স্ট্রিম ডেস্ক

আগামী শুক্রবার (১৫ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন অঙ্গরাজ্য আলাস্কায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ড ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়া থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে আলাস্কায় অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে কী কী হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
এরই মধ্যে আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, রাশিয়া কাছ থেকে ইউক্রেনের ‘সমুদ্র উপকূলের জমি’ ফেরত আনব।
এমন ঘোষণা দিলেও কিছু এলাকা ইউক্রেনকে ছাড়তে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইউক্রেনকে সীমান্ত পুনর্নির্ধারণ মেনে নিতে হবে।
তিনি জানান, আমরা সীমান্তের রেখা বদলাব, যুদ্ধের সীমারেখা বদলাব। ইউক্রেনের একটি বড় অংশ দখল করে আছে রাশিয়া। তারা খুব মূল্যবান কিছু এলাকা দখল করেছে। আমরা চেষ্টা করব সেই এলাকার কিছুটা ইউক্রেনকে ফেরত দিতে। তারা মূলত যা নিয়েছে—রিয়েল এস্টেটের ভাষায় যাকে ‘সমুদ্র উপকূলের জমি’ বলি। আর সেটা সবসময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পত্তি।
তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি গত কয়েকদিন থেকেই বলে আসছেন, দেশটির কোনও ভূখণ্ড ছাড়তে রাজি নন। তার এমন বক্তব্যেরও সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যুদ্ধ শেষ করতে হলে জমি বিনিময়ের করতেই হবে।
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ হতে পারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
শুক্রবার যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট পুতিন বৈঠকে বসবেন, তখন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আলোচনা হতে পারে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ট্রাম্পের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করতে পারেন পুতিন। এমনটি ধারণা করছে মার্কিনভিত্তিক থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ)।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৮৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (আইএনএফ) চুক্তি সই করেছিল। যাতে স্বল্প ও মধ্য-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র—যা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে—এর বিস্তার সীমিত করার কথা বলা হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৯ সালে প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে এই চুক্তি থেকে সরিয়ে নেন। রাশিয়ার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। তবে মস্কো নিজেও আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসে চলতি বছর ৪ আগস্ট।
আইএসডব্লিউ সোমবার জানায়, পুতিন আলাস্কায় বৈঠকে ট্রাম্পকে নতুন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারেন।
আইএসডব্লিউ তাদের ইউক্রেন যুদ্ধবিষয়ক দৈনিক ব্রিফিংয়ে লিখেছে, `২০২১ সালের জুনে জেনেভায় পুতিন ও বাইডেনের মধ্যে হওয়া সম্মেলন মূলত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হয়েছিল। ইউক্রেনকে প্রায় উপেক্ষা করেছিল তারা। যদিও তখন ইউক্রেন সীমান্তে ঘাঁটি গেড়েছিল রুশ বাহিনী। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে আইএনএফ চুক্তি লঙ্ঘন করেছে এবং এই চুক্তিতে নিষিদ্ধ স্বল্প ও মধ্য-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার ও উৎপাদন প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে।’

আগামী শুক্রবার (১৫ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন অঙ্গরাজ্য আলাস্কায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ড ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়া থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে আলাস্কায় অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে কী কী হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
এরই মধ্যে আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, রাশিয়া কাছ থেকে ইউক্রেনের ‘সমুদ্র উপকূলের জমি’ ফেরত আনব।
এমন ঘোষণা দিলেও কিছু এলাকা ইউক্রেনকে ছাড়তে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইউক্রেনকে সীমান্ত পুনর্নির্ধারণ মেনে নিতে হবে।
তিনি জানান, আমরা সীমান্তের রেখা বদলাব, যুদ্ধের সীমারেখা বদলাব। ইউক্রেনের একটি বড় অংশ দখল করে আছে রাশিয়া। তারা খুব মূল্যবান কিছু এলাকা দখল করেছে। আমরা চেষ্টা করব সেই এলাকার কিছুটা ইউক্রেনকে ফেরত দিতে। তারা মূলত যা নিয়েছে—রিয়েল এস্টেটের ভাষায় যাকে ‘সমুদ্র উপকূলের জমি’ বলি। আর সেটা সবসময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পত্তি।
তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি গত কয়েকদিন থেকেই বলে আসছেন, দেশটির কোনও ভূখণ্ড ছাড়তে রাজি নন। তার এমন বক্তব্যেরও সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যুদ্ধ শেষ করতে হলে জমি বিনিময়ের করতেই হবে।
অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ হতে পারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
শুক্রবার যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট পুতিন বৈঠকে বসবেন, তখন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আলোচনা হতে পারে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ট্রাম্পের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করতে পারেন পুতিন। এমনটি ধারণা করছে মার্কিনভিত্তিক থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ)।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৮৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (আইএনএফ) চুক্তি সই করেছিল। যাতে স্বল্প ও মধ্য-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র—যা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে—এর বিস্তার সীমিত করার কথা বলা হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৯ সালে প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে এই চুক্তি থেকে সরিয়ে নেন। রাশিয়ার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। তবে মস্কো নিজেও আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসে চলতি বছর ৪ আগস্ট।
আইএসডব্লিউ সোমবার জানায়, পুতিন আলাস্কায় বৈঠকে ট্রাম্পকে নতুন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির প্রস্তাব দিতে পারেন।
আইএসডব্লিউ তাদের ইউক্রেন যুদ্ধবিষয়ক দৈনিক ব্রিফিংয়ে লিখেছে, `২০২১ সালের জুনে জেনেভায় পুতিন ও বাইডেনের মধ্যে হওয়া সম্মেলন মূলত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হয়েছিল। ইউক্রেনকে প্রায় উপেক্ষা করেছিল তারা। যদিও তখন ইউক্রেন সীমান্তে ঘাঁটি গেড়েছিল রুশ বাহিনী। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে আইএনএফ চুক্তি লঙ্ঘন করেছে এবং এই চুক্তিতে নিষিদ্ধ স্বল্প ও মধ্য-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার ও উৎপাদন প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে।’

রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে এবার ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। ‘শত্রু দেশ’ উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে সামরিক ড্রোন পাঠানোর ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব চুক্তি অনুমোদন করায় দেশটিতে পূর্বনির্ধারিত সামরিক হামলা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
১৪ ঘণ্টা আগে
খার্গ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলা হলে ‘দৃঢ়, বিধ্বংসী ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানারহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখলের হুমকির জবাবে এমন প্রতিক্রিয়া দেখাল ইরান।
১৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘ভবিষ্যতে খার্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো নিজেদের কবজায় নেব। আমরা দেশটির তেল ও গ্যাস বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেব, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলায় করেছি।’
১৮ ঘণ্টা আগে