ঢাকার আশেপাশেই এমন অনেক সুন্দর জায়গা আছে, যেখানে সকালে গিয়ে সারাদিন ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায়।
স্ট্রিম ডেস্ক

ঈদের ছুটি এলেই অনেকেই ঢাকার বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতে চান। কেউ পাহাড়ে যেতে চান, কেউ আবার সমুদ্র দেখতে চান। কিন্তু সময় বা সুযোগের অভাবে অনেক সময় দূরে যাওয়া সম্ভব হয় না।
তবে চিন্তার কিছু নেই। ঢাকার আশেপাশেই এমন অনেক সুন্দর জায়গা আছে, যেখানে সকালে গিয়ে সারাদিন ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায়।
যান্ত্রিক কোলাহল থেকে দূরে, সবুজে ঘেরা কোনো শান্ত পরিবেশে সময় কাটাতে চাইলে পরিবারের সবাইকে যেতে পারেন জিন্দা পার্ক।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত এই পার্কটি সম্পূর্ণ স্থানীয়দের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে। বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই পার্কের ভেতরে রয়েছে অসংখ্য গাছপালা, দৃষ্টিনন্দন জলাশয়, ছোট ছোট কাঠের ব্রিজ এবং দারুণ স্থাপত্যশৈলীর একটি পাঠাগার।

পরিবার নিয়ে পিকনিক করা বা সারা দিন প্রকৃতির বুকে নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য জিন্দা পার্ক একটি আদর্শ জায়গা। মাটির ঘরের আদলে তৈরি এখানকার রেস্তোরাঁয় দেশীয় খাবারের ব্যবস্থাও বেশ ভালো।
প্রকৃতি আর বন্যপ্রাণী দেখতে চাইলে যেতে পারেন গাজীপুর সাফারি পার্কে। গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নে ইন্দ্রপুরে অবস্থিত ৪ হাজার ৯০৯ একর জমির মধ্যে ৩ হাজার ৮১৯ একর জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠে গাজীপুর সাফারি পার্ক। থাইল্যান্ডের সাফারি ওয়ার্ল্ডের অনুকরণে তৈরি সাফারি পার্কটি ২০১৩ সালে চালু হয়। এই পার্কটি কোর সাফারি, বায়োডাইভার্সিটি সাফারি, সাফারি কিংডম, এক্সটেনসিভ এশিয়ান সাফারি ও স্কয়ার সাফারি এই পাঁচটি অংশে বিভক্ত। এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ কোর সাফারি। রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়াবার জন্য সাফারি পার্ক একটি আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান।

সাধারণ চিড়িয়াখানার চেয়ে এর ধারণাটি একেবারে ভিন্ন। এখানে প্রাণীরা খাঁচায় বন্দি থাকে না। বিশাল উন্মুক্ত জঙ্গলে তারা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায়। দর্শনার্থীরা সুরক্ষিত মাইক্রোবাস বা জিপে বসে বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক, জিরাফসহ নানা ধরনের বন্যপ্রাণী একদম কাছ থেকে দেখার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন। এ ছাড়া ভেতরে রয়েছে চমৎকার পাখিশালা, প্রজাপতি পার্ক এবং শিশুদের জন্য আলাদা প্লে-জোন।
ইতিহাস ও পুরোনো স্থাপত্য দেখতে চাইলে যেতে পারেন সোনারগাঁওয়ের পানাম সিটিতে। ঢাকা থেকে মাত্র ২–৩ ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত ঐতিহাসিক সোনারগাঁও একসময় বাংলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো পানাম সিটি। সারি সারি পুরোনো লাল ইটের দালান, নিপুণ কারুকাজ আর মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া সরু রাস্তা আপনাকে মুহূর্তেই নিয়ে যাবে কয়েক শ বছর আগের জমিদারদের যুগে।
পানাম সিটির খুব কাছেই রয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর। সেখানে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকজ শিল্পকর্ম ও কারুপল্লী দেখার সুযোগ রয়েছে।
ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে অনায়াসেই কেরানিগঞ্জের দর্শনীয় স্থানগুলো থেকে ঘুরে আসা যায়।
কেরানীগঞ্জের অন্যতম জনপ্রিয় ঘোরাঘুরির জায়গা হলো ‘সারিঘাট’। মূলত আইন্তা এবং আড়াকুল—এই দুই গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা শান্ত খালের একটি নির্দিষ্ট অংশই দর্শনার্থীদের কাছে সারিঘাট নামে পরিচিতি পেয়েছে।
খালের দুই পাড় ঘেঁষে থাকা সারি সারি কড়ইগাছ জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এখানকার নয়নাভিরাম দৃশ্য যেমন আপনার মনে প্রশান্তি এনে দেবে, তেমনি রোমাঞ্চপ্রেমীদের জন্য রয়েছে কায়াকিং আর নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানোর চমৎকার সুযোগ।

