স্ট্রিম ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাত জোট ছাড়ার পর তেল উৎপাদনের কোটা নির্ধারণে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে ওপেক প্লাস সদস্যভুক্ত ৭টি দেশ। খবর আল-জাজিরার।
এর আগে শুক্রবার বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের বড় উৎপাদক দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেক এবং বৃহত্তর ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন সীমা নিয়ে অসন্তোষের কারণেই জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।
ব্যবসায়ীদের ধারণা, বৈঠকে সাতটি দেশ দৈনিক তেল উৎপাদন ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর আন্তঃসরকারি জোট ওপেক। ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ইরাকের বাগদাদে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনেজুয়েলা জোটটি গঠন করে। পরে লিবিয়া, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, গ্যাবন, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, কঙ্গো ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যোগ দেওয়ায় সদস্য বেড়ে দাঁড়ায় ১২তে।
এই জোটের মূল লক্ষ্য সদস্যদেশগুলোর তেলনীতি সমন্বয়, উৎপাদকদের জন্য স্থিতিশীল ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত, তেলের সরবরাহ ঠিক রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য যুক্তিসংগত মুনাফা নিশ্চিত করা।
ওপেক মূলত তেল উৎপাদনের কোটা নির্ধারণের মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব তৈরি করে। সদস্যদেশগুলো নিয়মিত বৈঠকে বসে ঠিক করে, কে কত তেল উৎপাদন করবে। উৎপাদন কমলে বৈশ্বিক সরবরাহ কমে দাম বাড়ে আর উৎপাদন বাড়লে দাম কমে।
অন্যদিকে ওপেক প্লাস তুলনামূলক বিস্তৃত জোট। ২০১৬ সালে এটি গড়ে ওঠে। এতে ওপেকের বাইরে থাকা রাশিয়া, কাজাখস্তান, আজারবাইজানসহ আরও কয়েকটি বড় তেল উৎপাদক দেশ রয়েছে। এই জোটও উৎপাদন নীতি সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে প্রভাব তৈরি করে। মূলত ওপেকের সম্প্রসারিত রূপ ওপেক প্লাস।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জোট ছাড়ার পর তেল উৎপাদনের কোটা নির্ধারণে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে ওপেক প্লাস সদস্যভুক্ত ৭টি দেশ। খবর আল-জাজিরার।
এর আগে শুক্রবার বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের বড় উৎপাদক দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেক এবং বৃহত্তর ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন সীমা নিয়ে অসন্তোষের কারণেই জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি।
ব্যবসায়ীদের ধারণা, বৈঠকে সাতটি দেশ দৈনিক তেল উৎপাদন ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর আন্তঃসরকারি জোট ওপেক। ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ইরাকের বাগদাদে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনেজুয়েলা জোটটি গঠন করে। পরে লিবিয়া, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, গ্যাবন, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, কঙ্গো ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যোগ দেওয়ায় সদস্য বেড়ে দাঁড়ায় ১২তে।
এই জোটের মূল লক্ষ্য সদস্যদেশগুলোর তেলনীতি সমন্বয়, উৎপাদকদের জন্য স্থিতিশীল ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত, তেলের সরবরাহ ঠিক রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য যুক্তিসংগত মুনাফা নিশ্চিত করা।
ওপেক মূলত তেল উৎপাদনের কোটা নির্ধারণের মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব তৈরি করে। সদস্যদেশগুলো নিয়মিত বৈঠকে বসে ঠিক করে, কে কত তেল উৎপাদন করবে। উৎপাদন কমলে বৈশ্বিক সরবরাহ কমে দাম বাড়ে আর উৎপাদন বাড়লে দাম কমে।
অন্যদিকে ওপেক প্লাস তুলনামূলক বিস্তৃত জোট। ২০১৬ সালে এটি গড়ে ওঠে। এতে ওপেকের বাইরে থাকা রাশিয়া, কাজাখস্তান, আজারবাইজানসহ আরও কয়েকটি বড় তেল উৎপাদক দেশ রয়েছে। এই জোটও উৎপাদন নীতি সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে প্রভাব তৈরি করে। মূলত ওপেকের সম্প্রসারিত রূপ ওপেক প্লাস।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৩ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৫ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৫ ঘণ্টা আগে