leadT1ad

নির্বাচনের আগে নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাড়ছে: এইচআরডব্লিউ

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬: ২৪
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)

‘জুলাই অভুত্থান’ পরবর্তী বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে নির্বাচনের আগে নারী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বলেছে, এটি মানবাধিকার রক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ উদ্বেগ জানানো হয়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন এইচআরডব্লিউর নারী অধিকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক শুভজিৎ সাহা।

প্রতিবেদনে পুলিশের তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। এর জন্য ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর উসকানিমূলক বক্তব্যকে দায়ী করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, এসব গোষ্ঠী নারীদের চলাফেরা ও সামাজিক অংশগ্রহণ সীমিত করতে চাইছে।

এইচআরডব্লিউ জানায়, গত বছরের মে মাসে কট্টরপন্থীরা সরকারের লিঙ্গসমতা প্রচেষ্টার প্রতিবাদ করে। এরপর থেকে নারীরা মৌখিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। গত ডিসেম্বরে পোশাককর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া হিন্দুদের বিরুদ্ধে ৫১টি সহিংসতা ও ১০টি হত্যাকাণ্ডের তথ্য দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতনের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

রাজনীতিতে নারীদের বঞ্চনার চিত্রও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। বলা হয়, আসন্ন নির্বাচনে ৫১টি দলের মধ্যে ৩০টিতে কোনো নারী প্রার্থী নেই। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ২৭৬টি আসনে মনোনয়ন দিলেও তাদের তালিকায় একজন নারীও নেই (সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী দশ দলীয় জোট থেকে ১৭৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী)।

এইচআরডব্লিউ সরকারকে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদ ও সাংবিধানিক বিধান মেনে লিঙ্গসমতা ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে সংস্থাটি।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত