leadT1ad

লন্ডন থেকে লরিতে ফ্রান্সে পাচারের সময় ২৩ বাংলাদেশি উদ্ধার

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫: ০২
একটি লরি থেকে ২৩ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্য থেকে লরিতে করে ফ্রান্সে পাচারের সময় ২৩ বাংলাদেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে ব্রিটিশ ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ)।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন পাচারকারী হিসেবে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে, এনসিএ’র টহল দল তিনটি ট্যাক্সিতে ২৩ জনকে লন্ডন থেকে হোয়াইটস্টেবল এলাকার কাছে কোথাও নেওয়া হচ্ছে দেখে। ওই যাত্রীর সবাই বাংলাদেশি ছিল। পরে তাঁদেরকে ডোবার ফেরি বন্দরমুখী একটি লরিতে তোলা হয়। পথে এনসিএ কর্মকর্তারা লরিটি আটকায়। এসময় লরি থেকে নগদ প্রায় ৩০ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ডও জব্দ করা হয়। আর ২৩ বাংলাদেশিকে উদ্ধার, তিন ট্যাক্সি ও এক লরিচালক এবং চক্রের নেতাকে আটক করা হয়। পরে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) আটক পাঁচজনকে আদালতে তোলা হয়।

এদের মধ্যে লন্ডনের ওয়াটস গ্রোভের সোহেল আহমেদ (৪৩), হারবোর্ড স্কয়ারের রবিউল ইসলামের (৪৯) বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তা এবং অর্থপাচারের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এছাড়া সাউথহোল্ড রোডের কাসিম জান (৫৪), টার্লিং স্ট্রিটের শামীম আহমেদ (৪৭) এবং যুক্তরাজ্যে স্থায়ী ঠিকানাহীন ইউক্রেনে জন্মগ্রহণকারী রোমানিয়ান পাসপোর্টধারী ইভান গারাগার (৩১) বিরুদ্ধেও অবৈধ অভিবাসনে সহযোগিতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

চক্রটির বিরুদ্ধে সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ফ্রান্সে প্রবেশের বিধিনিষেধ এড়িয়ে লরিতে করে পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশিদের অবৈধভাবে যুক্তরাজ্য থেকে বাইরে পাঠানোয় জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

এই ব্যাপারে এনসিএ শাখা কমান্ডার সাজু শশীকুমার বলেন, মানবপাচারে জড়িত চক্রগুলো যাদেরকে পাচার করে তাদের জীবন যেমন ঝুঁকিতে ফেলে, তেমনি এটি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

এর আগে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে এনসিএ’র জারি করা এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, এ অপরাধী চক্রগুলো যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের অবৈধভাবে আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহারের জন্য লরি (এইচজিভি) চালকদের নিয়োগ দিয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত