলের কাছে যাই না। উল্টো আমরা সোজা চলে যাচ্ছি টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবে। অর্থাৎ আমরা পড়ে নয়, বরং ভিডিও দেখে শিখতে চাইছি। বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৬ সালে কোনো কিছু খোঁজার বা সার্চ করার অভ্যাসে সোশাল মিডিয়াই প্রধান হয়ে উঠবে। কারণ, সোশাল মিডিয়ায় আমরা এখন এমন সব কনটেন্ট খুঁজছি, যা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দ্রুততার সঙ্গে সরাসরি দিতে পারে।

আমাদের প্রতিদিনকার জীবনে সোশাল মিডিয়ার ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আগে শুধু লাইক, কমেন্ট, শেয়ার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করা হলেও আজকাল রিলস, শর্টসের ভিড়ে অনেক সময় প্রয়োজনীয় আপডেটও চোখের সামনে আসে না। কোন ছবি এআই দিয়ে বানানো আর কোনটা বাস্তব, তা আলাদা করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০২৬ সালে সোশাল মিডিয়া আর কেবল সময় কাটানোর জায়গা থাকছে না। এটির ব্যবহার হবে আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজে। ২০২৬ সালে সোশাল মিডিয়াতে নতুন কী কী ট্রেন্ড আসতে যাচ্ছে, চলুন সে ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
ভিডিও যে এখন সোশাল মিডিয়ার প্রধান ভাষা, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে ২০২৬ সালে আমাদের ভিডিও দেখার ধরনে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। ইউটিউব, টিকটক বা ফেসবুক—সবখানে শর্টস বা রিলসের ছড়াছড়ি। সোশাল মিডিয়ায় ঢুকলেই আমরা এসব ছোট ছোট ভিডিওর ভেতর ডুবে যাই। কিন্তু যখন কোনো বিষয় ভালোমতো জানতে চাইছি, তখন আমরা ইউটিউবে যাচ্ছি বিস্তারিত জানতে। ইউটিউব শর্টস এখন ৩ মিনিট পর্যন্ত লম্বা হওয়ায় আমরা আরও বিস্তারিত কনটেন্ট উপভোগ করতে পারছি। আমাদের চাহিদা বুঝেই এখন প্ল্যাটফর্মগুলো ভিডিওর দৈর্ঘ্য বাড়াচ্ছে আর আমরাও সেই অনুযায়ী প্ল্যাটফর্ম বেছে নিচ্ছি। তাই ২০২৬ সালের রিলস বা শর্টস হবে একটু দীর্ঘ, যাতে মানুষ এই ভিডিওর ব্যাপারে আরও ভালো জানতে পারে।
এআই দিয়ে তৈরি ছবি আর ভিডিওতে নিউজফিড ভরে যাচ্ছে। এগুলো দেখতে চকচকে নিখুঁত হলেও দিনশেষে আমরা ভিডিওতে মানুষ দেখতে চাই। এআই-এর তৈরি নিখুঁত রোবোটিক ভিডিওর চেয়ে একজন রক্ত-মাংসের মানুষের ভুলত্রুটিপূর্ণ ভিডিও আমাদের কাছে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি এখন এতটাই উন্নত হয়েছে যে মাঝে মাঝে কোনটি এআই আর কোনটি সত্যিকারের মানুষ, তা চিহ্নিত করতে হিমশিম খেতে হয়। এ কারণে সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা চাচ্ছেন যাতে কোনো কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি হলে তা স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়। ভ্রান্তির জগতে থাকার চেয়ে স্বচ্ছতা অনেক বেশি জরুরি।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, সোশাল মিডিয়া ব্যবহারের ধরন বদলে যাচ্ছে দিন দিন। টিভি সিরিয়াল বা ওয়েব সিরিজের মতো এখন ব্যবহারকারীরা মনের অজান্তে সোশাল মিডিয়াতেও ‘পরবর্তী পর্বে কী হবে’, সেই অপেক্ষায় থাকতে শুরু করেছেন। বিক্ষিপ্ত একটা-দুটো ভিডিও দেখার চেয়ে ধারাবাহিক গল্প দেখতে বেশি পছন্দ করছেন তারা। কোনো ভ্লগারের জীবনের গল্প হোক, অফিসের ভেতরের মজার ঘটনা বা কোনো ট্রাভেল সিরিজ—যেগুলো পর্ব আকারে আসছে, সেগুলোই আমাদের আটকে রাখছে। বিচ্ছিন্ন পোস্টের চেয়ে এই ‘সিরিজ’ বা ধারাবাহিক কনটেন্টগুলোই এ বছরের জনপ্রিয় ট্রেন্ড হয়ে উঠতে পারে।
