স্ট্রিম ডেস্ক

সীমান্তে পাকিস্তানের সেনাদের সঙ্গে আফগানিস্তানের সেনাদের ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষেই হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। সীমান্তের এই গোলাগুলির সত্যতা দুই দেশের কর্তৃপক্ষই স্বীকার করেছে এবং একে অন্যকে প্রথমে গুলি শুরুর জন্য দায়ী করছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ এই ঘটনার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এর আগে দেশ দুটির মধ্যে অচলাবস্থা কাটাতে সৌদি আরবে শান্তি আলোচনা হয়। কিন্তু সেই শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই এই ঘটনা ঘটল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক জেলা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের সেনারা আক্রমণ চালিয়েছে। পরে আফগান বাহিনীকে পাল্টা জবাব দিয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাহিদি এক বিবৃতিতে বলেছেন, চামান সীমান্তে ‘বিনা উসকানিতে’ আফগান সেনারা প্রথমে গুলি চালিয়েছে। সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাকিস্তান সম্পূর্ণ সতর্ক এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে এই গোলাগুলি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই গোলাগুলি চলে।
কান্দাহার তথ্য বিভাগের প্রধান আলি মোহাম্মদ হাকমাল এএফপিকে বলেছেন, পাকিস্তানি সেনারা হালকা ও ভারি কামান দিয়ে আক্রমণ করেছে। মর্টারের গোলা সাধারণ মানুষের বাড়িতে আঘাত হেনেছে।
তিনি আরও বলেন, সংঘাত শেষ হয়েছে। উভয় পক্ষ গোলাগুলি বন্ধ করতে রাজি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে দুই দেশের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘাতে ৭০ জনের বেশি নিহত এবং কয়েক শ মানুষ আহত হন। পরে কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় দেশটির মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। কিন্তু দোহা ও ইস্তাম্বুলে কয়েক দফা আলোচনার পরও কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দেশ দুটি। আর ওই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও সীমান্তে মাঝেমধ্যেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে।

সীমান্তে পাকিস্তানের সেনাদের সঙ্গে আফগানিস্তানের সেনাদের ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষেই হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। সীমান্তের এই গোলাগুলির সত্যতা দুই দেশের কর্তৃপক্ষই স্বীকার করেছে এবং একে অন্যকে প্রথমে গুলি শুরুর জন্য দায়ী করছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ এই ঘটনার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এর আগে দেশ দুটির মধ্যে অচলাবস্থা কাটাতে সৌদি আরবে শান্তি আলোচনা হয়। কিন্তু সেই শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই এই ঘটনা ঘটল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক জেলা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের সেনারা আক্রমণ চালিয়েছে। পরে আফগান বাহিনীকে পাল্টা জবাব দিয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাহিদি এক বিবৃতিতে বলেছেন, চামান সীমান্তে ‘বিনা উসকানিতে’ আফগান সেনারা প্রথমে গুলি চালিয়েছে। সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাকিস্তান সম্পূর্ণ সতর্ক এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে এই গোলাগুলি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই গোলাগুলি চলে।
কান্দাহার তথ্য বিভাগের প্রধান আলি মোহাম্মদ হাকমাল এএফপিকে বলেছেন, পাকিস্তানি সেনারা হালকা ও ভারি কামান দিয়ে আক্রমণ করেছে। মর্টারের গোলা সাধারণ মানুষের বাড়িতে আঘাত হেনেছে।
তিনি আরও বলেন, সংঘাত শেষ হয়েছে। উভয় পক্ষ গোলাগুলি বন্ধ করতে রাজি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে দুই দেশের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘাতে ৭০ জনের বেশি নিহত এবং কয়েক শ মানুষ আহত হন। পরে কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় দেশটির মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। কিন্তু দোহা ও ইস্তাম্বুলে কয়েক দফা আলোচনার পরও কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দেশ দুটি। আর ওই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও সীমান্তে মাঝেমধ্যেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৫ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৬ ঘণ্টা আগে