মন্ত্রীর পদত্যাগে মোদির ‘দম্ভ চূর্ণ’, বিরোধী শিবিরে উচ্ছ্বাস

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১৭: ২৮
ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের খবরে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের উল্লাস। ছবি: আলজাজিরা

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল একে ‘গণতন্ত্রের বড় জয়’ অভিহিত করেছেন।

এক্স পোস্টে ভিডিওবার্তায় কেজরিওয়াল আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সবাইকে অভিনন্দন জানান।

দিল্লির সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ এবং জেন-জিকে অভিনন্দন। আপনাদের প্রচেষ্টার কারণেই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। জনগণের সম্মিলিত আওয়াজ সরকারের অহংকার চূর্ণ করে দিয়েছে। এটি গণতন্ত্রের বড় বিজয়।

কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আওয়াজ অবশেষে অহংকারী ক্ষমতার দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। এক্স পোস্টে তিনি বলেন, এটি দেশের লাখো তরুণের বিজয়। তারা শিক্ষা ব্যবস্থা ঠিক করার দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল। এটি সত্যের বিজয় এবং মোদির একগুঁয়েমির পরাজয়।

ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ও অরবিন্দ কেজরিওয়াল (বাম থেকে)। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে ও অরবিন্দ কেজরিওয়াল (বাম থেকে)। ছবি: সংগৃহীত

রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, এটি সেসব পরিবারের বিজয়, যারা এই সরকারের দুর্নীতির কারণে নিজের রক্ত ও সন্তানকে হারিয়েছে। এটি ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দলের বিজয়। তারা শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সংসদ থেকে রাজপথ পর্যন্ত আওয়াজ তুলেছে। এখন মোদির উচিত তরুণ প্রজন্মের কাছে ক্ষমা চাওয়া। যারা তাদের ওপর লাঠিচার্জ এবং গুলি চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে, কংগ্রেস নেতা ভূপিন্দর সিং হুডা বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। সরকার এই সিদ্ধান্ত আগে নিলে এতটা ক্ষতি হতো না।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সারা দেশের তরুণ প্রজন্ম পরীক্ষার ওপর আস্থা হারিয়েছে। তাই পুরো ব্যবস্থা বদলাতে হবে। একটি নতুন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস (আইএনসি) তাদের এক্সে বিবৃতিতে জানিয়েছে, মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রথম দিন থেকেই বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস পার্টি তরুণদের ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করে আসছে। রাজপথ থেকে সংসদ পর্যন্ত এই লড়াই হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে। আমাদের তরুণদের ওপর লাঠিচার্জ এবং ছররা গুলি চালানোর নির্দেশদাতা নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে হবে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Ad 300x250

সম্পর্কিত