স্ট্রিম ডেস্ক

লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এরমধ্যে রোববার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ১২টি শহর ও গ্রামে হামলার হুমকি দিয়ে নতুন সতর্কতা জারি করেছে। ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশও দিয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
ওই শহর ও গ্রামগুলো হলো– আল-দুয়ায়ের, আরব সালিম, আল-শারকিয়া (নাবাতিহ), জিবশিত, ব্রাশিত, সারাফান্দ, দুনিন, ব্রিকা, ক্বকাইয়া আল-জিসর, আল-কাসিবা (নাবাতিহ) ও কাফর সির।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নির্দেশনায় বাসিন্দাদের নির্দিষ্ট এলাকা থেকে অন্তত ১ কিলোমিটার দূরে খোলা জায়গায় সরে যেতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবাননের সঙ্গে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় ইসরায়েল। এরপর আরও তিন সপ্তাহ সময়সীমা বাড়ানো হয়। তবে দক্ষিণ লেবানন থেকে সরেনি ইসরায়েলি বাহিনী। নিয়মিত হামলাও চালিয়ে যাচ্ছে তারা। বাহিনীটির দাবি, তারা ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে, লেবানন থেকে আল-জাজিরার প্রতিবেদক জানিয়েছেন, গত ১২ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ বেড়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত বেশ কিছু হামলা চালানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে আছে। আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে ইসরায়েলি ড্রোন।
তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম সেক্টরে একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। ইসরায়েলিদের ভাষায় ‘নিয়ন্ত্রিত ধ্বংসযজ্ঞ’-এর তথ্য পেয়েছেন শিহিন শহরে। এ ছাড়া আল-তুফাহ জেলার আর-রায়হান শহরে ভয়াবহ হামলা হয়েছে, যার শব্দ অনেক দূর থেকে শোনা গেছে।
তিনি জানান, গত ১২ ঘণ্টা ধরে ইসরায়েলি হামলার ব্যাপকতায় দক্ষিণ লেবাননের মানুষ চরম উদ্বিগ্ন। বেসামরিক নাগরিক, ঘরবাড়ি ও ভবন লক্ষ্য করে এভাবে হামলা চলতে থাকলে তা বাস্তুচ্যুতির নতুন ঢেউ তৈরি করতে পারে। কারণ, তারা ভেবেছিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে এখন মানুষ দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করার বিষয়ে নতুন করে ভাবছে।

লেবাননের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এরমধ্যে রোববার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ১২টি শহর ও গ্রামে হামলার হুমকি দিয়ে নতুন সতর্কতা জারি করেছে। ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশও দিয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
ওই শহর ও গ্রামগুলো হলো– আল-দুয়ায়ের, আরব সালিম, আল-শারকিয়া (নাবাতিহ), জিবশিত, ব্রাশিত, সারাফান্দ, দুনিন, ব্রিকা, ক্বকাইয়া আল-জিসর, আল-কাসিবা (নাবাতিহ) ও কাফর সির।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর নির্দেশনায় বাসিন্দাদের নির্দিষ্ট এলাকা থেকে অন্তত ১ কিলোমিটার দূরে খোলা জায়গায় সরে যেতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবাননের সঙ্গে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় ইসরায়েল। এরপর আরও তিন সপ্তাহ সময়সীমা বাড়ানো হয়। তবে দক্ষিণ লেবানন থেকে সরেনি ইসরায়েলি বাহিনী। নিয়মিত হামলাও চালিয়ে যাচ্ছে তারা। বাহিনীটির দাবি, তারা ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে, লেবানন থেকে আল-জাজিরার প্রতিবেদক জানিয়েছেন, গত ১২ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ বেড়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত বেশ কিছু হামলা চালানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে আছে। আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে ইসরায়েলি ড্রোন।
তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম সেক্টরে একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। ইসরায়েলিদের ভাষায় ‘নিয়ন্ত্রিত ধ্বংসযজ্ঞ’-এর তথ্য পেয়েছেন শিহিন শহরে। এ ছাড়া আল-তুফাহ জেলার আর-রায়হান শহরে ভয়াবহ হামলা হয়েছে, যার শব্দ অনেক দূর থেকে শোনা গেছে।
তিনি জানান, গত ১২ ঘণ্টা ধরে ইসরায়েলি হামলার ব্যাপকতায় দক্ষিণ লেবাননের মানুষ চরম উদ্বিগ্ন। বেসামরিক নাগরিক, ঘরবাড়ি ও ভবন লক্ষ্য করে এভাবে হামলা চলতে থাকলে তা বাস্তুচ্যুতির নতুন ঢেউ তৈরি করতে পারে। কারণ, তারা ভেবেছিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে এখন মানুষ দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করার বিষয়ে নতুন করে ভাবছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জোট ছাড়ার পর তেল উৎপাদনের কোটা নির্ধারণে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে ওপেক প্লাস সদস্যভুক্ত ৭টি দেশ। খবর আল-জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কাছে ৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার পৃথক ঘোষণায় এসব তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। খবর আল-জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ এড়িয়ে এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলে পৌঁছেছে ইরানের একটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকার। রোববার (৩ মে) জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ট্যাংকারট্র্যাকারস ডটকম’ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
৪ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের পাঠানো নতুন ১৪ দফা পরিকল্পনার পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার সন্ধ্যায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি শিগগির ইরানের পাঠানো নতুন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে