স্ট্রিম সংবাদদাতা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) একটি বাণিজ্যিক ক্যাম্পেইনের ৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মওকুফ করিয়ে নিজে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রী হল সংসদের ভিপির (সহসভাপতি) বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত ছাত্রনেত্রী হলেন জাবির ফজিলতুন্নেছা হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ঐশী সরকার। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনী সংস্থার বা মাঠপর্যায়ের দায়িত্বশীলেরা দাবি করেছেন, ৬০ হাজার টাকা তারা সরাসরি ঐশী সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে ঐশী সরকার এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে অর্থ আদায় করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা যায়, ইস্পাহানি গ্রুপের পানীয় ব্র্যান্ড ‘ইসপি’–এর ‘ইসপি জুস কার্ট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পেইন-২৬’ পরিচালনার অনুমতির জন্য বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘এঢাপ কমিউনিকেশনস’–এর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন ফজিলতুন্নেছা হল সংসদের ভিপি ঐশী সরকার।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত মোট ছয় দিনের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ক্যাম্পেইন পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতিপত্রে সই করেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মাহতাব-উজ-জাহিদ।
শিক্ষার্থীরা এ ধরনের বাণিজ্যিক ক্যাম্পেইনের জন্য আবেদন করতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নে মাহতাব-উজ-জাহিদ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার ঠিক জানা নেই।’
তবে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) শাহনাজ হোসেন বলেন, ‘এর আগেও বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের জন্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করেছেন। তাই এই ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করা আছে, যেটি ব্যাংকে জমা দিতে হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, অনুমতিপত্রটি সই হয় গত ৮ জুলাই, অর্থাৎ ক্যাম্পেইন শুরুর অন্তত সাত কর্মদিবস আগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সাত কর্মদিবস আগে আবেদন করলে বাণিজ্যিক ‘অ্যাকটিভেশন’–এর জন্য দৈনিক ভেন্যু ফি নির্ধারিত ১০ হাজার টাকা। সেই হিসাবে ছয় দিনের ক্যাম্পেইনটির জন্য মোট ফি দাঁড়ায় ৬০ হাজার টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের ক্যাম্পেইনের ফি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা অগ্রণী ব্যাংকের ‘এলআর ফান্ড’–এ জমা দিতে হয়। কিন্তু সেই অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে সরাসরি ঐশী সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন ক্যাম্পেইনের মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা।
এঢাপ কমিউনিকেশনের প্রোমোটার এবং জাবি ক্যাম্পেইনের দায়িত্বে থাকা জান্নাত স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা ৬০ হাজার টাকা ওই আপুর (ঐশী) কাছে অ্যাডভান্স দিয়েছি।’
ব্যাংকে জমা না দিয়ে কেন ব্যক্তির হাতে টাকা দেওয়া হলো তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আপুর কাছে টাকা জমা দিয়েছি। আমাদের যে ফি, সেটা তো দিতেই হবে। এখন সেই আপু কী করেছে, না করেছে, সেটা তো তার ব্যাপার।’
এদিকে গত রোববার বটতলায় ক্যাম্পেইনের কার্ট থাকায় অন্য ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় বিঘ্ন ঘটে এবং সেখানে যানবাহন রাখায় সমস্যায় পড়েন শিক্ষার্থীরা। এই বিষয় নিয়ে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটিতে জড়ান ক্যাম্পেইনে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একপর্যায়ে ক্যাম্পাসের ওই শিক্ষার্থী প্রক্টরকে বিষয়টি জানালে নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তাদের পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। এ সময় অভিযুক্ত ঐশী সরকারও ঘটনাস্থলে আসেন এবং নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্ট্রিমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ঐশী সরকার টাকা দিয়ে এখানে অনুমতি নিয়েছেন বলে দাবি করেন।
ক্যাম্পেইনের অনুমতির আবেদন করার পাশাপাশি পৃথকভাবে ভেন্যু ফি মওকুফ চেয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলামের কাছে আবেদন করেন ঐশী সরকার।
রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মূল অনুমতির আবেদনটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় চললেও ফি মওকুফের আবেদনটি ঐশী সরকার সরাসরি উপ-উপাচার্যের কাছে নিয়ে যান।
সূত্রটি জানায়, ক্যাম্পেইনের মূল অনুমতির আবেদনটি উপ-উপাচার্যের দপ্তরে যাওয়ার সময়ই ঐশী সরকার আলাদাভাবে ফি মওকুফের আবেদন নিয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)–এর কাছে যান। পরে সেই আবেদন অনুমোদন করা হয়।
ফি মওকুফের বিষয়টি স্বীকার করেছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ও (ঐশী) শিক্ষার্থী হিসেবে একটা আবেদন করেছিল। কিছু কারণও বলেছিল। আবেদনটা আমি কনসিডার করেছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রসংগঠনের একাধিক সূত্র দাবি করেছে, ‘ইসপি’ কোম্পানি ক্যাম্পেইনের অনুমতির জন্য প্রথমে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এবং অর্থের প্রস্তাবও দিয়েছিল। তারা রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ঐশী সরকারের মাধ্যমে অনুমতির উদ্যোগ নেওয়া হয়। কারণ উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ফজিলতুন্নেছা হলের প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বে রয়েছেন আর ঐশী সরকার ওই হল সংসদের ভিপি।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)। হলের ভিপি হওয়ার কারণে ফি মওকুফে কোনো বিশেষ বিবেচনা করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমার হলের ভিপি বলে দিতে হবে কেন? সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্যও আমরা এটুকু করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে আমাকে বলেছিল, এখানে সে চাকরি করে। ফি মওকুফ হলে তার ক্যারিয়ার হবে। তাই শিক্ষার্থীর দিক বিবেচনা করে আমি মওকুফ করি। এখন পরে সে কী করে, কীভাবে কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়, সেটা তো আমাকে বলে না।’
ক্যাম্পেইন এবং অর্থ লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে ঐশী সরকার প্রথমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে তিনি বলেন, ‘এটা তো আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব না। প্রশাসন আমাকে অনুমতি দিয়েছে। কোম্পানির মাধ্যমে এখনো আমার কাজ চলছে। এ বিষয় নিয়ে হুট করে নাড়াচাড়া করার কারণ বুঝছি না।’
পরে ফি মওকুফের আবেদন করার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তার হাতে টাকা দেওয়া হয়েছে—এই অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
ঐশী সরকার বলেন, ‘আমার মাধ্যমে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। আমি নিট অ্যান্ড ক্লিন। আমি যোগাযোগ করি এঢাপের ম্যানেজারের সঙ্গে।’
সার্বিক বিষয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যদি কোম্পানি আমাদের লিখিতভাবে জানায় যে তারা টাকা দিয়েছিল, তাহলে আমরা সেই টাকা আদায় করে প্রশাসনের কাছে জমা দেব।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) একটি বাণিজ্যিক ক্যাম্পেইনের ৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মওকুফ করিয়ে নিজে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রী হল সংসদের ভিপির (সহসভাপতি) বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত ছাত্রনেত্রী হলেন জাবির ফজিলতুন্নেছা হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ঐশী সরকার। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনী সংস্থার বা মাঠপর্যায়ের দায়িত্বশীলেরা দাবি করেছেন, ৬০ হাজার টাকা তারা সরাসরি ঐশী সরকারের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে ঐশী সরকার এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে অর্থ আদায় করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা যায়, ইস্পাহানি গ্রুপের পানীয় ব্র্যান্ড ‘ইসপি’–এর ‘ইসপি জুস কার্ট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পেইন-২৬’ পরিচালনার অনুমতির জন্য বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘এঢাপ কমিউনিকেশনস’–এর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন ফজিলতুন্নেছা হল সংসদের ভিপি ঐশী সরকার।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত মোট ছয় দিনের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ক্যাম্পেইন পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতিপত্রে সই করেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মাহতাব-উজ-জাহিদ।
শিক্ষার্থীরা এ ধরনের বাণিজ্যিক ক্যাম্পেইনের জন্য আবেদন করতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নে মাহতাব-উজ-জাহিদ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার ঠিক জানা নেই।’
তবে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) শাহনাজ হোসেন বলেন, ‘এর আগেও বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের জন্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করেছেন। তাই এই ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করা আছে, যেটি ব্যাংকে জমা দিতে হয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, অনুমতিপত্রটি সই হয় গত ৮ জুলাই, অর্থাৎ ক্যাম্পেইন শুরুর অন্তত সাত কর্মদিবস আগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সাত কর্মদিবস আগে আবেদন করলে বাণিজ্যিক ‘অ্যাকটিভেশন’–এর জন্য দৈনিক ভেন্যু ফি নির্ধারিত ১০ হাজার টাকা। সেই হিসাবে ছয় দিনের ক্যাম্পেইনটির জন্য মোট ফি দাঁড়ায় ৬০ হাজার টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের ক্যাম্পেইনের ফি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা অগ্রণী ব্যাংকের ‘এলআর ফান্ড’–এ জমা দিতে হয়। কিন্তু সেই অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে সরাসরি ঐশী সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন ক্যাম্পেইনের মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা।
এঢাপ কমিউনিকেশনের প্রোমোটার এবং জাবি ক্যাম্পেইনের দায়িত্বে থাকা জান্নাত স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা ৬০ হাজার টাকা ওই আপুর (ঐশী) কাছে অ্যাডভান্স দিয়েছি।’
