ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের পক্ষ থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার পর গত মাসে গোপনে তুরস্ক ছেড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নির্ধারিত এয়ারফোর্স ওয়ানের পরিবর্তে ছোট একটি সামরিক উড়োজাহাজে করে তুরস্ক ছাড়েন। সোমবার (১০ আগস্ট) এ খবর প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।
নাম প্রকাশ না করে একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট জানান, গত ৮ জুলাই বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সম্মেলন শেষে ব্রিটেনে যাওয়ার আগে আঙ্কারায় একটি বিশেষ গোপন অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় ট্রাম্পকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতে দেখা গেলেও কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁকে গোপনে একটি ছোট বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ কাজে বিমানবন্দরের একটি খাবার সরবরাহের (ক্যাটারিং) কন্টেইনার ব্যবহার করা হয়।
এ অভিযান অত্যান্ত গোপনীয়তার সঙ্গে করা হয়। সেসময় সাংবাদিকদের পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের কর্মীদের থেকেও ট্রাম্পের প্রকৃত অবস্থান গোপন রাখা হয়েছিল।
এর আগে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, তুরস্কে যাওয়ার সময় তিনি কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন। তবে ফেরার সময় সেটির পরিবর্তে তিনি ‘পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান’ ব্যবহার করবেন।
ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রাম্পের এই সফরই ছিল নতুন বিমানটির প্রথম আন্তর্জাতিক যাত্রা। সফরটি এমন এক সময়ে হয়, যখন ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাড়ছিল। অন্যদিকে, তুরস্কের সঙ্গে ইরানের সীমান্ত রয়েছে। পোস্ট জানিয়েছে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানি মদদপুষ্ট প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর হুমকির কারণেই শেষ মুহূর্তে এই প্রতারণামূলক অভিযান চালানো হয়।
আঙ্কারা থেকে ফেরা সেই পুরোনো উড়োজাহাজে থাকা সাংবাদিকদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—যা সাধারণত কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই করা হয়। এই ঘটনাটি নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেয়।
ট্রাম্পকে বহনকারী সি-৩২এ বিমানটি ব্রিটেনের উদ্দেশে উড়ে যায়। পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১০টা ২০ মিনিটে বিমানটি সেখানে পৌঁছায়। এর কয়েক মিনিট পর পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ও সংবাদমাধ্যমের সদস্যরাও সেখানে পৌঁছান। তবে ট্রাম্পকে সি-৩২এ থেকে কীভাবে আবার পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে নেওয়া হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। পরে তাঁকে ওই পুরোনো বিমান থেকেই নামতে দেখা যায়।
ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের সিঁড়ি দিয়ে নামেন। সাংবাদিকদের দিকে তিনি শান্তির প্রতীক দেখান এবং মার্কিন সেনাসদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
তৃতীয় একটি বিমানে করে ট্রাম্পের গোপন ফ্লাইটের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর হোয়াইট হাউস যোগাযোগ পরিচালক স্টিভ চেউংয়ের এক বিবৃতিতে জানান, নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান একটি অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ, যাতে উচ্চমানের নিরাপত্তাব্যবস্থা সংযোজন করা হয়েছে। এটি প্রেসিডেন্ট ও তাঁর কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
চিউং আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি যেমনটি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শত্রু তাঁর দিকে নজর রেখে চলেছে। এসব হুমকি মোকাবিলায় আমাদের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় আমরা ব্যবহার করছি।’
নতুন এয়ারফোর্স ওয়ানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রথম প্রশ্ন ওঠার পর গত মাসেও হোয়াইট হাউস থেকে একই বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালেও একই ধরনের একটি অভিযান চালানো হয়েছিল। সে সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন একটি চিহ্নবিহীন নির্বাহী বিমানে করে পাকিস্তানে যান।

ইরানের পক্ষ থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার পর গত মাসে গোপনে তুরস্ক ছেড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নির্ধারিত এয়ারফোর্স ওয়ানের পরিবর্তে ছোট একটি সামরিক উড়োজাহাজে করে তুরস্ক ছাড়েন। সোমবার (১০ আগস্ট) এ খবর প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।