সারিঘাটের পাশাপাশি কেরানীগঞ্জের আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো ছিপছিপে কালীগঙ্গা নদী। নদীর শান্ত ও স্নিগ্ধ রূপ উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে হজরতপুর এলাকায়। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ থেকে এর দূরত্ব মাত্র সাত কিলোমিটারের মতো। বেড়িবাঁধ থেকে একটি অটোরিকশা রিজার্ভ করে খুব সহজেই হযরতপুরের ঢালিকান্দী, পাড়াগ্রাম কিংবা মধুরচর এলাকায় ঘুরে আসা যায়।
নদীর বাতাসে প্রাণ জুড়ানোর পাশাপাশি হজরতপুর ঘাট থেকে কালীগঙ্গায় নৌ-ভ্রমণেরও দারুণ ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি চাইলে বন্ধুবান্ধব বা পরিবার নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ভাড়া করে সারা দিন নদীর বুকে ভেসে ভেসে ঈদের ছুটিটা দারুণভাবে উপভোগ করতে পারেন।
ঢাকার কাছে বসে সমুদ্রের খানিকটা বিশালতা উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে চলে যেতে হবে ঢাকার দোহারের মৈনট ঘাটে। পদ্মার সুবিশাল জলরাশি আর বিস্তৃত বালুচরের কারণে এই জায়গাটি দর্শনার্থীদের কাছে ‘মিনি কক্সবাজার’ নামেই বেশি পরিচিত।

ঈদের বিকেলে স্পিডবোট বা ট্রলারে করে পদ্মার বুকে ঘুরে বেড়ানো এবং সূর্যাস্ত দেখার দৃশ্য সত্যিই মনোরম। এ ছাড়া নদীর পাড়ে বসে পদ্মার তাজা ইলিশ ভাজা দিয়ে দুপুরের খাবার খাওয়ার লোভনীয় সুযোগ তো থাকছেই।
ঢাকার খুব কাছেই প্রকৃতির অপরূপ সান্নিধ্য পেতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। লাল মাটির এই ক্যাম্পাসটি সারা বছরই দর্শনার্থীদের কাছে দারুণ আকর্ষণীয়। সবুজে ঘেরা বিশাল এই ক্যাম্পাসের আঁকাবাঁকা পিচঢালা পথ, সারি সারি গাছ আর অসংখ্য ছোট-বড় লেক মুহূর্তেই মন ভালো করে দেয়।
ছুটির দিনে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ক্যাম্পাসের উন্মুক্ত সবুজ চত্বরে সময় কাটানো যায়। ঘোরাঘুরির পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বটতলার সুস্বাদু নানা পদের ভর্তা-ভাত কিংবা টারজান পয়েন্টের চটপটির স্বাদ নিতে ভোলেন না ভোজনরসিক দর্শনার্থীরা।

ঈদের ছুটি এলেই অনেকেই ঢাকার বাইরে কোথাও ঘুরতে যেতে চান। কেউ পাহাড়ে যেতে চান, কেউ আবার সমুদ্র দেখতে চান। কিন্তু সময় বা সুযোগের অভাবে অনেক সময় দূরে যাওয়া সম্ভব হয় না।
তবে চিন্তার কিছু নেই। ঢাকার আশেপাশেই এমন অনেক সুন্দর জায়গা আছে, যেখানে সকালে গিয়ে সারাদিন ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায়।
যান্ত্রিক কোলাহল থেকে দূরে, সবুজে ঘেরা কোনো শান্ত পরিবেশে সময় কাটাতে চাইলে পরিবারের সবাইকে যেতে পারেন জিন্দা পার্ক।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত এই পার্কটি সম্পূর্ণ স্থানীয়দের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে। বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই পার্কের ভেতরে রয়েছে অসংখ্য গাছপালা, দৃষ্টিনন্দন জলাশয়, ছোট ছোট কাঠের ব্রিজ এবং দারুণ স্থাপত্যশৈলীর একটি পাঠাগার।

