ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধানের স্বীকারোক্তি
স্ট্রিম ডেস্ক

গাজায় চলমান যুদ্ধে প্রাণহানির ভয়াবহ চিত্র স্বীকার করলেন ইসরায়েলর সাবেক সেনাপ্রধান হারজি হালেভি। তাঁর ভাষ্য, প্রায় দুই বছর ধরে চলা অভিযানে গাজার প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনেরও বেশি নিহত বা আহত হয়েছেন। এই সংখ্যা ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যায়, যা এতদিন ইসরায়েল বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
দক্ষিণ ইসরায়েলের আইন হাবেসোরে এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সাবেক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারজি হালেভি বলেন, ‘গাজায় মোট ২২ লাখ মানুষ। এদের মধ্যে ১০ শতাংশের বেশি আজ নিহত বা আহত। অর্থাৎ দুই লাখেরও বেশি মানুষ। এটি কোনো কোমল যুদ্ধ নয়’
হালেভির দেওয়া এই সংখ্যা ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবের সঙ্গে মিলে যায়। মন্ত্রণালয় বলছে, এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি অভিযানে ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং এক লাখ ৬৪ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বারবার এই পরিসংখ্যানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন মন্ত্রণালয়, হামাসের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে।
সৌদি গ্যাজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হালেভি বক্তব্যটি গত মঙ্গলবার দিলেও তা ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় সপ্তাহান্তে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বক্তব্যের অডিও প্রকাশ করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনও অডিও সংগ্রহ করে এবং এক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে যাচাই করে তথ্য নিশ্চিত করেছে। হালেভি যুদ্ধের প্রথম ১৭ মাস ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ছিলেন।
এদিকে, সাবেক সেনাপ্রধান হালেভির এই বক্তব্যের ব্যাপারে আইডিএফ-এর এক মুখপাত্র বলেন, ‘বন্ধ ঘরে দেওয়া কোনো বক্তব্য নিয়ে আমরা মন্তব্য করব না’
হালেভি ২০২৪ সালের মার্চে সেনাবাহিনীর ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন। তাঁর প্রতি অভিযোগ ছিল যে তিনি হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলা ঠেকাতে পারেননি। হালেভি জানান, সেনাবাহিনীর প্রধান আইন কর্মকর্তা তাঁর কোনো সামরিক পদক্ষেপে কখনোই বাধা দেননি। ডানপন্থিদের অভিযোগ, ওই আইন কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইয়িফাত টোমার-ইয়েরুশালমি নাকি আইনি সীমাবদ্ধতা দিয়ে যুদ্ধ জয়ের পথে বাধা দিয়েছেন।

গাজায় চলমান যুদ্ধে প্রাণহানির ভয়াবহ চিত্র স্বীকার করলেন ইসরায়েলর সাবেক সেনাপ্রধান হারজি হালেভি। তাঁর ভাষ্য, প্রায় দুই বছর ধরে চলা অভিযানে গাজার প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনেরও বেশি নিহত বা আহত হয়েছেন। এই সংখ্যা ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যায়, যা এতদিন ইসরায়েল বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
দক্ষিণ ইসরায়েলের আইন হাবেসোরে এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সাবেক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারজি হালেভি বলেন, ‘গাজায় মোট ২২ লাখ মানুষ। এদের মধ্যে ১০ শতাংশের বেশি আজ নিহত বা আহত। অর্থাৎ দুই লাখেরও বেশি মানুষ। এটি কোনো কোমল যুদ্ধ নয়’
হালেভির দেওয়া এই সংখ্যা ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবের সঙ্গে মিলে যায়। মন্ত্রণালয় বলছে, এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি অভিযানে ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং এক লাখ ৬৪ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বারবার এই পরিসংখ্যানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন মন্ত্রণালয়, হামাসের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে।
সৌদি গ্যাজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হালেভি বক্তব্যটি গত মঙ্গলবার দিলেও তা ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় সপ্তাহান্তে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বক্তব্যের অডিও প্রকাশ করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনও অডিও সংগ্রহ করে এবং এক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে যাচাই করে তথ্য নিশ্চিত করেছে। হালেভি যুদ্ধের প্রথম ১৭ মাস ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ছিলেন।
এদিকে, সাবেক সেনাপ্রধান হালেভির এই বক্তব্যের ব্যাপারে আইডিএফ-এর এক মুখপাত্র বলেন, ‘বন্ধ ঘরে দেওয়া কোনো বক্তব্য নিয়ে আমরা মন্তব্য করব না’
হালেভি ২০২৪ সালের মার্চে সেনাবাহিনীর ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন। তাঁর প্রতি অভিযোগ ছিল যে তিনি হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলা ঠেকাতে পারেননি। হালেভি জানান, সেনাবাহিনীর প্রধান আইন কর্মকর্তা তাঁর কোনো সামরিক পদক্ষেপে কখনোই বাধা দেননি। ডানপন্থিদের অভিযোগ, ওই আইন কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইয়িফাত টোমার-ইয়েরুশালমি নাকি আইনি সীমাবদ্ধতা দিয়ে যুদ্ধ জয়ের পথে বাধা দিয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ থেকে ১৫০ সেনা আহত হয়। কিন্তু দেশটির সামরিক বাহিনী আহতের এ খবর চেপে রাখে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
২১ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
২১ ঘণ্টা আগে