স্ট্রিম ডেস্ক

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সাবেক বিচারপতি সুশিলা কারকি নিয়োগ পাচ্ছেন। আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
নেপালের রাষ্ট্রপতি ভবন শীতল নিবাসের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সেতুপতি। ওই সূত্রটি জানিয়েছে, সুশিলা কারকিকে আজই শপথ পড়াবেন প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাউডেল। এ জন্য শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে গতকাল সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কারকির নিয়োগ নিয়ে প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ–আলোচনা করেন।
শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পাউডেল এবং সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগডেল যৌথভাবে আলোচনা করেছেন। তাঁরা অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান হিসেবে সুশিলা কারকিকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অলিকে জানান।
এ সময় অলি প্রশ্ন করেন, ‘এটি কি সাংবিধানিক পথেই হচ্ছে? অন্যদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন?’
জবাবে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা সাংবিধানিক পথই খুঁজছি এবং সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ এরপর অলি বলেন, ‘তাহলে ঠিক আছে।’
এছাড়া, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেপালি কংগ্রেসের (এনসি) সভাপতি শেরবাহাদুর দেউবার কাছ থেকেও ফোনে পরামর্শ নেন প্রেসিডেন্ট। দেউবা বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী এটা হলে তাতে আমার সম্মতি আছে।’
কারকির নিয়োগ নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সিপিএনের (মাওবাদী কেন্দ্র) চেয়ারম্যান পুষ্পকমল দাহাল, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সিপিএনের (সমাজবাদী) চেয়ারম্যান মাধবকুমারকে শীতল নিবাসে ডেকে এনে আলোচনা করেন প্রেসিডেন্ট। একইভাবে এনসি’র সহ-সভাপতি পূর্ণবাহাদুর খাডকা ও মাওবাদী কেন্দ্রের উপমহাসচিব বর্ষমান পুনের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন তিনি।
নেতাদের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আজই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে প্রচণ্ড চাপ আছে, এই চাপ অসহনীয়। আজই নিয়োগ দিতে হবে।’ তিনি ধারাবাহিকভাবে ফোন ও বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যান।
এছাড়া, তিনি বিকেল ৪টা থেকে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের শীতল নিবাসে ডেকে আনেন এবং তাদের পরামর্শ নেন। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মধ্যে পূর্ণমান শাক্য, ভীমার্জুন আচার্য, বিপিন আধিকারী, চন্দ্রকান্ত গ্যাওয়ালি ও ললিত বসনেতের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন প্রেসিডেন্ট।
সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মত হলো—সংবিধান ও সংসদের ভেতর থেকেই সরকারপ্রধান নিয়োগের পথ বের করা উচিত। যদিও প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা সম্ভব নয়। সংবিধান সংশোধনের জন্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী অলিকে সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন করতে হতো, কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে তা বর্তমানে সম্ভব নয়।
তিনি সংবিধান বিশেষজ্ঞদের বলেন, ‘রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সংসদ ডাকা এবং সাবেক প্রধান বিচারপতি কারকিকে সাংবিধানিক পথে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। অন্যদিকে অবিলম্বে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে জেন জিদের পক্ষ থেকেও তীব্র চাপ আছে।’
পরে সংবিধান বিশেজ্ঞরা বলেন, সংকটকালে প্রেসিডেন্টই যেহেতু সংবিধানের রক্ষক। তাই সংকটকে মাথায় রেখে এবং তার ভিত্তিতে সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ উল্লেখ না করেও প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারেন প্রেসিডেন্ট।
আলোচনায় অংশ নেওয়া সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মত—‘সংবিধানের ৬১(৪) অনুচ্ছেদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব হলো সংবিধান মেনে চলা ও তা রক্ষা করা। আমাদের পরামর্শ হলো নিয়োগটি এমন একটি বাক্য, যেমন—“প্রধানমন্ত্রীকে সংবিধানের রক্ষক ও প্রয়োগকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো” ব্যবহার করে দেওয়া হোক।’
