leadT1ad

খামেনির সহযোগীসহ ইরানি কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০: ০৮
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) সেক্রেটারি আলী লারিজানি। ছবি: সংহগৃহীত

সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সহযোগী শীর্ষ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকির মধ্যেই এই পদক্ষেপ নিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) সেক্রেটারি আলী লারিজানিসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নাম রয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, বিক্ষোভ দমনে তেহরানের ‘নৃশংস’ পদক্ষেপের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তাঁরা।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইরানের জনগণের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের দাবির পাশে যুক্তরাষ্ট্র আছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে ট্রেজারি বিভাগ ইরানের জনগণের ওপর নৃশংস দমন-পীড়নে জড়িত নেতার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের পেছনে দায়ীদের বিরুদ্ধে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত হবে। পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের যেকোনো ধরনের ব্যবসা অবৈধ হয়ে যাবে। ইরান আগে থেকেই কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকায় এই পদক্ষেপকে প্রতীকী এবং রাজনৈতিক চাপের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, আলী লারিজানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা।

এর আগে,, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ‘দখল’ নিতে ইরানিদের প্রতি আহ্বান জানান ট্রাম্প। এই ইস্যুতে ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেন লারিজানি। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘ইরানিদের প্রধান হত্যাকারী’ হিসেবে অভিহিত করেন।

উল্লেখ্যম বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠীর দাবি ইরানের এই বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে ইরান সরকার বিক্ষোভকারীদের ‘সশস্ত্র দাঙ্গাবাজ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সরকারের দাবি, সশস্ত্র দাঙ্গাবাজদের হামলায় ১০০ জনেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আল জাজিরা স্বতন্ত্রভাবে এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

এছাড়া দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, মোবাইল সংযোগ ও ল্যান্ডফোন বন্ধ থাকায় প্রকৃত নিহতের সংখ্যা বা দাবিসমূহ যাচাই করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত