বিশ্বজুড়ে নানা মডেলের নানা আকৃতির গাড়ি রয়েছে। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে ‘স্লিম গাড়ি’ সম্ভবত এবারই প্রথম দেখা গেল ইতালির এক প্রদর্শনীতে।
ঊর্মি শর্মা

গাড়িপ্রেমীরা নিশ্চয়ই দারুণ সব গাড়ির লুক ও অত্যাধুনিক ফিচার নিয়ে জানেন। তবে এমনকি কখনো দেখেছেন, যা মোটরবাইকের থেকে সরু ও একটি বালিশের চেয়ে সামান্য চওড়া?
ইতালির ‘পান্ডা আ প্যান্ডিনো ২০২৫’ ইভেন্টে এমন এক অবিশ্বাস্য ধারণাকেই বাস্তব রূপে দেখিয়েছেন মেকানিক আন্দ্রেয়া মারাজ্জি। ‘পান্ডা ফর ওয়ান’ নামে পরিচিত এই গাড়িটির প্রস্থ মাত্র ১৯ ইঞ্চি। এটিকেই এখন বিশ্বের সবচেয়ে ‘স্লিম’ গাড়ি বলা হচ্ছে।
ইতালিয়ান অটোমোবাইল কোম্পানির বিশেষ গাড়ি ‘ফিয়াট পান্ডা’র ৪৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে (১৯–২২ জুন) উন্মোচিত হয় এই এক আসনের বৈদ্যুতিক গাড়িটি। কার্টুনের মতো অতি সরু চেহারার এই গাড়িটি দর্শকদের রীতিমতো হতবাক করে দেয়। হালকা নীল রঙে রাঙানো গাড়িটিতে রয়েছে একটি মাত্র হেডলাইট, পাতলা চারটি চাকা আর দুটি সাইড মিরর। এসব অনুষঙ্গই গাড়িটির মোট প্রস্থের একটি বড় অংশ দখল করে রয়েছে।
দেখতে টু-ডি স্কেচের (শুধু দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নিয়ে আঁকা) মতো হলেও পান্ডা ফর ওয়ান বেশ কাজের একটি গাড়ি। ছোট্ট একটি বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে এই গাড়িটি একটি আদর্শ গাড়ির সব কাজই করতে পারে। গাড়িটির ভেতরে রয়েছে একটি সামনের সিট এবং একটি ছোট্ট অতিরিক্ত সিট যেখানে একজন শিশু বসতে পারে। আর রয়েছে ম্যানুয়াল উইন্ডো। এ ছাড়া ছোট মাইক্রোওয়েভ রাখার মতো একটি ছোট্ট ট্রাংকও আছে।
অনেকটা সামনে ঝুঁকে গিয়ে গাড়িটিতে ঢুকতে হয়, যেন গায়ে ছোট জামা আঁটাবার মতো। নির্মাতা আন্দ্রেয়া এক ভিডিওতে মজা করে বলেন, তাঁর মা ‘গাড়িটাকে ধুয়ে ছোট করে ফেলেছেন।’ ভাইরাল ওই ভিডিওতে তিনি দেখান, এর টাইট ইন্টেরিয়র, ছোট ছোট এয়ার ভেন্ট আর ফিয়াটের বিশেষ স্টিয়ারিং হুইল। সবই যেন খেলনা গাড়ির মতো কম্প্যাক্ট বা আঁটসাট।
খেলনা গাড়ির মতো ছোট হলেও এর কার্যক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তির জন্য ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়িয়েছে। এক ভক্ত একে বলেছেন ‘একটি শিল্পকর্ম’। আর অনেকেই প্রশংসা করেছেন এর কারিগরি দক্ষতা ও সৃজনশীলতার।
পান্ডা ফর ওয়ান প্যান্ডিনোতে সবার নজর কেড়েছে। সেখানে ফ্রান্স, জার্মানি, পর্তুগাল ও অস্ট্রিয়াসহ ইউরোপের নানা দেশ থেকে আসা ফিয়াটপ্রেমীদের নজর কাড়ে এই অদ্ভুত ছোট্ট গাড়িটি।
এই অদ্ভুতুড়ে আবিষ্কার আন্দ্রেয়া মারাজ্জির প্রথম সৃষ্টি নয়। তিনি এর মধ্যেই নানা ব্যতিক্রমী গাড়ি তৈরির জন্য পরিচিত।

গাড়িপ্রেমীরা নিশ্চয়ই দারুণ সব গাড়ির লুক ও অত্যাধুনিক ফিচার নিয়ে জানেন। তবে এমনকি কখনো দেখেছেন, যা মোটরবাইকের থেকে সরু ও একটি বালিশের চেয়ে সামান্য চওড়া?
