স্ট্রিম ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় বৈঠকে বসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই বৈঠকে পুতিন যদি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাজি না হন তবে তাকে ‘কঠোর পরিণতি’ হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
বুধবার (১৩ আগস্ট) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিসহ ইউরোপের অন্য নেতাদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকের পর এই হুমকি দেন। বৈঠকে কোনো শান্তি চুক্তি যেন কিয়েভকে পাশ কাটিয়ে না হয় সেজন্য ট্রাম্পকে চাপ দেন জেলেনস্কি। খবর আল জাজিরার।
ট্রাম্প আগেও মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছিলেন। যদিও সেসবের কিছুই এখনো ঘটেনি। এবারও ঠিক কি পরিণতিতে পড়তে পারে মস্কো তার বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।
ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে হওয়া বৈঠককে ‘খুবই ভালো’ এবং আন্তরিক বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন যদি শুক্রবার রুশ নেতার সঙ্গে তার বৈঠকটি ভালো হয়, তবে তার পরপরই তিনিসহ পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যে একটি ত্রি-পক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তাব দেবেন।
ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, প্রথম বৈঠক থেকে যদি প্রত্যাশা অনুযায়ী উত্তর না পাই তবে দ্বিতীয় বৈঠকের প্রয়োজন নেই।
এদিকে, ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডেরিক মার্জ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো বলেছেন, শুক্রবার যদি কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে ব্যর্থ হয় রাশিয়া, তবে দেশটি কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া উচিত। আর কিয়েভকে অবশ্যই ‘জোরালো এবং বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা’ দিতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইউক্রেনে শান্তির পথ ইউক্রেনকে ছাড়া নির্ধারণ করা যাবে না এই বিষয়ে তারা নিশ্চিত। ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন এবং রাশিয়ার উপর চাপ তৈরিতে সম্মিলিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কূটনৈতিক সমাধানই ইউক্রেন এবং ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করবে।
অন্যদিকে, জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শান্তি আনার ক্ষেত্রে পুতিন ‘ধাপ্পাবাজি’ করছেন। তিনি (পুতিন) আলাস্কায় বৈঠকের আগে ইউক্রেনীয় ফ্রন্টের সব অংশে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় বৈঠকে বসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই বৈঠকে পুতিন যদি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাজি না হন তবে তাকে ‘কঠোর পরিণতি’ হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
বুধবার (১৩ আগস্ট) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিসহ ইউরোপের অন্য নেতাদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকের পর এই হুমকি দেন। বৈঠকে কোনো শান্তি চুক্তি যেন কিয়েভকে পাশ কাটিয়ে না হয় সেজন্য ট্রাম্পকে চাপ দেন জেলেনস্কি। খবর আল জাজিরার।
ট্রাম্প আগেও মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছিলেন। যদিও সেসবের কিছুই এখনো ঘটেনি। এবারও ঠিক কি পরিণতিতে পড়তে পারে মস্কো তার বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।
ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে হওয়া বৈঠককে ‘খুবই ভালো’ এবং আন্তরিক বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন যদি শুক্রবার রুশ নেতার সঙ্গে তার বৈঠকটি ভালো হয়, তবে তার পরপরই তিনিসহ পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যে একটি ত্রি-পক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তাব দেবেন।
ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, প্রথম বৈঠক থেকে যদি প্রত্যাশা অনুযায়ী উত্তর না পাই তবে দ্বিতীয় বৈঠকের প্রয়োজন নেই।
এদিকে, ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডেরিক মার্জ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো বলেছেন, শুক্রবার যদি কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে ব্যর্থ হয় রাশিয়া, তবে দেশটি কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া উচিত। আর কিয়েভকে অবশ্যই ‘জোরালো এবং বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা’ দিতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইউক্রেনে শান্তির পথ ইউক্রেনকে ছাড়া নির্ধারণ করা যাবে না এই বিষয়ে তারা নিশ্চিত। ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন এবং রাশিয়ার উপর চাপ তৈরিতে সম্মিলিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কূটনৈতিক সমাধানই ইউক্রেন এবং ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করবে।
অন্যদিকে, জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শান্তি আনার ক্ষেত্রে পুতিন ‘ধাপ্পাবাজি’ করছেন। তিনি (পুতিন) আলাস্কায় বৈঠকের আগে ইউক্রেনীয় ফ্রন্টের সব অংশে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছেন।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৯ ঘণ্টা আগে