নাম প্রকাশ না করে একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট জানান, গত ৮ জুলাই বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সম্মেলন শেষে ব্রিটেনে যাওয়ার আগে আঙ্কারায় একটি বিশেষ গোপন অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় ট্রাম্পকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতে দেখা গেলেও কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁকে গোপনে একটি ছোট বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ কাজে বিমানবন্দরের একটি খাবার সরবরাহের (ক্যাটারিং) কন্টেইনার ব্যবহার করা হয়।
এ অভিযান অত্যান্ত গোপনীয়তার সঙ্গে করা হয়। সেসময় সাংবাদিকদের পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের কর্মীদের থেকেও ট্রাম্পের প্রকৃত অবস্থান গোপন রাখা হয়েছিল।
এর আগে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, তুরস্কে যাওয়ার সময় তিনি কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন। তবে ফেরার সময় সেটির পরিবর্তে তিনি ‘পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান’ ব্যবহার করবেন।
ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রাম্পের এই সফরই ছিল নতুন বিমানটির প্রথম আন্তর্জাতিক যাত্রা। সফরটি এমন এক সময়ে হয়, যখন ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাড়ছিল। অন্যদিকে, তুরস্কের সঙ্গে ইরানের সীমান্ত রয়েছে। পোস্ট জানিয়েছে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানি মদদপুষ্ট প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর হুমকির কারণেই শেষ মুহূর্তে এই প্রতারণামূলক অভিযান চালানো হয়।
আঙ্কারা থেকে ফেরা সেই পুরোনো উড়োজাহাজে থাকা সাংবাদিকদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—যা সাধারণত কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই করা হয়। এই ঘটনাটি নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেয়।
ট্রাম্পকে বহনকারী সি-৩২এ বিমানটি ব্রিটেনের উদ্দেশে উড়ে যায়। পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১০টা ২০ মিনিটে বিমানটি সেখানে পৌঁছায়। এর কয়েক মিনিট পর পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ও সংবাদমাধ্যমের সদস্যরাও সেখানে পৌঁছান। তবে ট্রাম্পকে সি-৩২এ থেকে কীভাবে আবার পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে নেওয়া হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। পরে তাঁকে ওই পুরোনো বিমান থেকেই নামতে দেখা যায়।
ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের সিঁড়ি দিয়ে নামেন। সাংবাদিকদের দিকে তিনি শান্তির প্রতীক দেখান এবং মার্কিন সেনাসদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
তৃতীয় একটি বিমানে করে ট্রাম্পের গোপন ফ্লাইটের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর হোয়াইট হাউস যোগাযোগ পরিচালক স্টিভ চেউংয়ের এক বিবৃতিতে জানান, নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান একটি অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ, যাতে উচ্চমানের নিরাপত্তাব্যবস্থা সংযোজন করা হয়েছে। এটি প্রেসিডেন্ট ও তাঁর কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
চিউং আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি যেমনটি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শত্রু তাঁর দিকে নজর রেখে চলেছে। এসব হুমকি মোকাবিলায় আমাদের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় আমরা ব্যবহার করছি।’
নতুন এয়ারফোর্স ওয়ানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রথম প্রশ্ন ওঠার পর গত মাসেও হোয়াইট হাউস থেকে একই বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালেও একই ধরনের একটি অভিযান চালানো হয়েছিল। সে সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন একটি চিহ্নবিহীন নির্বাহী বিমানে করে পাকিস্তানে যান।
.png)

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তাঁর শাসনামলের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।
২৪ মিনিট আগে
হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই অভিবাসী ও ভিসাপ্রত্যাশীদের বিষয়ে একের পর এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রেকর্ডসংখ্যক ভিসা প্রত্যাহারের ঘটনা বিদেশিদের প্রতি তার কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির সর্বশেষ নিদর্শন।
২ ঘণ্টা আগে
দশকের পর দশক ধরে চলা সংঘাত বন্ধে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) বিলুপ্তির আইনি কাঠামো তৈরি করে একটি আইন পাস করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। সোমবার (১০ আগস্ট) ৬০০ আসনের পার্লামেন্টে ৪৬৮ ভোটে আইনটি পাস হয়। খবর আলজাজিরার
৪ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের নিঝনেকামস্ক শহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৯ জন।
৬ ঘণ্টা আগে