স্ট্রিম ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় কাতার এলএনজি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ভারত ও ইউরোপে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে এবং গ্যাসের দাম একলাফে ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন স্থগিত করায় বিশ্ববাজারে সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে ভারতীয় কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের শীর্ষ গ্যাস আমদানিকারক পেট্রোনেট এলএনজি এবং রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা গেইল ইতিমধ্যে তাদের গ্রাহকদের এ সরবরাহের ঘাটতি সম্পর্কে অবহিত করেছে।
ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এলএনজি ক্রেতা এবং দেশটি আমদানির জন্য মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। দেশটি কাতার ও আবুধাবির অন্যতম প্রধান গ্রাহক। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইন্ডিয়ান অয়েল ও গেইল স্পট মার্কেট থেকে চড়া দামে গ্যাস কেনার পরিকল্পনা করছে, যদিও বিমা ও পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। গত সোমবার কাতারের মেসায়িদ শিল্প শহর ও রাস লাফানের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পর কাতার এনার্জি উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
এদিকে ইউরোপের বাজারেও গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী। ইউরোপীয় বেঞ্চমার্ক হিসেবে পরিচিত ডাচ টিটিএফ গ্যাসের দাম আজ সকালে ৩৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর আগে গত সোমবারও দাম একলাফে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। কাতার বিশ্ববাজারের প্রায় ২০ শতাংশ এলএনজি সরবরাহ করে থাকে। ফলে এ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় শেয়ারবাজারগুলোতেও আজ দরপতন লক্ষ করা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে তাঁদের সামরিক অভিযান নির্ধারিত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের চেয়ে আরও বেশি দীর্ঘ হতে পারে। অন্যদিকে তেহরান ও তাদের মিত্ররা পাল্টা জবাবে ইসরায়েল এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটি ও তেল-গ্যাস স্থাপনায় আঘাত হানছে। কূটনৈতিক কোনো তৎপরতা দৃশ্যমান না থাকায় এ সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় কাতার এলএনজি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ভারত ও ইউরোপে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে এবং গ্যাসের দাম একলাফে ৩০ শতাংশ বেড়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন স্থগিত করায় বিশ্ববাজারে সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে ভারতীয় কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের শীর্ষ গ্যাস আমদানিকারক পেট্রোনেট এলএনজি এবং রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা গেইল ইতিমধ্যে তাদের গ্রাহকদের এ সরবরাহের ঘাটতি সম্পর্কে অবহিত করেছে।
ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এলএনজি ক্রেতা এবং দেশটি আমদানির জন্য মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। দেশটি কাতার ও আবুধাবির অন্যতম প্রধান গ্রাহক। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইন্ডিয়ান অয়েল ও গেইল স্পট মার্কেট থেকে চড়া দামে গ্যাস কেনার পরিকল্পনা করছে, যদিও বিমা ও পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। গত সোমবার কাতারের মেসায়িদ শিল্প শহর ও রাস লাফানের জ্বালানি স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পর কাতার এনার্জি উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
এদিকে ইউরোপের বাজারেও গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী। ইউরোপীয় বেঞ্চমার্ক হিসেবে পরিচিত ডাচ টিটিএফ গ্যাসের দাম আজ সকালে ৩৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর আগে গত সোমবারও দাম একলাফে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। কাতার বিশ্ববাজারের প্রায় ২০ শতাংশ এলএনজি সরবরাহ করে থাকে। ফলে এ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় শেয়ারবাজারগুলোতেও আজ দরপতন লক্ষ করা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে তাঁদের সামরিক অভিযান নির্ধারিত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের চেয়ে আরও বেশি দীর্ঘ হতে পারে। অন্যদিকে তেহরান ও তাদের মিত্ররা পাল্টা জবাবে ইসরায়েল এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটি ও তেল-গ্যাস স্থাপনায় আঘাত হানছে। কূটনৈতিক কোনো তৎপরতা দৃশ্যমান না থাকায় এ সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশের সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী ৫ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) ‘চোয়ে হিয়ন’ থেকে ‘স্ট্র্যাটেজিক’ বা কৌশলগত ক্রুজ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ পরিদর্শন করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সম্প্রতি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জেরে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে ক্ষোভ সৃষ্টি হওয়ার পর তিনি এই দুঃখ প্রকাশ করেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র যেসব সৈন্যকে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত বলে উল্লেখ করছে, তাদের মধ্যে কিছু সেনা ইরানের হাতে আটক অবস্থায় আছে বলে দাবি করেছেন ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই দাবি অস্বীকার করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার আট দিন পেরিয়ে নবম দিনে গড়িয়েছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) সারা দিনের যুদ্ধের সবশেষ আপডেট পড়ুন স্ট্রিমের লাইভ ফিডে।
১০ ঘণ্টা আগে