ইতালির ‘পান্ডা আ প্যান্ডিনো ২০২৫’ ইভেন্টে এমন এক অবিশ্বাস্য ধারণাকেই বাস্তব রূপে দেখিয়েছেন মেকানিক আন্দ্রেয়া মারাজ্জি। ‘পান্ডা ফর ওয়ান’ নামে পরিচিত এই গাড়িটির প্রস্থ মাত্র ১৯ ইঞ্চি। এটিকেই এখন বিশ্বের সবচেয়ে ‘স্লিম’ গাড়ি বলা হচ্ছে।
ইতালিয়ান অটোমোবাইল কোম্পানির বিশেষ গাড়ি ‘ফিয়াট পান্ডা’র ৪৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে (১৯–২২ জুন) উন্মোচিত হয় এই এক আসনের বৈদ্যুতিক গাড়িটি। কার্টুনের মতো অতি সরু চেহারার এই গাড়িটি দর্শকদের রীতিমতো হতবাক করে দেয়। হালকা নীল রঙে রাঙানো গাড়িটিতে রয়েছে একটি মাত্র হেডলাইট, পাতলা চারটি চাকা আর দুটি সাইড মিরর। এসব অনুষঙ্গই গাড়িটির মোট প্রস্থের একটি বড় অংশ দখল করে রয়েছে।
দেখতে টু-ডি স্কেচের (শুধু দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নিয়ে আঁকা) মতো হলেও পান্ডা ফর ওয়ান বেশ কাজের একটি গাড়ি। ছোট্ট একটি বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে এই গাড়িটি একটি আদর্শ গাড়ির সব কাজই করতে পারে। গাড়িটির ভেতরে রয়েছে একটি সামনের সিট এবং একটি ছোট্ট অতিরিক্ত সিট যেখানে একজন শিশু বসতে পারে। আর রয়েছে ম্যানুয়াল উইন্ডো। এ ছাড়া ছোট মাইক্রোওয়েভ রাখার মতো একটি ছোট্ট ট্রাংকও আছে।
অনেকটা সামনে ঝুঁকে গিয়ে গাড়িটিতে ঢুকতে হয়, যেন গায়ে ছোট জামা আঁটাবার মতো। নির্মাতা আন্দ্রেয়া এক ভিডিওতে মজা করে বলেন, তাঁর মা ‘গাড়িটাকে ধুয়ে ছোট করে ফেলেছেন।’ ভাইরাল ওই ভিডিওতে তিনি দেখান, এর টাইট ইন্টেরিয়র, ছোট ছোট এয়ার ভেন্ট আর ফিয়াটের বিশেষ স্টিয়ারিং হুইল। সবই যেন খেলনা গাড়ির মতো কম্প্যাক্ট বা আঁটসাট।
খেলনা গাড়ির মতো ছোট হলেও এর কার্যক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তির জন্য ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়িয়েছে। এক ভক্ত একে বলেছেন ‘একটি শিল্পকর্ম’। আর অনেকেই প্রশংসা করেছেন এর কারিগরি দক্ষতা ও সৃজনশীলতার।
পান্ডা ফর ওয়ান প্যান্ডিনোতে সবার নজর কেড়েছে। সেখানে ফ্রান্স, জার্মানি, পর্তুগাল ও অস্ট্রিয়াসহ ইউরোপের নানা দেশ থেকে আসা ফিয়াটপ্রেমীদের নজর কাড়ে এই অদ্ভুত ছোট্ট গাড়িটি।
এই অদ্ভুতুড়ে আবিষ্কার আন্দ্রেয়া মারাজ্জির প্রথম সৃষ্টি নয়। তিনি এর মধ্যেই নানা ব্যতিক্রমী গাড়ি তৈরির জন্য পরিচিত।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
২১ মিনিট আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
২১ ঘণ্টা আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে