স্ট্রিম ডেস্ক

আঞ্চলিক হামলা ও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘটনায় ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে আরব দেশগুলো। এছাড়াও এসব কর্মকাণ্ডের জন্য ইরানকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় জবাবদিহির মুখোমুখি করার কথাও বলেছেন দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। খবর তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত আরব লিগের জরুরি বৈঠকে গৃহীত এক প্রস্তাবে এই অবস্থান তুলে ধরা হয়।
প্রস্তাবে বলা হয়, ইরান জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, ওমান, কাতার, কুয়েত ও ইরাকের বিরুদ্ধে চালানো হামলার পূর্ণ আন্তর্জাতিক দায় বহন করে। পাশাপাশি এসব ঘটনায় সৃষ্ট সব ধরনের ক্ষতি ও লোকসানের জন্য পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি আন্তর্জাতিক আইন ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতার পরিপন্থী। আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এসব পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানান।
বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ আল জায়ানি বলেন, এসব ঘটনায় আঞ্চলিক সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে এবং জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধের পরিণতির জন্য ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।
এর আগে এপ্রিলের শুরুতে ইরানও সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্ডানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানায়। তেহরানের অভিযোগ, এসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ে। এর পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলা চালায়।
গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ১১ এপ্রিল শান্তি আলোচনার প্রথম দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে গতকাল ২১ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আঞ্চলিক হামলা ও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘটনায় ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে আরব দেশগুলো। এছাড়াও এসব কর্মকাণ্ডের জন্য ইরানকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় জবাবদিহির মুখোমুখি করার কথাও বলেছেন দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। খবর তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত আরব লিগের জরুরি বৈঠকে গৃহীত এক প্রস্তাবে এই অবস্থান তুলে ধরা হয়।
প্রস্তাবে বলা হয়, ইরান জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, ওমান, কাতার, কুয়েত ও ইরাকের বিরুদ্ধে চালানো হামলার পূর্ণ আন্তর্জাতিক দায় বহন করে। পাশাপাশি এসব ঘটনায় সৃষ্ট সব ধরনের ক্ষতি ও লোকসানের জন্য পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি আন্তর্জাতিক আইন ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতার পরিপন্থী। আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এসব পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানান।
বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ আল জায়ানি বলেন, এসব ঘটনায় আঞ্চলিক সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে এবং জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধের পরিণতির জন্য ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।
এর আগে এপ্রিলের শুরুতে ইরানও সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্ডানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানায়। তেহরানের অভিযোগ, এসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ে। এর পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলা চালায়।
গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ১১ এপ্রিল শান্তি আলোচনার প্রথম দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে গতকাল ২১ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ান ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবের জবাব পাঠিয়েছে ইরান। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই উত্তর পাঠানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিটের কন্যাসন্তানের জন্মে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে একই সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের একটি স্কুলে মার্কিন হামলায় ১৬৮ শিশুর মৃত্যুর নির্মম স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে দেশটি।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে হামলা চালাতে ইরাকের মরুভূমিতে গোপন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছিল ইসরায়েল। মার্কিন কর্মকর্তাসহ বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন একাধিক ব্যক্তির বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
১০ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে ফতেহ খেল পুলিশ পোস্টে এই হামলা হয়। খবর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের।
১৩ ঘণ্টা আগে