প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার চেয়ারম্যান হিসেবে কারকিকে নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা করেন। যেমন—পূর্বে অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার চেয়ারম্যান হিসেবে খিলরাজ রেগমিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া তাঁকে (কারকি) নির্বাচন আয়োজনের জন্য গঠিত অন্তর্বর্তী মন্ত্রিসভার চেয়ারপারসন বলা হবে, নাকি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হবে—তা নিয়েও আলোচনা হয়।
আলোচনায় অংশ নেওয়া এক সংবিধান বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ‘কয়েকজনের পরামর্শ ছিল, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী বলা উচিত, কারণ এটি একটি সাংবিধানিক পদ এবং প্রেসিডেন্টও এতে সম্মত হয়েছেন। তাই তাঁকে সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নিয়োগ করা হবে।’
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কারকির মূল দায়িত্ব হবে—নির্বাচন আয়োজন করা, সাম্প্রতিক আন্দোলনে তরুণদের মৃত্যুর ঘটনা ও ধ্বংসযজ্ঞ তদন্ত করা এবং তাঁকেই সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব ও নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য প্রস্তাবিত সুশিলা কারকির সঙ্গেও আলোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট পাউডেল এবং সেনাপ্রধান সিগডেল। শীতল নিবাসে তাঁরা বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বৈঠক করেন। তবে একটি সূত্র জানিয়েছেন, কারকি রাজনৈতিক দলের কোনো নেতার সঙ্গে দেখা করতে রাজি হননি।

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সাবেক বিচারপতি সুশিলা কারকি নিয়োগ পাচ্ছেন। আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
নেপালের রাষ্ট্রপতি ভবন শীতল নিবাসের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সেতুপতি। ওই সূত্রটি জানিয়েছে, সুশিলা কারকিকে আজই শপথ পড়াবেন প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাউডেল। এ জন্য শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে গতকাল সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কারকির নিয়োগ নিয়ে প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ–আলোচনা করেন।
শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির সঙ্গে প্রেসিডেন্ট পাউডেল এবং সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগডেল যৌথভাবে আলোচনা করেছেন। তাঁরা অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান হিসেবে সুশিলা কারকিকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে অলিকে জানান।
এ সময় অলি প্রশ্ন করেন, ‘এটি কি সাংবিধানিক পথেই হচ্ছে? অন্যদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন?’
জবাবে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা সাংবিধানিক পথই খুঁজছি এবং সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ এরপর অলি বলেন, ‘তাহলে ঠিক আছে।’
এছাড়া, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেপালি কংগ্রেসের (এনসি) সভাপতি শেরবাহাদুর দেউবার কাছ থেকেও ফোনে পরামর্শ নেন প্রেসিডেন্ট। দেউবা বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী এটা হলে তাতে আমার সম্মতি আছে।’
কারকির নিয়োগ নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সিপিএনের (মাওবাদী কেন্দ্র) চেয়ারম্যান পুষ্পকমল দাহাল, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সিপিএনের (সমাজবাদী) চেয়ারম্যান মাধবকুমারকে শীতল নিবাসে ডেকে এনে আলোচনা করেন প্রেসিডেন্ট। একইভাবে এনসি’র সহ-সভাপতি পূর্ণবাহাদুর খাডকা ও মাওবাদী কেন্দ্রের উপমহাসচিব বর্ষমান পুনের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন তিনি।
নেতাদের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আজই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে প্রচণ্ড চাপ আছে, এই চাপ অসহনীয়। আজই নিয়োগ দিতে হবে।’ তিনি ধারাবাহিকভাবে ফোন ও বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যান।
এছাড়া, তিনি বিকেল ৪টা থেকে সংবিধান বিশেষজ্ঞদের শীতল নিবাসে ডেকে আনেন এবং তাদের পরামর্শ নেন। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মধ্যে পূর্ণমান শাক্য, ভীমার্জুন আচার্য, বিপিন আধিকারী, চন্দ্রকান্ত গ্যাওয়ালি ও ললিত বসনেতের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন প্রেসিডেন্ট।
সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মত হলো—সংবিধান ও সংসদের ভেতর থেকেই সরকারপ্রধান নিয়োগের পথ বের করা উচিত। যদিও প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তা সম্ভব নয়। সংবিধান সংশোধনের জন্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী অলিকে সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন করতে হতো, কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে তা বর্তমানে সম্ভব নয়।
তিনি সংবিধান বিশেষজ্ঞদের বলেন, ‘রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সংসদ ডাকা এবং সাবেক প্রধান বিচারপতি কারকিকে সাংবিধানিক পথে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। অন্যদিকে অবিলম্বে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে জেন জিদের পক্ষ থেকেও তীব্র চাপ আছে।’
পরে সংবিধান বিশেজ্ঞরা বলেন, সংকটকালে প্রেসিডেন্টই যেহেতু সংবিধানের রক্ষক। তাই সংকটকে মাথায় রেখে এবং তার ভিত্তিতে সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ উল্লেখ না করেও প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারেন প্রেসিডেন্ট।
আলোচনায় অংশ নেওয়া সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মত—‘সংবিধানের ৬১(৪) অনুচ্ছেদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব হলো সংবিধান মেনে চলা ও তা রক্ষা করা। আমাদের পরামর্শ হলো নিয়োগটি এমন একটি বাক্য, যেমন—“প্রধানমন্ত্রীকে সংবিধানের রক্ষক ও প্রয়োগকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো” ব্যবহার করে দেওয়া হোক।’
প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার চেয়ারম্যান হিসেবে কারকিকে নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা করেন। যেমন—পূর্বে অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার চেয়ারম্যান হিসেবে খিলরাজ রেগমিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া তাঁকে (কারকি) নির্বাচন আয়োজনের জন্য গঠিত অন্তর্বর্তী মন্ত্রিসভার চেয়ারপারসন বলা হবে, নাকি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হবে—তা নিয়েও আলোচনা হয়।
আলোচনায় অংশ নেওয়া এক সংবিধান বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ‘কয়েকজনের পরামর্শ ছিল, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী বলা উচিত, কারণ এটি একটি সাংবিধানিক পদ এবং প্রেসিডেন্টও এতে সম্মত হয়েছেন। তাই তাঁকে সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নিয়োগ করা হবে।’
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কারকির মূল দায়িত্ব হবে—নির্বাচন আয়োজন করা, সাম্প্রতিক আন্দোলনে তরুণদের মৃত্যুর ঘটনা ও ধ্বংসযজ্ঞ তদন্ত করা এবং তাঁকেই সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব ও নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য প্রস্তাবিত সুশিলা কারকির সঙ্গেও আলোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট পাউডেল এবং সেনাপ্রধান সিগডেল। শীতল নিবাসে তাঁরা বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বৈঠক করেন। তবে একটি সূত্র জানিয়েছেন, কারকি রাজনৈতিক দলের কোনো নেতার সঙ্গে দেখা করতে রাজি হননি।
.png)

ভারতে কয়েক দশক ধরে চলা মাওবাদি বিদ্রোহ অনেকটাই নির্মূল করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে আন্দোলনটির আদর্শিক সমর্থকদের কাছ থেকে এখনো হুমকি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
৬ মিনিট আগে
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়। বিভিন্ন এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়। খবর রয়টার্স
৫ ঘণ্টা আগে-ba9dc7.jpg)
আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পাঁচ বছরে বদলে গেছে নারী ও মেয়েদের জীবন। শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা ও চলাফেরাসহ নানা ক্ষেত্রে তাঁদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইউনেস্কোর হিসাবে, বর্তমানে দেশটির প্রায় ২৪ লাখ মেয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ শেষে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলীয় প্রচার সভায় এ কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধে ইরান শোচনীয়ভাবে পরাজিত হচ্ছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমরা আনুষ্ঠানিকভাব
৯ ঘণ্টা আগে