স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য গ্রহণযোগ্য একটি নতুন নৌপথ নির্ধারণে ইরান ও ওমান চূড়ান্ত সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দুই দেশ এখনও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। খবর দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহনের নৌপথটিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এরপর থেকে আছে উত্থান-পতনের মধ্যে।
ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধের আগে উন্মুক্ত জলপথ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রণালিটির ওপর তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তাঁরা ছেড়ে দেবে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে বলেন, দুই পক্ষ প্রস্তাবিত নৌপথ নিয়ে একমত হয়েছে। কোনো তৃতীয় পক্ষের বাধা না এলে মূল বিষয়গুলো নিয়ে যৌথ বিবৃতির খসড়া এখন চূড়ান্ত পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
এর আগে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজ ইরানের উপকূলসংলগ্ন একটি চ্যানেল ব্যবহার করবে। অন্যদিকে উপসাগর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জাহাজ চলবে ওমানের উপকূলঘেঁষা পৃথক একটি চ্যানেল দিয়ে।
জাহাজ চলাচলে কোনো টোল আরোপ করা হবে কি না, সে বিষয়ে ইসমাইল বাঘাই সরাসরি কিছু বলেননি। তবে ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, টোল নয়, বরং একটি ‘সেবা ফি’ রাখা হবে। এই অর্থ পরিবেশগত প্রভাব মোকাবিলা, জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনবল নিয়োগের ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করা হবে। এ থেকে প্রাপ্ত আয় ইরান ও ওমান সমানভাবে ভাগ করে নেবে বলেও তাঁরা জানান।
এদিকে আলোচনার সঙ্গে পরিচিত এক আঞ্চলিক কূটনীতিক বলেছেন, সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচকরা নিবিড়ভাবে কাজ করছেন এবং ইতিবাচক ফলের আশা করছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা সোমবার ইরানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ইরানের বক্তব্য সঠিক নয়। প্রণালিতে নৌপথ ব্যবহারের জন্য ইরানের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। পাশাপাশি কোনো ধরনের টোলও আরোপ করা হবে না।
তবে ওমান সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য গ্রহণযোগ্য একটি নতুন নৌপথ নির্ধারণে ইরান ও ওমান চূড়ান্ত সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দুই দেশ এখনও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। খবর দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এতে বৈশ্বিক জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহনের নৌপথটিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এরপর থেকে আছে উত্থান-পতনের মধ্যে।
ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধের আগে উন্মুক্ত জলপথ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রণালিটির ওপর তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তাঁরা ছেড়ে দেবে না।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে বলেন, দুই পক্ষ প্রস্তাবিত নৌপথ নিয়ে একমত হয়েছে। কোনো তৃতীয় পক্ষের বাধা না এলে মূল বিষয়গুলো নিয়ে যৌথ বিবৃতির খসড়া এখন চূড়ান্ত পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
এর আগে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজ ইরানের উপকূলসংলগ্ন একটি চ্যানেল ব্যবহার করবে। অন্যদিকে উপসাগর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জাহাজ চলবে ওমানের উপকূলঘেঁষা পৃথক একটি চ্যানেল দিয়ে।
জাহাজ চলাচলে কোনো টোল আরোপ করা হবে কি না, সে বিষয়ে ইসমাইল বাঘাই সরাসরি কিছু বলেননি। তবে ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, টোল নয়, বরং একটি ‘সেবা ফি’ রাখা হবে। এই অর্থ পরিবেশগত প্রভাব মোকাবিলা, জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনবল নিয়োগের ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করা হবে। এ থেকে প্রাপ্ত আয় ইরান ও ওমান সমানভাবে ভাগ করে নেবে বলেও তাঁরা জানান।
এদিকে আলোচনার সঙ্গে পরিচিত এক আঞ্চলিক কূটনীতিক বলেছেন, সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচকরা নিবিড়ভাবে কাজ করছেন এবং ইতিবাচক ফলের আশা করছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা সোমবার ইরানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ইরানের বক্তব্য সঠিক নয়। প্রণালিতে নৌপথ ব্যবহারের জন্য ইরানের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। পাশাপাশি কোনো ধরনের টোলও আরোপ করা হবে না।
তবে ওমান সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
.png)

ইউরোপের দুটি দেশে অজ্ঞাতনামা ড্রোন দেখা যাওয়ায় নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বুলগেরিয়ায় ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। জার্মানির একটি সামরিক ঘাঁটির ওপর দুটি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটল।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় বিরল খনিজ স্ক্যান্ডিয়ামের একটি খনিতে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ শুক্রবার (৭ জুলাই) এই ঘোষণা দেয়।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দিলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে এ কথা জানান তিনি। আরাঘচি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ পুনরায় খোলার সম্ভাবনা নেই।
৪ ঘণ্টা আগে
বহু বছর পর অং সান সু চির ছবি প্রকাশ করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। একইসঙ্গে তাঁকে একজন বিদেশি প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি জান্তার নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত নয়, বরং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার কৌশলের অংশ।
৬ ঘণ্টা আগে