স্ট্রিম ডেস্ক

সোদি আরব চারটি ভিন্ন স্থানে নতুন করে মোট ৭ দশমিক ৮ মিলিয়ান আউন্স (প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার কেজি) স্বর্ণের মজুতের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি মা’আদেন এই স্বর্ণ খনিগুলোর সন্ধান পায়। বিপুল পরিমাণে এ স্বর্ণ অভ্যন্তরীণভাবে খনিজ সম্পদের মজুত বৃদ্ধি ও নিজেদের বিশ্বমানের সোনা উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়তে কোম্পানিটির কার্যক্রমকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) গালফ নিউজের এক খবরে বলা হয়েছে, খনির সন্ধানে খনন কাজ করার সময় প্রাথমিকভাবে এই মজুতের পরিমাণ ৯ মিলয়ন আউন্স ধরা হয়েছিল। তবে বার্ষিক হিসাব-নিকাশের মানদণ্ড অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৮ মিলয়নে নেমে আসে।
এই স্বর্ণের বড় অংশটি রয়েছে মা’আদেনের প্রধান খনি— মনসুরাহ মাসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম এবং নতুন পাওয়া ওয়াদি আল জাও খনিতে। এর মধ্যে মনসুরাহ মাসারাহতে গত বছরের তুলনায় ৩ মিলিয়ন আউন্স মজুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া উরুক ২০/২১ এবং উম্ম আস সালাম থেকে ১ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন আউন্স এবং ওয়াদি আল জাও-তে প্রথমবারের মতো ৩ দশমিকি ০৮ মিলিয়ন আউন্স স্বর্ণের মজুত আছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মা’আদেন কোম্পানির নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, স্বর্ণের মজুতের এই সন্ধান সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ উন্মোচন এবং বিশ্বব্যাপী খনিজ উত্তোলনে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে মা’আদেনের অবস্থান শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদী কৌশলেরই প্রতিফলন।
তিনি বলেন, মজুতের এই সন্ধান পাওয়ার মধ্য দিয়ে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী কৌশল যে সফলভাবে কাজ করছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ঠিক একারণেই আমরা সৌদি আরবের স্বর্ণ ভাণ্ডারে বড় ধরনের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি।
নতুন এই স্বর্ণের মজুত কোম্পানির প্রকল্পগুলোর বিশালতা এবং ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরে উল্লেখ করে উইল্ট বলেন, চারটি এলাকায় খননের মাধ্যমে ৭ মিলিয়নেরও বেশি আউন্স স্বর্ণ পাওয়া মা’আদেনের বিস্তৃত ব্যবসার সক্ষমতারই প্রমাণ। আমাদের অনুসন্ধান ও খনি উন্নয়ন কাজ যত এগোচ্ছে, এটি তত বেশি সফল হচ্ছে। আমাদের সম্পদ বাড়ছে এবং এই প্রবৃদ্ধি সরাসরি ভবিষ্যতের নগদ অর্থ প্রবাহ তৈরিতে সহায়তা করবে।

সোদি আরব চারটি ভিন্ন স্থানে নতুন করে মোট ৭ দশমিক ৮ মিলিয়ান আউন্স (প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার কেজি) স্বর্ণের মজুতের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি মা’আদেন এই স্বর্ণ খনিগুলোর সন্ধান পায়। বিপুল পরিমাণে এ স্বর্ণ অভ্যন্তরীণভাবে খনিজ সম্পদের মজুত বৃদ্ধি ও নিজেদের বিশ্বমানের সোনা উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়তে কোম্পানিটির কার্যক্রমকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) গালফ নিউজের এক খবরে বলা হয়েছে, খনির সন্ধানে খনন কাজ করার সময় প্রাথমিকভাবে এই মজুতের পরিমাণ ৯ মিলয়ন আউন্স ধরা হয়েছিল। তবে বার্ষিক হিসাব-নিকাশের মানদণ্ড অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৮ মিলয়নে নেমে আসে।
এই স্বর্ণের বড় অংশটি রয়েছে মা’আদেনের প্রধান খনি— মনসুরাহ মাসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম এবং নতুন পাওয়া ওয়াদি আল জাও খনিতে। এর মধ্যে মনসুরাহ মাসারাহতে গত বছরের তুলনায় ৩ মিলিয়ন আউন্স মজুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া উরুক ২০/২১ এবং উম্ম আস সালাম থেকে ১ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন আউন্স এবং ওয়াদি আল জাও-তে প্রথমবারের মতো ৩ দশমিকি ০৮ মিলিয়ন আউন্স স্বর্ণের মজুত আছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মা’আদেন কোম্পানির নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, স্বর্ণের মজুতের এই সন্ধান সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ উন্মোচন এবং বিশ্বব্যাপী খনিজ উত্তোলনে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে মা’আদেনের অবস্থান শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদী কৌশলেরই প্রতিফলন।
তিনি বলেন, মজুতের এই সন্ধান পাওয়ার মধ্য দিয়ে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী কৌশল যে সফলভাবে কাজ করছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ঠিক একারণেই আমরা সৌদি আরবের স্বর্ণ ভাণ্ডারে বড় ধরনের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি।
নতুন এই স্বর্ণের মজুত কোম্পানির প্রকল্পগুলোর বিশালতা এবং ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরে উল্লেখ করে উইল্ট বলেন, চারটি এলাকায় খননের মাধ্যমে ৭ মিলিয়নেরও বেশি আউন্স স্বর্ণ পাওয়া মা’আদেনের বিস্তৃত ব্যবসার সক্ষমতারই প্রমাণ। আমাদের অনুসন্ধান ও খনি উন্নয়ন কাজ যত এগোচ্ছে, এটি তত বেশি সফল হচ্ছে। আমাদের সম্পদ বাড়ছে এবং এই প্রবৃদ্ধি সরাসরি ভবিষ্যতের নগদ অর্থ প্রবাহ তৈরিতে সহায়তা করবে।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৪ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৬ ঘণ্টা আগে