ব্যাংকে জমা না দিয়ে কেন ব্যক্তির হাতে টাকা দেওয়া হলো তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আপুর কাছে টাকা জমা দিয়েছি। আমাদের যে ফি, সেটা তো দিতেই হবে। এখন সেই আপু কী করেছে, না করেছে, সেটা তো তার ব্যাপার।’
এদিকে গত রোববার বটতলায় ক্যাম্পেইনের কার্ট থাকায় অন্য ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় বিঘ্ন ঘটে এবং সেখানে যানবাহন রাখায় সমস্যায় পড়েন শিক্ষার্থীরা। এই বিষয় নিয়ে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটিতে জড়ান ক্যাম্পেইনে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একপর্যায়ে ক্যাম্পাসের ওই শিক্ষার্থী প্রক্টরকে বিষয়টি জানালে নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তাদের পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। এ সময় অভিযুক্ত ঐশী সরকারও ঘটনাস্থলে আসেন এবং নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্ট্রিমকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ঐশী সরকার টাকা দিয়ে এখানে অনুমতি নিয়েছেন বলে দাবি করেন।
ক্যাম্পেইনের অনুমতির আবেদন করার পাশাপাশি পৃথকভাবে ভেন্যু ফি মওকুফ চেয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলামের কাছে আবেদন করেন ঐশী সরকার।
রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মূল অনুমতির আবেদনটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় চললেও ফি মওকুফের আবেদনটি ঐশী সরকার সরাসরি উপ-উপাচার্যের কাছে নিয়ে যান।
সূত্রটি জানায়, ক্যাম্পেইনের মূল অনুমতির আবেদনটি উপ-উপাচার্যের দপ্তরে যাওয়ার সময়ই ঐশী সরকার আলাদাভাবে ফি মওকুফের আবেদন নিয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)–এর কাছে যান। পরে সেই আবেদন অনুমোদন করা হয়।
ফি মওকুফের বিষয়টি স্বীকার করেছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ও (ঐশী) শিক্ষার্থী হিসেবে একটা আবেদন করেছিল। কিছু কারণও বলেছিল। আবেদনটা আমি কনসিডার করেছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রসংগঠনের একাধিক সূত্র দাবি করেছে, ‘ইসপি’ কোম্পানি ক্যাম্পেইনের অনুমতির জন্য প্রথমে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এবং অর্থের প্রস্তাবও দিয়েছিল। তারা রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ঐশী সরকারের মাধ্যমে অনুমতির উদ্যোগ নেওয়া হয়। কারণ উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ফজিলতুন্নেছা হলের প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বে রয়েছেন আর ঐশী সরকার ওই হল সংসদের ভিপি।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)। হলের ভিপি হওয়ার কারণে ফি মওকুফে কোনো বিশেষ বিবেচনা করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমার হলের ভিপি বলে দিতে হবে কেন? সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্যও আমরা এটুকু করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে আমাকে বলেছিল, এখানে সে চাকরি করে। ফি মওকুফ হলে তার ক্যারিয়ার হবে। তাই শিক্ষার্থীর দিক বিবেচনা করে আমি মওকুফ করি। এখন পরে সে কী করে, কীভাবে কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়, সেটা তো আমাকে বলে না।’
ক্যাম্পেইন এবং অর্থ লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে ঐশী সরকার প্রথমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে তিনি বলেন, ‘এটা তো আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব না। প্রশাসন আমাকে অনুমতি দিয়েছে। কোম্পানির মাধ্যমে এখনো আমার কাজ চলছে। এ বিষয় নিয়ে হুট করে নাড়াচাড়া করার কারণ বুঝছি না।’
পরে ফি মওকুফের আবেদন করার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তার হাতে টাকা দেওয়া হয়েছে—এই অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
ঐশী সরকার বলেন, ‘আমার মাধ্যমে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। আমি নিট অ্যান্ড ক্লিন। আমি যোগাযোগ করি এঢাপের ম্যানেজারের সঙ্গে।’
সার্বিক বিষয়ে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যদি কোম্পানি আমাদের লিখিতভাবে জানায় যে তারা টাকা দিয়েছিল, তাহলে আমরা সেই টাকা আদায় করে প্রশাসনের কাছে জমা দেব।’
.png)

গাজীপুর আদালতের গারদ থেকে কৌশলে পালিয়ে যাওয়া আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও ৩২ মামলার আসামি সম্রাট মন্ডলকে (২৮) ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
৪০ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার বারঘোরিয়া-বাদুরতলায় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
গত বছরের ২১ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান আছড়ে পড়ার ঘটনার কারণ হিসেবে পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের ঘাটতিকে দায়ী করেছে তদন্ত কমিশন। একইসঙ্গে, ওই পাইলটের গ্রাউন্ড সুপারভাইজার বা অফিসার কমান্ডিংয়ের নজরদারিতেও পর্যাপ্ততার অভাব ছিল বলে ত
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার শাজাহানপুরে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে রঞ্জু মিয়া (৫০) নামে একজনকে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে মো. জুবায়ের (২৫) ও শ্যালক খোরশেদ আলম (৪০) আহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে