মার্কিন স্থল অভিযান
তথ্যসূত্র:

সম্ভাব্য স্থল অভিযানের খবরে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’-এর প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে, তবে কেবল ‘কফিনে’ করেই দেশে ফিরবে।
শুক্রবার মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত আরও ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন স্থল অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের জন্য আরও বেশি সামরিক শক্তি দেওয়ার লক্ষ্যেই এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বাহিনী ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলে থাকা হাজার হাজার মার্কিন ছত্রীসেনা (প্যারাট্রুপার) ও মেরিনদের সঙ্গে যোগ দেবে।
ইরানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা গত বুধবার সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থলপথে কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে তেহরান ইয়েমেনে তাদের হুথি মিত্রদের পুরোদমে সক্রিয় করার মাধ্যমে এর জবাব দেবে। হুথিদের লোহিত সাগরে পুনরায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য ধারাবাহিকভাবে বলে আসছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে স্থলবাহিনী পাঠানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই। তবে এই বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনাকে ঠিক কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা এখনো অস্পষ্ট। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, খুব সহজেই ইরানের মূল ভূখণ্ড ও তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল ‘খার্গ দ্বীপে’ দ্রুত হামলা চালানো সম্ভব হবে এমন জায়গাতেই সৈন্যদের মোতায়েন করা হতে পারে।
এদিকে, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার জন্য বেঁধে দেওয়া সময়সীমা আপাতত স্থগিত করেছেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা ‘খুবই ভালোভাবে এগোচ্ছে’।

সম্ভাব্য স্থল অভিযানের খবরে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’-এর প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে, তবে কেবল ‘কফিনে’ করেই দেশে ফিরবে।
শুক্রবার মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত আরও ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন স্থল অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের জন্য আরও বেশি সামরিক শক্তি দেওয়ার লক্ষ্যেই এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বাহিনী ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলে থাকা হাজার হাজার মার্কিন ছত্রীসেনা (প্যারাট্রুপার) ও মেরিনদের সঙ্গে যোগ দেবে।
ইরানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা গত বুধবার সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থলপথে কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে তেহরান ইয়েমেনে তাদের হুথি মিত্রদের পুরোদমে সক্রিয় করার মাধ্যমে এর জবাব দেবে। হুথিদের লোহিত সাগরে পুনরায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য ধারাবাহিকভাবে বলে আসছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে স্থলবাহিনী পাঠানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই। তবে এই বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনাকে ঠিক কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা এখনো অস্পষ্ট। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, খুব সহজেই ইরানের মূল ভূখণ্ড ও তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল ‘খার্গ দ্বীপে’ দ্রুত হামলা চালানো সম্ভব হবে এমন জায়গাতেই সৈন্যদের মোতায়েন করা হতে পারে।
এদিকে, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার জন্য বেঁধে দেওয়া সময়সীমা আপাতত স্থগিত করেছেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা ‘খুবই ভালোভাবে এগোচ্ছে’।

ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে সোমবার হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের দাবি, হামলার জবাবে একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তাঁরা। ইরান যুদ্ধ স্থায়ী বন্ধে চলমান আলোচনার মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি। খবর রয়টার্সের
৩ ঘণ্টা আগে
গত এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান আরও জোরদার করেছে ইসরায়েল। দেশটির বাহিনী লিতানি নদী পেরিয়ে এখন নাবাতিয়েহ শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছে গেছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেউফোর্ট দুর্গও তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনিতে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা বিস্ফোরক গুদামে বিস্ফোরণে অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (৩১ মে) চীন সীমান্তের কাছে নামখাম টাউনশিপের কাউংটুপ গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চুক্তির সম্ভবনা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কৌশল ও ইমেজকে চরম বিপাকে ফেলেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে