মধ্যপ্রাচ্যে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ১২: ০১
যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কাছে ৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার পৃথক ঘোষণায় এসব তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। খবর আল-জাজিরার।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জরুরি পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই দ্রুত অস্ত্র হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দেন।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। এতে দেশগুলোর যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্রের মজুত কমে যায়। পাশাপাশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৯৯২ মিলিয়ন ডলারের উন্নত প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম (এপিকেডব্লিউএস) ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম পাবে ইসরায়েল। অন্যদিকে কুয়েত ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম কেনার অনুমোদন পেয়েছে।

এছাড়া কাতার প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এপিকেডব্লিউএস কেনা এবং প্যাট্রিয়ট আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনরায় মজুত করার অনুমোদন পেয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৪৮ মিলিয়ন ডলারের এপিকেডব্লিউএস কিনতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্রগুলোর তাৎক্ষণিক বিক্রির জন্য পরিস্থিতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে অস্ত্র রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইনে কংগ্রেসের পর্যালোচনা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা আগত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অন্যতম উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম। অন্যদিকে এপিকেডব্লিউএস সাধারণ রকেটকে নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।

এর আগে, গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও জর্ডানের জন্য আলাদাভাবে ১৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। সেসময় চুক্তিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার ব্যবস্থা, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এবং কুয়েতের জন্য আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত