স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টোকিওতে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি তাকাইচির সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অঙ্গীকারকে স্বাগত জানিয়ে বাণিজ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজ সরবরাহ চুক্তিতে সই করেন।
মঙ্গলবারের বৈঠকে ট্রাম্প তাকাইচির প্রশংসা করে বলেন, তিনি ‘অসাধারণ নেতা’ হবেন। হোয়াইট হাউসের তথ্যমতে, তাকাইচি ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান।
তাকাইচি হলেন প্রয়াত জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। এবারের আলোচনায় তিনি ৫৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের প্রস্তাবও দেন। এর মধ্যে জাহাজ নির্মাণ, এবং মার্কিন সয়াবিন, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পিকআপ ট্রাক ক্রয় বৃদ্ধির পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই উদ্যোগগুলো ট্রাম্পের সম্ভাব্য চাপ কমাতে পারে, যেখানে তিনি জাপানকে চীনের আগ্রাসন ঠেকাতে আরও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানাতে পারতেন। তবে তাকাইচি ইতিমধ্যেই জিডিপির ২ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আকাসাকা প্রাসাদে ছবি তোলার সময় ট্রাম্প হাসতে হাসতে বলেন, ‘এটা খুব শক্তিশালী করমর্দন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিনজোসহ অনেকের কাছ থেকে শুনেছি, আপনি মহান প্রধানমন্ত্রী হবেন। আর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার এই অর্জন সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ।’
তাকাইচি ট্রাম্পকে উপহার দেন শিনজো আবের ব্যবহৃত পাটার, জাপানি গলফ তারকা হিদেকি মাতসুয়ামার স্বাক্ষরিত গলফ ব্যাগ এবং স্বর্ণপাতা মোড়ানো গলফ বল।
ট্রাম্প সর্বশেষ এই প্রাসাদে এসেছিলেন ২০১৯ সালে, শিনজো আবের সঙ্গে বৈঠকের জন্য। পরে ২০২২ সালে আবেকে হত্যা করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ চুক্তি
বৈঠকে ট্রাম্প জাপানের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তাকাইচি বলেন, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড এবং ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘটাতে ট্রাম্পের ভূমিকা ছিল ‘অভূতপূর্ব’।
তিনি বলেন, ‘খুব অল্প সময়ে বিশ্ব আরও শান্তি উপভোগ করতে শুরু করেছে। আমি নিজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে গভীরভাবে মুগ্ধ ও অনুপ্রাণিত।’
এরপর দুই নেতা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মাটি উপাদানের সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো চীনের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং উভয় দেশের শিল্পক্ষেত্রে এসব কাঁচামালের সরবরাহ নিরাপদ করা।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চুক্তির উদ্দেশ্য হলো উভয় দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল উপাদানের সরবরাহ চেইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’ এতে স্থায়ী চুম্বক, ব্যাটারি, অনুঘটক এবং অপটিক্যাল উপকরণের মতো পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি দূর করতে যৌথ প্রকল্প চিহ্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ট্রাম্প ও তাকাইচি পরে টোকিওর কাছাকাছি ইয়োকোসুকায় অবস্থিত মার্কিন নৌ ঘাঁটি পরিদর্শন করবেন, যেখানে বিমানবাহী জাহাজ ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন অবস্থান করছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক উপস্থিতির অন্যতম প্রতীক।
টোকিওতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ায় যাবেন। সেখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধের অবসান নিয়ে আলোচনা করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টোকিওতে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি তাকাইচির সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অঙ্গীকারকে স্বাগত জানিয়ে বাণিজ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজ সরবরাহ চুক্তিতে সই করেন।
মঙ্গলবারের বৈঠকে ট্রাম্প তাকাইচির প্রশংসা করে বলেন, তিনি ‘অসাধারণ নেতা’ হবেন। হোয়াইট হাউসের তথ্যমতে, তাকাইচি ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান।
তাকাইচি হলেন প্রয়াত জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। এবারের আলোচনায় তিনি ৫৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের প্রস্তাবও দেন। এর মধ্যে জাহাজ নির্মাণ, এবং মার্কিন সয়াবিন, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পিকআপ ট্রাক ক্রয় বৃদ্ধির পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই উদ্যোগগুলো ট্রাম্পের সম্ভাব্য চাপ কমাতে পারে, যেখানে তিনি জাপানকে চীনের আগ্রাসন ঠেকাতে আরও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানাতে পারতেন। তবে তাকাইচি ইতিমধ্যেই জিডিপির ২ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আকাসাকা প্রাসাদে ছবি তোলার সময় ট্রাম্প হাসতে হাসতে বলেন, ‘এটা খুব শক্তিশালী করমর্দন।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিনজোসহ অনেকের কাছ থেকে শুনেছি, আপনি মহান প্রধানমন্ত্রী হবেন। আর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার এই অর্জন সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ।’
তাকাইচি ট্রাম্পকে উপহার দেন শিনজো আবের ব্যবহৃত পাটার, জাপানি গলফ তারকা হিদেকি মাতসুয়ামার স্বাক্ষরিত গলফ ব্যাগ এবং স্বর্ণপাতা মোড়ানো গলফ বল।
ট্রাম্প সর্বশেষ এই প্রাসাদে এসেছিলেন ২০১৯ সালে, শিনজো আবের সঙ্গে বৈঠকের জন্য। পরে ২০২২ সালে আবেকে হত্যা করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ চুক্তি
বৈঠকে ট্রাম্প জাপানের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তাকাইচি বলেন, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড এবং ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘটাতে ট্রাম্পের ভূমিকা ছিল ‘অভূতপূর্ব’।
তিনি বলেন, ‘খুব অল্প সময়ে বিশ্ব আরও শান্তি উপভোগ করতে শুরু করেছে। আমি নিজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে গভীরভাবে মুগ্ধ ও অনুপ্রাণিত।’
এরপর দুই নেতা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মাটি উপাদানের সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো চীনের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং উভয় দেশের শিল্পক্ষেত্রে এসব কাঁচামালের সরবরাহ নিরাপদ করা।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চুক্তির উদ্দেশ্য হলো উভয় দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল উপাদানের সরবরাহ চেইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’ এতে স্থায়ী চুম্বক, ব্যাটারি, অনুঘটক এবং অপটিক্যাল উপকরণের মতো পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি দূর করতে যৌথ প্রকল্প চিহ্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ট্রাম্প ও তাকাইচি পরে টোকিওর কাছাকাছি ইয়োকোসুকায় অবস্থিত মার্কিন নৌ ঘাঁটি পরিদর্শন করবেন, যেখানে বিমানবাহী জাহাজ ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন অবস্থান করছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক উপস্থিতির অন্যতম প্রতীক।
টোকিওতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ায় যাবেন। সেখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধের অবসান নিয়ে আলোচনা করবেন।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৪ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৬ ঘণ্টা আগে