মে মাসে খাদ্য বিতরণকেন্দ্রগুলো চালু হওয়ার পর ৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বেশি।
স্ট্রিম ডেস্ক

‘আমার বাচ্চারা…আমার বাচ্চারা…’, স্বজনদের লাশের পাশে বসে বিলাপ করছিলেন ইনতিসার আবু আসসি। ইসরায়েলি হামলায় তাঁর সন্তান ও নাতি-নাতনিরা মারা গেছেন।
বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গুলিতে ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪৫ জন ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারান বলে জানিয়েছে গাজার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর এপির।
দক্ষিণ গাজার এক তাঁবু শিবিরে বাস্তুচ্যুত লোকেরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাতে সেখানে হামলা চালানো হলে একই পরিবারের ১৩জন মারা যান। সেখানে ১২ বছরের কম বয়সী অন্তত ৬ শিশু ছিল।
গাজার একটি স্কুল বাস্তুচ্যুত মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। সেখানে ইসরায়েলি হামলায় ১৫ মানুষ মারা যান। তা ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই সাহায্য আনতে গিয়ে মারা যাচ্ছেন গাজাবাসীরা।
গাজা মানবিক সংস্থার (জিএইচএফ) ত্রাণ আনতে গিয়ে পথে পাঁচজন নিহত হন। এপি জানাচ্ছে, এটি ইসরায়েলের মদদপুষ্ট একটি গোপন মার্কিন সংগঠন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জিএইচএফের ত্রাণ নিতে ফিলিস্তিনিরা জড়ো হলে নির্বিচারে গুলি চালান ইসরায়েলি সেনারা। সেনা-নিয়ন্ত্রিত এলাকার কাছে জাতিসংঘের ত্রাণবহর যখন ঢোকে, অপেক্ষায় থাকেন গাজাবাসীরা। ভিড় জমলে সেনারা গুলি চালায়।
মে মাসে খাদ্য বিতরণকেন্দ্রগুলো চালু হওয়ার পর ৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বেশি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা ভিড় নিয়ন্ত্রণে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে বা কেউ সেনাদের কাছে এলে গুলি চালায়। আর এসব ত্রাণকেন্দ্র পাহারা দেয় সশস্ত্র মার্কিন ঠিকাদারেরা।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ইসরায়েল ক্ষুধাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা বলছে, ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ফাঁদ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ, অমানবিক, অকার্যকর ও সামরিক ত্রাণব্যবস্থা চালু রেখেছে ইসরায়েল।
এই প্রতিবেদন অস্বীকার করে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অ্যামনেস্টি হামাসের সঙ্গে যোগ দিয়ে তাদের মিথ্যা প্রপাগান্ডা গ্রহণ করেছে।
গত বছর ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তবে তা অস্বীকার করে আসছে দেশটি।

‘আমার বাচ্চারা…আমার বাচ্চারা…’, স্বজনদের লাশের পাশে বসে বিলাপ করছিলেন ইনতিসার আবু আসসি। ইসরায়েলি হামলায় তাঁর সন্তান ও নাতি-নাতনিরা মারা গেছেন।
বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গুলিতে ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪৫ জন ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারান বলে জানিয়েছে গাজার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর এপির।
দক্ষিণ গাজার এক তাঁবু শিবিরে বাস্তুচ্যুত লোকেরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাতে সেখানে হামলা চালানো হলে একই পরিবারের ১৩জন মারা যান। সেখানে ১২ বছরের কম বয়সী অন্তত ৬ শিশু ছিল।
গাজার একটি স্কুল বাস্তুচ্যুত মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। সেখানে ইসরায়েলি হামলায় ১৫ মানুষ মারা যান। তা ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই সাহায্য আনতে গিয়ে মারা যাচ্ছেন গাজাবাসীরা।
গাজা মানবিক সংস্থার (জিএইচএফ) ত্রাণ আনতে গিয়ে পথে পাঁচজন নিহত হন। এপি জানাচ্ছে, এটি ইসরায়েলের মদদপুষ্ট একটি গোপন মার্কিন সংগঠন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জিএইচএফের ত্রাণ নিতে ফিলিস্তিনিরা জড়ো হলে নির্বিচারে গুলি চালান ইসরায়েলি সেনারা। সেনা-নিয়ন্ত্রিত এলাকার কাছে জাতিসংঘের ত্রাণবহর যখন ঢোকে, অপেক্ষায় থাকেন গাজাবাসীরা। ভিড় জমলে সেনারা গুলি চালায়।
মে মাসে খাদ্য বিতরণকেন্দ্রগুলো চালু হওয়ার পর ৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বেশি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা ভিড় নিয়ন্ত্রণে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে বা কেউ সেনাদের কাছে এলে গুলি চালায়। আর এসব ত্রাণকেন্দ্র পাহারা দেয় সশস্ত্র মার্কিন ঠিকাদারেরা।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ইসরায়েল ক্ষুধাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা বলছে, ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ফাঁদ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ, অমানবিক, অকার্যকর ও সামরিক ত্রাণব্যবস্থা চালু রেখেছে ইসরায়েল।
এই প্রতিবেদন অস্বীকার করে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অ্যামনেস্টি হামাসের সঙ্গে যোগ দিয়ে তাদের মিথ্যা প্রপাগান্ডা গ্রহণ করেছে।
গত বছর ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তবে তা অস্বীকার করে আসছে দেশটি।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কাজে লাগিয়ে সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের দিকে এগোচ্ছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন দেশের জাহাজ কী শর্তে চলাচল করবে, তা এখন তেহরানই নিয়ন্ত্রণ করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
কাতারে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির মূল কেন্দ্র হলো দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা। দেশটির জন্য এটি অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর। কিন্তু শহরটির আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে কীভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘান হেনেছে তা এখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছে বিস্ময়।
২০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া’ হবে।
১ দিন আগে