পরিবার নিয়ে পিকনিক করা বা সারা দিন প্রকৃতির বুকে নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য জিন্দা পার্ক একটি আদর্শ জায়গা। মাটির ঘরের আদলে তৈরি এখানকার রেস্তোরাঁয় দেশীয় খাবারের ব্যবস্থাও বেশ ভালো।
প্রকৃতি আর বন্যপ্রাণী দেখতে চাইলে যেতে পারেন গাজীপুর সাফারি পার্কে। গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নে ইন্দ্রপুরে অবস্থিত ৪ হাজার ৯০৯ একর জমির মধ্যে ৩ হাজার ৮১৯ একর জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠে গাজীপুর সাফারি পার্ক। থাইল্যান্ডের সাফারি ওয়ার্ল্ডের অনুকরণে তৈরি সাফারি পার্কটি ২০১৩ সালে চালু হয়। এই পার্কটি কোর সাফারি, বায়োডাইভার্সিটি সাফারি, সাফারি কিংডম, এক্সটেনসিভ এশিয়ান সাফারি ও স্কয়ার সাফারি এই পাঁচটি অংশে বিভক্ত। এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ কোর সাফারি। রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়াবার জন্য সাফারি পার্ক একটি আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান।

সাধারণ চিড়িয়াখানার চেয়ে এর ধারণাটি একেবারে ভিন্ন। এখানে প্রাণীরা খাঁচায় বন্দি থাকে না। বিশাল উন্মুক্ত জঙ্গলে তারা স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায়। দর্শনার্থীরা সুরক্ষিত মাইক্রোবাস বা জিপে বসে বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক, জিরাফসহ নানা ধরনের বন্যপ্রাণী একদম কাছ থেকে দেখার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন। এ ছাড়া ভেতরে রয়েছে চমৎকার পাখিশালা, প্রজাপতি পার্ক এবং শিশুদের জন্য আলাদা প্লে-জোন।
ইতিহাস ও পুরোনো স্থাপত্য দেখতে চাইলে যেতে পারেন সোনারগাঁওয়ের পানাম সিটিতে। ঢাকা থেকে মাত্র ২–৩ ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত ঐতিহাসিক সোনারগাঁও একসময় বাংলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো পানাম সিটি। সারি সারি পুরোনো লাল ইটের দালান, নিপুণ কারুকাজ আর মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া সরু রাস্তা আপনাকে মুহূর্তেই নিয়ে যাবে কয়েক শ বছর আগের জমিদারদের যুগে।
পানাম সিটির খুব কাছেই রয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর। সেখানে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকজ শিল্পকর্ম ও কারুপল্লী দেখার সুযোগ রয়েছে।
ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে অনায়াসেই কেরানিগঞ্জের দর্শনীয় স্থানগুলো থেকে ঘুরে আসা যায়।
কেরানীগঞ্জের অন্যতম জনপ্রিয় ঘোরাঘুরির জায়গা হলো ‘সারিঘাট’। মূলত আইন্তা এবং আড়াকুল—এই দুই গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা শান্ত খালের একটি নির্দিষ্ট অংশই দর্শনার্থীদের কাছে সারিঘাট নামে পরিচিতি পেয়েছে।
খালের দুই পাড় ঘেঁষে থাকা সারি সারি কড়ইগাছ জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এখানকার নয়নাভিরাম দৃশ্য যেমন আপনার মনে প্রশান্তি এনে দেবে, তেমনি রোমাঞ্চপ্রেমীদের জন্য রয়েছে কায়াকিং আর নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানোর চমৎকার সুযোগ।

