স্ট্রিম ডেস্ক

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অন্য দেশের কাছে থাকলে ইরানের কাছে না থাকাটা অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অঞ্চলের অন্যান্য দেশের কাছে যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তবে ইরানের কাছে তা না থাকাটা ‘অন্যায়’।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে বুধবার ট্রাম্প এক প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন। এই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধে সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারকটি আলোচনার মূল কেন্দ্রে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বহনকারী বিমান এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে নামার পর ট্রাম্পকে এক সাংবাদিক প্রশ্নটি করেন। তিনি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকাকে সমর্থন করা নিয়ে ট্রাম্পের কাছে জানতে চান।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলতে চেয়েছি, আমরা বিষয়টি বুঝি। যদি অন্য দেশের কাছে এটা (ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র) থাকে, এটা কিছুটা অন্যায় যে ইরানের থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যা (পারমাণবিক অস্ত্র) নিয়ে কথা বলছি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সেটা নয়। যদি সৌদি আরব-কাতারের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, আমি বলতে চাই, প্রাসঙ্গিক অনুপাতে এটা ইরানের কাছে থাকা ঠিক আছে বলে মনে করি।’
ট্রাম্পের এই অবস্থান ইরানে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময়ের বিপরীত। হামলার পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে ট্রাম্প তখন বলেছিলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য বড় হুমকি। এমনকি ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাতে পারে বলেও দাবি তুলেছিলেন তিনি।
ইরানে ৪০ দিনের হামলায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অন্যতম লক্ষ্যও ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গুড়িয়ে দেওয়া। পুরো সময়জুড়ে ক্রমাগত হামলা হয় ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারগুলোতে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য সাড়ে তিন মাস আগের অবস্থানের অনেকটা বিপরীত। যুদ্ধ থামাতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের যে প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে সেখানেও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সীমিত করার কোনো আলাপ দেখা যায়নি।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অন্য দেশের কাছে থাকলে ইরানের কাছে না থাকাটা অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অঞ্চলের অন্যান্য দেশের কাছে যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তবে ইরানের কাছে তা না থাকাটা ‘অন্যায়’।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে বুধবার ট্রাম্প এক প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন। এই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধে সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারকটি আলোচনার মূল কেন্দ্রে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বহনকারী বিমান এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে নামার পর ট্রাম্পকে এক সাংবাদিক প্রশ্নটি করেন। তিনি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকাকে সমর্থন করা নিয়ে ট্রাম্পের কাছে জানতে চান।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলতে চেয়েছি, আমরা বিষয়টি বুঝি। যদি অন্য দেশের কাছে এটা (ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র) থাকে, এটা কিছুটা অন্যায় যে ইরানের থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যা (পারমাণবিক অস্ত্র) নিয়ে কথা বলছি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সেটা নয়। যদি সৌদি আরব-কাতারের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, আমি বলতে চাই, প্রাসঙ্গিক অনুপাতে এটা ইরানের কাছে থাকা ঠিক আছে বলে মনে করি।’
ট্রাম্পের এই অবস্থান ইরানে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময়ের বিপরীত। হামলার পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে ট্রাম্প তখন বলেছিলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য বড় হুমকি। এমনকি ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাতে পারে বলেও দাবি তুলেছিলেন তিনি।
ইরানে ৪০ দিনের হামলায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অন্যতম লক্ষ্যও ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গুড়িয়ে দেওয়া। পুরো সময়জুড়ে ক্রমাগত হামলা হয় ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারগুলোতে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য সাড়ে তিন মাস আগের অবস্থানের অনেকটা বিপরীত। যুদ্ধ থামাতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের যে প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে সেখানেও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সীমিত করার কোনো আলাপ দেখা যায়নি।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
.png)

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি বাহিনীর সামরিক ক্যাম্পে হুথিদের হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত ও ৫০ জন সেনা আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
৩০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘বিপুল পরিমাণ’ গোলাবারুদ রয়েছে দাবি করে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার খবর নাকচ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একসঙ্গে এ ধরনের তথ্যদাতাদের ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তাদের খুঁজে বের করে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছাতে চান বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক পদক্ষেপের পথও খোলা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। বুধবার লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বরং একটি চুক্তি করতে চাই, কারণ আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না।’
৯ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য গ্রহণযোগ্য একটি নতুন নৌপথ নির্ধারণে ইরান ও ওমান চূড়ান্ত সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দুই দেশ এখনও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। খবর দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
১১ ঘণ্টা আগে