লাখ লাখ ভিউ বা ভাইরাল টপিক এখন আর মানুষকে টানছে না। সোশাল মিডিয়ার অজস্র কনটেন্টের ভেতর হারিয়ে না গিয়ে এখন ব্যবহারকারীরা এমন কোথাও যুক্ত হতে চাইছেন, যেখানে তাঁরা তাঁদের জীবনের প্রতিফলন দেখতে পাবেন বা তাঁদের আগ্রহের জায়গা নিয়ে কথা বলবেন। আমরা এখন এমন সব গ্রুপ বা পেজ খুঁজছি, যেখানে আমাদের মতো সমমনা মানুষ আছে; তা হোক মিম পেজ বা শিক্ষামূলক কোনো গ্রুপ।
ব্র্যান্ড বা কনটেন্ট ক্রিয়েটররা শুধু তাঁদের কথা বলে যাবেন আর আমরা শুনে যাব—সেই দিন আর নেই। আমরা এখন সরাসরি যোগাযোগে বিশ্বাসী। কোনো পেজে মেসেজ দিলে বা কমেন্ট করলে আমরা তাৎক্ষণিক উত্তরের আশা করি। যারা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দ্রুত দিচ্ছে এবং আমাদের মতামতের গুরুত্ব দিচ্ছে, তাদের কনটেন্ট আমরা ফলো করছি বা ওই ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে আগ্রহী হচ্ছি।
সোশাল মিডিয়া খুললেই সবাই সুখে আছে, সবাই সফল—এই মেকি জগৎ দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত। সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা এখন ‘পারফেকশন’ বা নিখুঁত জীবনের চেয়ে বাস্তব জীবনের গল্প বেশি পছন্দ করেন, যেখানে এডিট করা ছবি বা ভিডিওর চেয়ে ‘র ফুটেজ’ অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য ও আকর্ষণীয়। সাজানো-গোছানো মিথ্যে গল্পের চেয়ে একজন সাধারণ মানুষের লড়াই বা সত্যিকারের অভিজ্ঞতার গল্প আমাদের বেশি টানছে। যে কনটেন্টে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জীবনের ছায়া খুঁজে পাচ্ছেন, সেটাই তাঁরা বেশি বেশি দেখছেন।
আমাদের ধৈর্য এতই কমে গেছে যে কোনো কিছুর খোঁজ করতে এখন আমরা আর গুগলের কাছে যাই না। উল্টো আমরা সোজা চলে যাচ্ছি টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবে। অর্থাৎ আমরা পড়ে নয়, বরং ভিডিও দেখে শিখতে চাইছি। বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৬ সালে কোনো কিছু খোঁজার বা সার্চ করার অভ্যাসে সোশাল মিডিয়াই প্রধান হয়ে উঠবে। কারণ, সোশাল মিডিয়ায় আমরা এখন এমন সব কনটেন্ট খুঁজছি, যা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দ্রুততার সঙ্গে সরাসরি দিতে পারে।

পাশ্চাত্য থেকে প্রাচ্য, সর্বত্র রয়েছে শরবতের চাহিদা। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন শরবত খাওয়ার রেওয়াজ শুরু হলো কবে থেকে?
৯ ঘণ্টা আগে
একটা বইয়ের দোকান হতে পারে শহরের চিন্তার আড্ডাখানা, তরুণদের বিতর্কের জায়গা, লেখকদের মিলনস্থল কিংবা কোনো বিপ্লবের নীরব সূচনা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কিছু বইয়ের দোকান আছে, যেগুলো শত বছর ধরে টিকে আছে ঝড়, যুদ্ধ, ভূমিকম্প আর সময়ের পরিবর্তনের মাঝেও। চলুন, ঘুরে আসি বিশ্বের পুরোনো ছয়টি বইয়ের দোকান থেকে
১৪ ঘণ্টা আগে
১৯৭১ সালের ২ মার্চ। বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এদিনই প্রথম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আকাশে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার জাতীয় পতাকা, যা ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এক বলিষ্ঠ ঘোষণা।
১৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পতাকা কেবল নির্দিষ্ট অনুপাতের একখণ্ড রঞ্জিত কাপড় নয়, জাতীয় পতাকা একটি জনপদের সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষা, দীর্ঘ লড়াইয়ের নির্যাস এবং আত্মপরিচয়ের এক দৃশ্যমান ইশতেহার। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলায় প্রথম উত্তোলিত পতাকাটি ছিল এক রাষ্ট্রদ্রোহী বিদ্রোহের প্রকাশ, যা সময়ের পরিক্রমায়
১৫ ঘণ্টা আগে