সারিঘাটের পাশাপাশি কেরানীগঞ্জের আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো ছিপছিপে কালীগঙ্গা নদী। নদীর শান্ত ও স্নিগ্ধ রূপ উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে হজরতপুর এলাকায়। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ থেকে এর দূরত্ব মাত্র সাত কিলোমিটারের মতো। বেড়িবাঁধ থেকে একটি অটোরিকশা রিজার্ভ করে খুব সহজেই হযরতপুরের ঢালিকান্দী, পাড়াগ্রাম কিংবা মধুরচর এলাকায় ঘুরে আসা যায়।
নদীর বাতাসে প্রাণ জুড়ানোর পাশাপাশি হজরতপুর ঘাট থেকে কালীগঙ্গায় নৌ-ভ্রমণেরও দারুণ ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি চাইলে বন্ধুবান্ধব বা পরিবার নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ভাড়া করে সারা দিন নদীর বুকে ভেসে ভেসে ঈদের ছুটিটা দারুণভাবে উপভোগ করতে পারেন।
ঢাকার কাছে বসে সমুদ্রের খানিকটা বিশালতা উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে চলে যেতে হবে ঢাকার দোহারের মৈনট ঘাটে। পদ্মার সুবিশাল জলরাশি আর বিস্তৃত বালুচরের কারণে এই জায়গাটি দর্শনার্থীদের কাছে ‘মিনি কক্সবাজার’ নামেই বেশি পরিচিত।

ঈদের বিকেলে স্পিডবোট বা ট্রলারে করে পদ্মার বুকে ঘুরে বেড়ানো এবং সূর্যাস্ত দেখার দৃশ্য সত্যিই মনোরম। এ ছাড়া নদীর পাড়ে বসে পদ্মার তাজা ইলিশ ভাজা দিয়ে দুপুরের খাবার খাওয়ার লোভনীয় সুযোগ তো থাকছেই।
ঢাকার খুব কাছেই প্রকৃতির অপরূপ সান্নিধ্য পেতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। লাল মাটির এই ক্যাম্পাসটি সারা বছরই দর্শনার্থীদের কাছে দারুণ আকর্ষণীয়। সবুজে ঘেরা বিশাল এই ক্যাম্পাসের আঁকাবাঁকা পিচঢালা পথ, সারি সারি গাছ আর অসংখ্য ছোট-বড় লেক মুহূর্তেই মন ভালো করে দেয়।
ছুটির দিনে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ক্যাম্পাসের উন্মুক্ত সবুজ চত্বরে সময় কাটানো যায়। ঘোরাঘুরির পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বটতলার সুস্বাদু নানা পদের ভর্তা-ভাত কিংবা টারজান পয়েন্টের চটপটির স্বাদ নিতে ভোলেন না ভোজনরসিক দর্শনার্থীরা।

ঈদের সকালে অনেকের ঘুম ভাঙে বাবার পাঞ্জাবিতে দেওয়া আতরের গন্ধে। নতুন পাঞ্জাবি পরে, আতর মেখে ঈদের নামাজে যান পরিবারের পুরুষ সদস্যরা। ছোট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, সবার গায়েই থাকে এই পরিচিত পোশাকটি।
১৮ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ঈদ পালনে পরিবর্তন এসেছে, কতজনের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে কত প্রিয়জনের ভালবাসা। কিন্তু আজও চোখ বুজলে আমরা সেই পুরোনো স্মৃতির গন্ধ পাই। এ কারণে ঈদের সঙ্গে সুগন্ধির সম্পর্কটি ভীষণ পবিত্র। এবারের ঈদে কেমন সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন তা নিয়েই আজকের লেখা।
১ দিন আগে
কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলামের নতুন উপন্যাস ‘বাদলের কারাবাস’ প্রকাশিত হয়েছে। নিছক গল্পের সীমানা ছাড়িয়ে বইটি হয়ে উঠেছে এক নির্দোষ তরুণের দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি বন্দিজীবনের করুণ আলেখ্য।
২ দিন আগে
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানি পোশাকের চাহিদা বেশ বেড়েছে। সাধারণ সুতি পোশাক থেকে শুরু করে জরি বা ভারী কাজের জামা—বিভিন্ন ধরনের পাকিস্তানি পোশাক এখন ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। প্রশ্ন হলো, এসব পোশাকের জনপ্রিয়তা কেন বাড়ছে?
২ দিন আগে