স্ট্রিম ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ার সিদোয়ারজোতে একটি ইসলামি বোর্ডিং স্কুলের নামাজঘর ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ধসের পর থেকে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, ভারী যন্ত্রপাতি ও হাতের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শনিবার ও রবিবার ৩৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়। এখনও অন্তত ১৩ জন নিখোঁজ বলে জানানো হয়েছে।
ধসে পড়া দোতলা ভবনটি ছিল সিদোয়ারজোর শত বছরের পুরোনো আল খোজিনি স্কুলের। এখানে শতাধিক শিক্ষার্থী ছিল, যাদের বয়স ছিল ১২ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে। দুর্ঘটনায় আহত ৯৭ জনকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত ৬ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
পুলিশ প্রশাসনের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়া ভবনের উপরে আরও দুটি তলা নির্মাণ করছিল। এতে এর কাঠামো দুর্বল হয়ে পুরো ভবন ধসে পড়ে। নির্মাণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিকল্পিত নির্মাণই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ।
সিদোয়ারজো জেলার প্রধান সুবান্দি স্বীকার করেছেন, গ্রামীণ এলাকায় অনেক স্কুল ভবন অনুমতি ছাড়াই তৈরি হয়। অথচ আইন অনুযায়ী নির্মাণ শুরুর আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এ ধরনের অবহেলায় মৃত্যু ঘটলে সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে।
স্কুলের তত্ত্বাবধায়ক ও স্থানীয় ধর্মীয় নেতা আবদুস সালাম মুজিব দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি আল্লাহর ইচ্ছা, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।’
তবে পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় খতিয়ে দেখা হবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অবহেলা কতটা দায়ী ছিল।

ইন্দোনেশিয়ার সিদোয়ারজোতে একটি ইসলামি বোর্ডিং স্কুলের নামাজঘর ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ধসের পর থেকে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা বলেছে, ভারী যন্ত্রপাতি ও হাতের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শনিবার ও রবিবার ৩৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়। এখনও অন্তত ১৩ জন নিখোঁজ বলে জানানো হয়েছে।
ধসে পড়া দোতলা ভবনটি ছিল সিদোয়ারজোর শত বছরের পুরোনো আল খোজিনি স্কুলের। এখানে শতাধিক শিক্ষার্থী ছিল, যাদের বয়স ছিল ১২ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে। দুর্ঘটনায় আহত ৯৭ জনকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত ৬ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
পুলিশ প্রশাসনের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়া ভবনের উপরে আরও দুটি তলা নির্মাণ করছিল। এতে এর কাঠামো দুর্বল হয়ে পুরো ভবন ধসে পড়ে। নির্মাণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিকল্পিত নির্মাণই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ।
সিদোয়ারজো জেলার প্রধান সুবান্দি স্বীকার করেছেন, গ্রামীণ এলাকায় অনেক স্কুল ভবন অনুমতি ছাড়াই তৈরি হয়। অথচ আইন অনুযায়ী নির্মাণ শুরুর আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এ ধরনের অবহেলায় মৃত্যু ঘটলে সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে।
স্কুলের তত্ত্বাবধায়ক ও স্থানীয় ধর্মীয় নেতা আবদুস সালাম মুজিব দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি আল্লাহর ইচ্ছা, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।’
তবে পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় খতিয়ে দেখা হবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অবহেলা কতটা দায়ী ছিল।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৫ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে