স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘বিপুল পরিমাণ’ গোলাবারুদ রয়েছে দাবি করে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার খবর নাকচ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একসঙ্গে এ ধরনের তথ্যদাতাদের ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তাদের খুঁজে বের করে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও অস্ত্র উৎপাদন করা হচ্ছে এবং সেগুলো বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রতিরক্ষা কারখানা ও উৎপাদন কেন্দ্র এখন নির্মাণ করা হচ্ছে।’
একই পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘এই রাষ্ট্রদ্রোহী, তথ্য ফাঁসকারীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। তাদের দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময় এল, যখন একাধিক মার্কিন গণমাধ্যম ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার পরিকল্পনা থেকে ট্রাম্প প্রশাসন সরে এসেছে বলে দাবি করেছে।
ট্রাম্পের এ হুমকির মধ্যেই ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত সপ্তাহে মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে আলোচনা করেন ট্রাম্প। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, অস্ত্রের এই ঘাটতি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিকল্প সীমিত করে দিয়েছে।
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম) ব্যবহার করে ফেলেছে। পাশাপাশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুতেরও প্রায় অর্ধেক শেষ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের শুরু থেকে থাড ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন বাহিনী। এ কারণে পেন্টাগনের গোলাবারুদের মজুত এখন ‘বিপজ্জনকভাবে কম’ পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে একাধিক সূত্রের বরাত দিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। একই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন।
তবে ওয়াশিংটন পোস্ট, রয়টার্স ও সিএনএনের এসব প্রতিবেদন নাকচ করেছে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন। ট্রাম্পের নতুন দাবির আগেই পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেছিলেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘বিপুল পরিমাণ’ গোলাবারুদ রয়েছে দাবি করে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার খবর নাকচ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একসঙ্গে এ ধরনের তথ্যদাতাদের ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তাদের খুঁজে বের করে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও অস্ত্র উৎপাদন করা হচ্ছে এবং সেগুলো বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রতিরক্ষা কারখানা ও উৎপাদন কেন্দ্র এখন নির্মাণ করা হচ্ছে।’
একই পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘এই রাষ্ট্রদ্রোহী, তথ্য ফাঁসকারীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। তাদের দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময় এল, যখন একাধিক মার্কিন গণমাধ্যম ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার পরিকল্পনা থেকে ট্রাম্প প্রশাসন সরে এসেছে বলে দাবি করেছে।
ট্রাম্পের এ হুমকির মধ্যেই ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত সপ্তাহে মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে আলোচনা করেন ট্রাম্প। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, অস্ত্রের এই ঘাটতি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিকল্প সীমিত করে দিয়েছে।
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম) ব্যবহার করে ফেলেছে। পাশাপাশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুতেরও প্রায় অর্ধেক শেষ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের শুরু থেকে থাড ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন বাহিনী। এ কারণে পেন্টাগনের গোলাবারুদের মজুত এখন ‘বিপজ্জনকভাবে কম’ পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে একাধিক সূত্রের বরাত দিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। একই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন।
তবে ওয়াশিংটন পোস্ট, রয়টার্স ও সিএনএনের এসব প্রতিবেদন নাকচ করেছে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন। ট্রাম্পের নতুন দাবির আগেই পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেছিলেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
.png)

ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছাতে চান বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক পদক্ষেপের পথও খোলা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। বুধবার লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বরং একটি চুক্তি করতে চাই, কারণ আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না।’
৬ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য গ্রহণযোগ্য একটি নতুন নৌপথ নির্ধারণে ইরান ও ওমান চূড়ান্ত সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দুই দেশ এখনও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। খবর দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
৮ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে করাচিতে বিক্ষোভ করেছে তাঁর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরে পিটিআইয়ের সিন্ধ শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মাসরুরসহ বেশ কয়েক নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আটটি বড় তেল কোম্পানি সবশেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) সম্মিলিতভাবে প্রায় ৯ হাজার ৩০০ কোটি ডলার মুনাফা করেছে। আগের বছরের একই সময়ে এই মুনাফার পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ডলারের কাছাকাছি।
১ দিন আগে